পোস্টগুলি

মে, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

গ্ল্যামার দুনিয়াই নয় সাধারণ মানুষও আত্মহত্যার শিকার? নিবারণ কীভাবে হবে?

ছবি
যে কোনো অস্বাভাবিক মৃত্যু এবং আত্মহত্যা অত্যন্ত্য বেদনাদায়ক । ফিল্ম এবং গ্ল্যামার দুনিয়াই নয়, বহু সাধারণ পরিবারের মানুষও আত্মহত্যার শিকার। গুরুতর এই সমস্যাটির মূল কারণ জানলে আপনি অবাক হ য়ে যা বেন। যারা আত্মহত্যা করছে তারা মোটেও দোষী নয়। সুখ - সমৃদ্ধি এবং স্বাধীনতা কে না পেতে চায়। স্বপ্নকে কাটছাঁট করে দুঃখী জীবন কেউ কাটাতে চায় না। সমস্যা র মূল কারণ হচ্ছে সকলের যোগ্যতা এবং পছন্দ অনুযায়ী জীবিকার ব্যবস্থা না থাকাটা। সকলের ‘ সমান মান-মর্যাদা ’ এবং সমস্ত জীবিকার ‘ সমান পারিশ্রমিক ’ না থাকাটা। একইসাথে ম্যাচিং সঙ্গী-সঙ্গিনী না পাওয়াটাও সমস্যা। এটি সিস্টেম বা ব্যবস্থা গত সমস্যা। এরজন্য ব্যক্তিকে দোষারোপ করাটা সঠিক পন্থা নয়। অনেকের কাছেই এটি নতুন বক্তব্য বলে মনে হচ্ছে। এই বিষয়টি বুঝতে সময়ের অপেক্ষা মাত্র। মূল প্রসঙ্গে ফিরে আসি। ব্যবস্থা এমন হওয়া উচিত যেন প্রতিটি ব্যক্তি পছন্দ অনুযায়ী জীবন - যাপন করতে পারে এবং কাউকেই যেন অপরের উপর নির্ভরশীল না থাকতে হয়। শোষিত, দরিদ্র, অসহায় অবস্থায় দিনের পর দিন কম্প্রোমাইজ করে জীবন কাটানো সমাধান হতে পারে না। এই প্রকার উপদেশ দিয়ে আত্মহত্যা রোধ করা যায় না। ...

সকলের মান-মর্যাদা এবং পারিশ্রমিক সমান থাকবে কেন?

ছবি
কেউ কেউ বলেন বিভিন্ন প্রকার কর্মসংস্থানের জন্য বেতনও আলাদা আলাদা হওয়া উচিত। কেননা কর্ম বিশেষে শ্রম ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। স্থুল ভাবনায় একথা সঠিক বলেই মনে হয়। কিন্তু তা বাস্তবে জীবনের উদ্দেশ্যকে পূরণ করে না বরং বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আসুন বুঝে নিই এই নীতি আসলে কিভাবে বাধা হয়ে দাঁড়ায়? যদি আমরা পারিশ্রমিক সমান না রাখি তবে যেসব বস্তু উচ্চ বেতনভোগী মানুষ দ্বারা নির্মিত হবে তার মূল্য স্বাভাবিকভাবে অধিক হবে। আর অধিক মুল্যের হলে স্বল্প আয়ের মানুষ তা ক্রয় করতে পারবে না। অর্থাৎ সমাজের একটি বড় অংশ উচ্চ মুল্যের বস্তু বা পরিষেবা উপভোগ করতে পারবে না। অর্থাৎ এই বর্গের মানুষ উক্ত সুখ থেকে বঞ্চিতই থেকে যাবে। তখন কম বেতনভোগী মানুষ দামী বস্তু পেতে কোনো না কোনো উপায় খুঁজবে। কেননা তারাও উচ্চ মূল্যের বস্তু এবং পরিষেবা থেকে প্রাপ্ত সুখ উপভোগ করতে চাইবে। সমাজে মানুষ দু-প্রকারের সুখ উপভোগকারী হয়ে থাকে। প্রথমত— সংবিধান অনুযায়ী এবং দ্বিতীয়ত— সংবিধানের বিপরীত। সংবিধানে তো আমরা উল্লেখ করে দিয়েছি যে কম বেতনভোগী মানুষ উচ্চ মুল্যের বস্তু/পরিষেবা উপভোগ করতে পারবে না। তাহলে দ্বিতীয় উপায় যেটি থাকে তা হল বিভিন্ন প্রকার অপরাধমূল...