পোস্টগুলি

ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

প্রেম-অপ্রেম ও বিবাহ-বিচ্ছেদের রহস্য, বাস্তবিকতা এবং সমাধান

ছবি
প্রেম হচ্ছে একে অপরের প্রতি সম্বন্ধ। আর সম্বন্ধ নির্ভর করে এই বিষয়ের উপর যে দুজনের সম্পর্ক দুজনের প্রতি কতটা উপযোগী। যে যার প্রতি যতটা উপযোগী হবে তাদের মধ্যে সেই প্রকার সম্বন্ধ এবং ততটুকু সম্বন্ধই থাকবে। এই সম্বন্ধকেই প্রেম অথবা প্রেমের আকর্ষণ বলা হয়ে থাকে। যখন আমরা একে অপরের উপযোগিতার তাৎপর্য বুঝতে পারি এই ভেবে যে আমাদের সুখ পরস্পরের যোগদান ছাড়া সম্ভব নয় তখনই অন্যের প্রতি আমাদের আকর্ষণ তৈরি হয়। এই আকর্ষণকেই প্রেম বলা হয়। এই উপলব্ধি যে স্তরের হবে সেই স্তরের প্রেম তার ভেতর উৎপন্ন হবে। ব্যক্তিগত স্তরে যেহেতু আমরা একা সেহেতু সেখানে সম্পর্ক তৈরির জন্য অন্য কেউ থাকে না। তবে পারিবারিক স্তরের প্রেমকে বোঝার জন্য একটি উদাহরণ নেওয়া যেতে পারে। যখন স্ত্রীর কাছ থেকে স্বামী সুখ পেতে থাকে তখন তার প্রেম হতে থাকে। তখন সে বুঝে যায় স্ত্রীর কাছ থেকে যেমন সুখ পাচ্ছি সেই প্রকার সুখ স্ত্রী ব্যতীত উপভোগ করতে পারব না। সামাজিক স্তরের সুখকেও আমরা একইভাবে বুঝে নিতে পারি। যদিও সামাজিক স্তরের সুখকে অনুভব করা একটু কঠিন হয়ে যায় কেননা বিভিন্ন প্রকার সুখের মধ্যে সমাজের ভিন্ন ভিন্ন যোগদান থাকে। যিনি বুঝতে পারেন তিনিই তা...

উন্নয়নের আর্থিক সিদ্ধান্ত বিষয়ে কিছু কথা

 এখনও পর্যন্ত যে অর্থনীতি রয়েছে তা পুরোপুরি টাকা বা মুদ্রাকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হয়ে চলেছে। সরকার টাকা পেলে তবে উন্নয়ন করতে পারে। টাকা নেই উন্নয়ন নেই। বিষয়টিকে যদি এভাবে দেখা যায়, টাকা দিয়ে মানুষ কি করে? বস্তু এবং পরিষেবা ক্রয় করে। বস্তু বলতে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। পরিষেবা বলতে শিক্ষা, সড়ক, জল, বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট, যানবাহন, আমোদ-প্রমোদ, সুরক্ষা ইত্যাদি। এইসব নির্মাণের জন্য দেশে পর্যাপ্ত ভূমি সহ সম্পদ রয়েছে। কর্মের জন্য পর্যাপ্ত মানুষ রয়েছে। যারা কর্ম সম্পাদনার সুযোগ না পেয়ে আত্মহত্যা করে চলেছে। অত্যন্ত জরুরী প্রয়োজন পূরণেই চলমান অর্থনীতি ব্যর্থ হয়েছে। এই অর্থনীতি একইপ্রকার চলমান থাকলে ফলাফল ভিন্ন কিছু আসবে না। সমস্যাটা হচ্ছে সরকারের কাছে এমন কোনও আর্থিক নীতি নেই যেখানে সকল নাগরিকের জন্য কর্মপযোগী আধুনিক শিক্ষা, জীবিকা, জীবনযাপনের সুখসুবিধা-সুরক্ষার বন্দোবস্ত হতে পারে। প্রথম জরুরী পদক্ষেপ হচ্ছে নাগরিক সমাজ এবং সরকার এই সিদ্ধান্তে উপনীত হোক, করণীয় কী? অর্থাৎ উদ্দেশ্য কী? উদ্দেশ্য নিশ্চিত হলে তবেই পূরণের নীতিমালা প্রণয়নের সূচনা সম্ভব হবে। একটি বিক...

বিকল্প বিপ্লব : যে ভাবে দারিদ্র কমানো সম্ভব – অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় / স্বাতী ভট্টাচার্য

মুখবন্ধ   এই সংকলনের প্রবন্ধগুলি ২০১১ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে লেখা হয় এবং বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এর মধ্যে সাতটি প্রবন্ধ দুই লেখক একসঙ্গে লেখেন, বাকিগুলি তাঁরা এককভাবে লিখেছেন। অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের যে লেখাগুলি ইংরেজিতে প্রকাশিত হয়েছিল, সেগুলি বাংলায় অনুবাদ করেছেন স্বাতী ভট্টাচার্য। প্রতিটি প্রবন্ধের শেষে প্রকাশের স্থান-কাল দেওয়া রইল। সংবাদপত্র ও সাময়িকীতে প্রকাশিত প্রবন্ধে অনেক সময়েই কোনও ঘোষণা বা ঘটনার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ধরা থাকে। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আরও নতুন বিষয় সামনে আসে, নতুন কোনও বিশ্লেষণ বেশি গুরুত্ব দাবি করে। কিন্তু তাকে জায়গা দিতে হলে তৎকালীন প্রতিক্রিয়ার স্বাদ-গন্ধ আর থাকে না। তাই প্রবন্ধগুলির মূল রূপটিই সংকলনে রাখা হল। প্রবন্ধের প্রেক্ষিতটুকু ধরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রয়োজন মতো তখনকার ঘটনা, আর তার পরবর্তী ঘটনাক্রমের সংক্ষিপ্ত বিবরণ রইল। নানা সময়ে, নানা বিষয় নিয়ে লেখা হলেও এই সংকলনের সব প্রবন্ধের মূল প্রশ্ন এক। তা হল, দারিদ্র কমানোর জন্য যে সব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যে টাকা বরাদ্দ করা হচ্ছে, তা বাস্তবিক গরিবের কতটা কাজে লাগছে? যেখানে ...