পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা কী?
জাতি - ধর্ম - বর্ণ - নির্বিশেষে প্রতিটি ব্যক্তির জন্য শিক্ষণ-প্রশিক্ষণ , কর্মসংস্থান , সুখসুবিধা , সুরক্ষার একসমান সুযোগসুবিধা তথা পছন্দ অনুযায়ী জীবনযাপনের সুনিশ্চিত ব্যবস্থা থাকলে তবেই নাগরিক স্বাধীন একথা বলা যাবে । এমনকি প্রতিটি নাগরিকের ইচ্ছে অনুযায়ী নৃত্য , সঙ্গীত , ভ্রমণ , বিনোদন ইত্যাদি উপভোগ এবং অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে একসমান সুযোগসুবিধার ব্যবস্থা থাকবে এটিও স্বাভাবিক অধিকার । সমাজে যেমন প্রতিটি কর্মের প্রয়োজন সমান তেমনই প্রতিটি কর্মীর মান - মূল্যাংকনও একসমান থাকতে হবে । সমাজের অভ্যন্তরে বৈষম্য থাকলে বাহ্যিক জগতে যতই উপদেশের বাণী শোনানো হোক না কেন সমস্যা যেখানে রয়েছে সেখানেই থাকবে । কিছু বছর ধরে সাধারণ নাগরিক ইন্টারনেট ব্যবহারের সামান্য সুবিধা পেয়েছে । জনতা সোশ্যাল মিডিয়াকে মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে নিজস্ব মতামত বা আকাঙ্ক্ষাকে প্রকাশ করতে সমর্থ হচ্ছে । কয়েক বছর পর তথ্য আদান - প্রদান এবং অডিও - ভিডিও মাধ্যমে মতামত আদান - প্রদানের সুযোগ বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে । ফলে বর্তমান ব্যবস্থার মত আংশিক গণতন্ত্র নয় পূর্ণাঙ্গ গণতন্ত্র কিভাবে প্রতিষ্...