‘বিত্তশালী বর্গ’ শোষণ-বঞ্চনার মূল কারণ নাকি ‘অসম্পূর্ণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থা’? একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যালোচনা
পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় যিনি আজ শোষিত কিং বা শ্রমিক তিনিও একদিন মালিক বা শোষক হয়ে যাচ্ছেন , তখন তিনি ও শোষণ করতে বাধ্য হচ্ছেন । উল্টোদিকে মালিক বা শোষক একদিন শোষিত কিং বা শ্রমিক হয়ে যাচ্ছেন । এটি চলমান অর্থনৈতিক কাঠামোর নিয়ম। অপরকে শোষণ করাটা কোনও পক্ষেরই মূল উদ্দেশ্য ন য় । মালিক কিংবা শোষক হলে অধিক সুখসুবিধা পাওয়া যায়, অর্থনৈতিকভাবে সুরক্ষিত থাকা যায় – এটিই মূল অভিপ্রায়। প্রতিটি মানুষ সুখসুবিধা-সুরক্ষা চায়। সুখসুবিধা আসে অর্থ থেকে। সুরক্ষা আসে সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা থেকে। অধিক অর্থের তাৎপর্য অধিক সুখসুবিধা। পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় অর্থবান হতে গেলে শোষণ কিংবা আর্থিক তছরুপ ব্যতীত বিকল্প মাধ্যম নেই। ফলস্বরূপ বাধ্য হয়ে শোষণ করতে হয়। যদি ভবিষ্যতে সুখসুবিধা-সুরক্ষা পাবার বিকল্প মাধ্যম কিংবা বন্দোবস্ত সম্ভব হয় তখন মানুষ সেটিকে গ্রহণ করে নেবে। “ মানুষের মধ্যে ই দোষ রয়েছে , সে অপরকে শোষণ করতে ই জন্ম নিয়েছে ” এটি সঠিক সিদ্ধান্ত নয় । মানুষ নিজের, পরিবারে...