পোস্টগুলি

মার্চ, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

রাজনৈতিক বিষয়ক প্রশ্নোত্তর পর্ব

ছবি
  দিন দুয়েক পূর্বে নরেশ বাবু একটি প্রশ্ন শেয়ার করেছিলেন। "একজন রাজনৈতিক নেতা বা নেত্রী আগামী প্রজন্মের কাছে যদি আদর্শ হয়ে উঠতে চায়, তবে তার করণীয় কী?" আমার প্রাথমিক উত্তর ছিলঃ "সৎ, আদর্শবান নেতৃত্ব পূর্বেও রাজনীতিতে এসেছেন ও উন্নয়নের সুযোগ পেয়েছেন। বলা যায় জনতা ভরসা করে সুযোগ দিয়েছে। এমন অনেক নেতৃত্ব আছেন যারা দুর্নীতি করেননি। তারপরও সমাধান সম্ভব করে উঠতে পারেননি কেন? অনেকে বলবেন- অধিকাংশ দুর্নীতিগ্রস্ত হলে এমন হবেই। এখানেই প্রশ্ন ওঠে তাহলে উপায় কী? এ তো গেল নেতৃত্বের কথা। অপরদিকে এমন উদাহরণও আছে যেখানে সামাজিক আন্দোলন রাজনৈতিক দল গড়ে ক্ষমতা পেয়েও চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। যেমন, জেপি আন্দোলনের সম্পূর্ণ ক্রান্তি (রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষাগত, সাংস্কৃতিক, বৌদ্ধিক ও আধ্যাত্মিক বিপ্লব)। এই আন্দোলনের মূল মন্ত্র "সম্পূর্ণ বিপ্লব" (Total Revolution) সামাজিক ও রাজনৈতিক কাঠামোতে আমূল পরিবর্তন আনতে ব্যর্থ হয়। এছাড়া, আন্দোলনের পর গঠিত জনতা পার্টির অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও অস্থিতিশীলতা আন্দোলনের আদর্শকে ধরে রাখতে পারেনি। সমীক্ষা হিসেবে জানালাম। মূল বিষয় হচ্ছে এই সময়ে কোন...

সংক্ষেপে অষ্টাবক্র গীতা কী?

ছবি
  অষ্টাবক্র গীতা মহাভারতের পূর্ববর্তী এবং রামায়ণের সময়কালের সাথে সম্পর্কিত একটি প্রাচীন অদ্বৈত বেদান্ত গ্রন্থ। যেখানে রাজা জনক এবং ঋষি অষ্টাবক্রের মধ্যকার একটি গভীর আধ্যাত্মিক কথোপকথন সঙ্কলিত রয়েছে। এটি মূলত অদ্বৈত বেদান্ত দর্শনের একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী গ্রন্থ যা আত্মজ্ঞান, মুক্তি এবং বৈরাগ্য অর্জনের পথ প্রদর্শন করে। এই তত্ত্বে মূলত   অদ্বৈত বেদান্তের   মূল দর্শন ব্যাখ্যা করা হয়েছে , যা মানুষের প্রকৃত স্বরূপকে দেহ বা মনের অতীত এক   শুদ্ধ চৈতন্য   হিসেবে তুলে ধরে। পাঠ্যটিতে জোর দেওয়া হয়েছে যে , আত্মা   অবিনাশী , সর্বব্যাপী এবং জাগতিক সুখ - দুঃখ বা কর্মের বন্ধন থেকে সম্পূর্ণ   মুক্ত । আত্মজ্ঞানের মাধ্যমে কীভাবে মোহ ত্যাগ করে পরম   শান্তি   ও আনন্দ লাভ করা যায় , অষ্টাবক্র তাঁর উপদেশের মাধ্যমে তা স্পষ্ট করেছেন। রাজা জনক এই জ্ঞান অর্জনের পর নিজের   অনন্ত স্বরূপ   অনুভব করেন এবং জগতকে আত্মার এক প্রতিফলন হিসেবে প্রত্যক্ষ করেন। শেষ পর্যন্ত , এই শিক্ষাটি মানুষকে শরীরী অহ...