পোস্টগুলি

এপ্রিল, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

জীবনের জরুরী প্রয়োজন কী?

জীবনের জন্য জরুরী প্রয়োজন সকলের জন্য শিক্ষা, যোগ্যতা অনুযায়ী কাজের প্রশিক্ষণ ও গবেষণার সুযোগ, সুনিশ্চিত কর্মসংস্থান, জীবনযাত্রার সুখসুবিধা ও সুরক্ষা।  প্রতিটি মানুষের জন্য কীভাবে এই মৌলিক ব্যবস্থাপনা সুনিশ্চিত করা যায় এই উদ্দেশ্যে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরী। এটিই রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য। রাষ্ট্র যদি এই মৌলিক দায়িত্ব থেকে সরে যেতে থাকে তবে নাগরিক সমাজ বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে নেবে। সকল নাগরিকের জন্য মৌলিক ব্যবস্থাপনার সিদ্ধান্তে একমত না হবার কোনো কারণ তো চোখে পড়ে না। আপনার মতামত কী? ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা এবং প্রয়োগ-প্রচেষ্টা পূর্বে হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে যে সকল দেশসমূহ ধর্মীয় বিধানকে রাষ্ট্র পরিচালনার মাপকাঠি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে সেইসব দেশগুলো কেমন পরিস্থিতিতে রয়েছে আপনারা স্বচক্ষে দেখে আসতে পারেন। এমনকি ইসলামের উৎপত্তি যেখানে সেই আরবও ধর্মীয় কঠোরতা থেকে সরে আসছে। তারা ১৪০০ বছরের ধর্মীয় ইতিহাস না বুঝে এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে তা তো নয়। ইতিহাস জেনে দেখুন কঠোর ইসলাম এবং কঠোর খ্রিস্টানদের সেইসব রাষ্ট্রে জনতার অধিকার, সুখসুবিধা, সুরক্ষা কেমন ছিল। রাজাদের, সুলতানদ...

সমস্যার মূল কারণ কী?

সমাজ-ব্যবস্থায় অসম্পূর্ণতা রয়েছে, ভ্রান্তি রয়েছে। সমাজ-ব্যবস্থার দায়িত্ব ছিল শিশু, প্রবীণ, যুব, কর্মক্ষম, অসুস্থ, প্রতিবন্ধী তথা সকলের সমস্ত সুখসুবিধা-সুরক্ষা সুনিশ্চিত করা। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন, প্রকৃতি-পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা। তৎকালীন সময়েই মূল উদ্দেশ্যকে কেন্দ্রে রেখে সংবিধান এবং রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা নির্মিত হবার কথা ছিল। জাতি, ধর্ম, ভাষা, সংস্কৃতির নিরিখে সমাজ-ব্যবস্থাও বাস্তবিক বিবিধের মাঝে মিলন মহান হবার কথা ছিল। যা হয়নি। মূলত অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং রাজনৈতিক অধিকারজনিত অসম্পূর্ণতার কারণেই নাগরিক সমাজের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেকে নেতৃত্বের ব্যক্তিগত ব্যর্থতা কিংবা রাজনৈতিক দলীয় সরকাকে ব্যর্থতাকে দায়ী করেন। বাস্তবিক কারণ ভিন্ন। নেতৃত্ব কিংবা রাজনৈতিক দল রাজ্যে-কেন্দ্রে একাধিকবার বদল হয়েছে। মৌলিক সমস্যাদির নির্মূলন সম্ভব হয়নি। কারণ ব্যবস্থা-বিধান একইপ্রকার রয়ে গিয়েছে। সুবিশাল রাষ্ট্রে প্রাকৃতিক সম্পদ এবং মানব সম্পদের অভাব নেই, অভাব একটি পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থার। চলমান ব্যবস্থা নাগরিক সমাজের মধ্যে ব্যবস্থাগত সিদ্ধান্তের যোগসূত্র নির্মাণে ...

অটোমান সাম্রাজ্যঃ

ছবি
  অটোমান সাম্রাজ্যঃ অটোমান সাম্রাজ্য বা উসমানীয় সাম্রাজ্য যাকে তুর্কি সাম্রাজ্যও বলা হয়, ছিল একটি সুন্নি ইসলামী সাম্রাজ্য, যেখানে সুলতানরা খিলাফতের দাবি করতেন এবং ইসলাম সাম্রাজ্যের ভিত্তি ছিল। অটোমান সাম্রাজ্য ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী সাম্রাজ্যগুলির মধ্যে একটি। এটি প্রায় 600 বছর স্থায়ী হয়েছিল, 1922 সালে শেষ হয় যখন অটোমান সুলতানের উপাধি বাদ দেওয়া হয়। ইসলামের প্রভাব: অটোমান সাম্রাজ্যের উপর ইসলামের প্রভাব ছিল ব্যাপক।  খিলাফতের দাবি: অটোমান সুলতানরা খিলাফতের সর্বোচ্চ পদ দাবি করতেন এবং সাম্রাজ্যের ভিত্তি ছিল ইসলাম।  সুন্নি ইসলাম:  সাম্রাজ্যের সরকারি ধর্ম ছিল সুন্নি ইসলাম।  ইসলামিক সাম্রাজ্য: অটোমান সাম্রাজ্য একটি বৃহৎ ইসলামী সাম্রাজ্য ছিল, যা দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপ, পশ্চিম এশিয়া এবং উত্তর আফ্রিকার কিছু অংশ জুড়ে বিস্তৃত ছিল।  পতন: অটোমান সাম্রাজ্যের পতন ঘটে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মাধ্যমে মিত্রশক্তির ও ব্রিটিশদের মিত্র আরব জাতীয়তাবাদী বিদ্রোহীদের কাছে পরাজয়ের মাধ্যমে। ১৯২৪ সালে তুরস্কের স্বাধীনতা যুদ্ধের ফলে গ্র্যান্ড ন্যাশনাল এসেম্বলি উসমানীয় সাম্রাজ্য ...

অটোমান সাম্রাজ্য পতনের কারণ ও পূর্বের ইতিহাস

ছবি
বিশ্ব সভ্যতায় রোম-আরব (প্রাচীন যুগ থেকে মধ্যযুগ)   ইসলামের প্রসার। তাতার থেকে তুর্কি ইতিহাস, ঐতিহ্য, প্রভাব-প্রতিপত্তি সবদিক দিয়ে এক জলুসপূর্ণ সাম্রাজ্য ছিল উসমানীয় বা অটোমান সাম্রাজ্য। মাত্র ৪০০ জন সৈন্য নিয়ে যে সাম্রাজ্যের সূচনা হয়েছিল সেই ছোটো দলটি এমন এক সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিল সময়ের ব্যবধানে তাদের তৈরি সাম্রাজ্যের মাথানত করে কর আর উপটৌকন দিয়ে যেতো ইউরোপীয় সম্ভাটরা। ত্রয়োদশ শতাব্দীতে যাযাবর আর্তুযুরুল সেলজুক সুলতান থাকার জন্য ছোট্ট যে এলাকা পেয়েছিলেন সেটি তার বংশধরেরা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি করতে করতে তিন মহাদেশ পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু কালের বিবর্তনে যোগ্য শাসকের অভাবে ক্রমান্বয়ে ভেঙে পড়তে থাকে শক্তিশালী এই অটোমান সাম্রাজ্য। যষ্ঠদশ শতাব্দীর শেষ ভাগ থেকে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলা অটোমান সান্ডাজ্য এর সূর্য অস্তমিত হয় বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে। বিশাল এই সাম্রাজ্য একদিনে শেষ না হলেও, সাম্রাজ্যের প্রভাব বলতে কিছু ছিলনা শেষের দিকে। অটোমান সাম্রাজ্য কোন একক কারণে ধ্বংস হয়নি অটোমান সাম্রাজ্য ধ্বংসের পিছনে অনেকগুলো কারণ এবং বিস্তর ইতিহাস সেগুলো সম্পর্কে আলোচনা করবো আমরা। অটোমান সাম্রাজ্য এর পতনের...

রাষ্ট্র ব্যবস্থায় যে অধিকারগুলো জন্মগতভাবে থাকা জরুরী

ছবি
  শিক্ষা–কর্মসংস্থানঃ ১. সকল শিক্ষার্থীর জন্য বিনামূল্যে শিক্ষণ-প্রশিক্ষণ এবং গবেষণার ব্যবস্থা থাকবে। প্রশিক্ষণ শেষে যোগ্যতা এবং পছন্দ অনুযায়ী সকল শিক্ষার্থীর জন্য একটি জীবিকা সুনিশ্চিত থাকবে। ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত বিদ্যালয়ের সকল ছাত্র-ছাত্রীর জন্য মনোরম পরিবেশ এবং আরামদায়ক ব্যবস্থা থাকবে। ২. জন্মগ্রহণের পর থেকেই পরিবারের সকলের জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত সুখসুবিধা সমানভাবে উপলব্ধ থাকবে, যা সময়ানুযায়ী নির্মাণ করা সম্ভব হবে। ব্যবস্থা দ্বারা পরিকল্পিত ডিজিটাল পোর্টালের মাধ্যমে অর্ডার করে প্রয়োজনীয় বস্তু-পরিষেবা গ্রহণ করা যাবে। ৩. সমস্তপ্রকার সুবিধা উপভোগের জন্য ২৫ থেকে ৫০ বছর বয়সী সুস্থ্য নাগরিককে পছন্দ এবং যোগ্যতা অনুযায়ী একটি জীবিকা নির্বাচন করতে হবে। শিশু, প্রবীণ, অসুস্থ্য এবং প্রতিবন্ধী নাগরিক কোনোপ্রকার কর্ম সম্পাদন ব্যতীত নিজেদের ইচ্ছে অনুযায়ী সমস্ত সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে। প্রতিটি পরিবারে স্বামী-স্ত্রীর ইচ্ছে অনুযায়ী কোনো একজনের কর্মে যোগদান অনিবার্য থাকবে। ৪. সকলেই যোগ্যতা অনুযায়ী জীবিকা বদল করতে পারবে এবং স্থানান্তরিত হতে পারবে। মাপদন্ড কেবলমাত্র এটিই থাকবে যে তাকে উক্ত পদের যোগ্য হত...