পোস্টগুলি

জুলাই, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

শান্তিনিকেতনের মূল উদ্দেশ্য কী?

ছবি
৭ জানুয়ারি ১৮৭৮-এ (১৩ মাঘ ১২৮৪-এ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম বোলপুরের নিকটস্থ শান্তিনিকেতনে এসেছিলেন। তখন তাঁর বয়স ১৭ বছর। ১৮৮৮ খ্রিস্টাব্দে (১২৯৫ বঙ্গাব্দে) দেবেন্দ্রনাথ একটি ট্রাস্টের মাধ্যমে সমগ্র এলাকাটিকে একটি ব্রহ্মবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য উৎসর্গ করেছিলেন। ১৯০১ সালের ডিসেম্বরে (৭ পৌষ ১৩০৮ বঙ্গাব্দ) শান্তিনিকেতন আশ্রমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর "ব্রহ্মচর্যাশ্রম" নামে একটি বিদ্যালয় স্থাপন করেছিলেন। এই বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্য ছিল প্রচলিত বৃত্তিমুখী অপূর্ণাঙ্গ শিক্ষার পরিবর্তে ব্যবহারিক শিক্ষার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের পূর্ণাঙ্গ মনোবিকাশের সুযোগদান। রবীন্দ্রনাথ প্রাচীন ভারতের তপোবন বিদ্যালয় থেকে এই বিদ্যালয়ের আদর্শটি গ্রহণ করেন। বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় রবীন্দ্রনাথ তার পিতা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সানন্দ অনুমতি ও আশীর্বাদ লাভ করেছিলেন। বিদ্যালয়ের প্রথম পাঁচজন ছাত্রের অন্যতম ছিলেন কবিপুত্র রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর। উক্ত বিষয়ে সকলে অবগত সত্ত্বেও যে কারণে বিষয়টির অবতারণা তা হচ্ছে, "প্রচলিত বৃত্তিমুখী অপূর্ণাঙ্গ শিক্ষার পরিবর্তে ব্যবহারিক শিক্ষার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের পূর্ণাঙ্গ মনোবিকাশের সুযো...

সমাধানের পথ কী?

সমাধান হচ্ছে জনতার হাতে সাংবিধানিক ক্ষমতা আমাদের সিদ্ধান্ত ব্যবস্থার পরিবর্তন। অবশ্যই গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে। এখনও অবধি যে গণতন্ত্র আমরা অনুভব করেছি সেখানে দেখা গিয়েছে সার্বিক ক্ষমতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার সরকারপক্ষের নির্দিষ্ট প্রতিনিধির কাছে নিহিত থেকেছে। বাস্তবিক ক্ষমতা জনতার হাতে নেই। একাধিক দলীয় সরকারের বদল, আদর্শ নেতৃত্ব ইত্যাদি উপায় সবই পরীক্ষিত হয়ে গিয়েছে। তাহলে কি সমাধান নেই? তারপরও সমাধানের পথ আছে যা নিয়ে আমরা কাজ করছি। চাইলে এই সমাধান অন্য দলও প্রয়োগ করতে পারে। যে কারণে আমাদের সাথে কারোর বিরোধও নেই। আমাদের প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় কেউ চাইলেও দুর্নীতি কিংবা অপরকে শোষণ করতে পারবে না। বিষয়টি বোঝার জন্য তিনটি উপায় আছে। আমাদের সাথে দীর্ঘ আলোচনায় সময় দেওয়া- অনলাইন কিংবা সাক্ষাতে, ইউটিউব চ্যানেল থেকে ভিডিও দেখা কিংবা পুস্তক পড়ে নেওয়া। যারা জেনে এবং মেনে সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে তারা প্রচার করছে, অপরের সাথে আলোচনা করছে। জানার বিষয়টিই প্রথম কাজ। আমাদের সমাধান সূত্রে যদি কোনও ত্রুটি থাকে তাতেও আলোচনায় স্বাগত। সব আলোচনা আমরা রেকর্ড করি এবং জনতার উদ্দেশ্যে আপলোড করি। গোপনীয়তা কিছুই নেই। B...

ব্যবস্থাগত অসম্পূর্ণতা নাকি নেতৃত্বের ব্যর্থতা?

নেতৃত্বের ব্যর্থতা নাকি  ব্যবস্থাগত অসম্পূর্ণতা ? সমাধান কী?   ভারতরাষ্ট্রের স্বাধীনতা লাভ ৭৭ পেরিয়ে ৭৮ বছরের দোরগোড়ায়। প্রাকৃতিক সম্পদ এবং মানব সম্পদে সমৃদ্ধ একটি বৃহৎ স্বাধীন রাষ্ট্রের পক্ষে সামগ্রিক উন্নয়নের নিরিখে এই দীর্ঘকালীন পরিসর সীমিত সময় নয়, বলা যায় একজন নাগরিকের জীবনকালের সমান।  পরিসংখ্যান বলছে ভারতবর্ষে যে পরিমাণ প্রাকৃতিক সম্পদ এবং মানব সম্পদ বিদ্যমান তাতে প্রতিটি পরিবারের সমৃদ্ধ জীবনযাত্রার স্থায়ী এবং সুরক্ষিত ব্যবস্থাপনা সম্ভব। একবিংশ শতাব্দীর অত্যাধুনিক প্রযুক্তির অটোমেশন, রোবোটিক, এআই ইত্যাদি সুবিধাগুলি কর্ম সম্পাদনায় ব্যবহুত হলে সময়-শক্তির সাশ্রয় করে দ্রুত সকলের প্রয়োজনীয় বস্তু-পরিষেবা উৎপাদন সম্ভব। বিদ্যালয়, উৎপাদন কেন্দ্র, চিকিৎসালয়, বাসস্থান সহ সকল সামাজিক পরিকাঠামো নির্মাণের পর্যাপ্ত সম্পদ রাষ্ট্রের কাছে রয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে এই সার্বিক উন্নয়নের পথে বাধা কোথায়? সাংবিধানিক গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত সরকারকে কেউ কি আটকে রেখেছে? কেন্দ্রে-রাজ্যে একাধিক সরকারের বদল ঘটেছে, জনতা একাধিক রাজনৈতিক দল এবং নেতৃত্বের উপর বিশ্বাস রেখে দায়িত্ব পালনের সুয...