পোস্টগুলি

নভেম্বর, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

প্রত্যাখানের ভয় কীভাবে কাটিয়ে উঠবেন?

ছবি
যখন কেউ আপনাকে রিজেক্ট করছে আপনি সেটিকে রিজেক্ট মনে করবেন না, এর অর্থ হচ্ছে তাকে আপনার প্রয়োজন নেই। প্রত্যাখ্যানের এর অর্থ এই নয় যে আপনি অপ্রয়োজনীয়, আপনিও কারোর না কারোর জন্য প্রয়োজনীয়, কিন্তু তার কাছে আপনি পৌঁছাতে পারছেন না। রিজেক্ট করবার অর্থ মানুষ ধরে নেয় তার মধ্যে কোনও ঘাটতি রয়েছে, এর অর্থ শুধুমাত্র এইটুকুই যে দুজনার মধ্যে ম্যাচিং নেই। প্রত্যাখ্যানের সাথে অযোগ্যতা, হেরে যাওয়া কিংবা মন খারাপের কোনও কানেকশন থাকার কথা নয়। মূল কথা এতটুকুই। কারোর কাউকে ভালো লাগলে সেটা বলে দেওয়া ভাল। এতে উভয়কেই বিষয়টিকে খোলামনে নেওয়া উচিত। কাউকে সুন্দর, হ্যান্ডসাম বা ভাল লাগে বললে তো ভাল লাগারই কথা। এটিকে নেগেতিভ ভাবে নেওয়া উচিত নয়। "না" বললেও মন খারাপের কিছু থাকার কথা নয়। কারোর না কারোর সাথে ম্যাচিং তো হবেই। কেউ আমায় কোনও না কোনও কারণে পছন্দ করছে এতে তার খুশিই হবার কথা। ভাল বন্ধুত্বের গ্রুপ বা বন্ধুবান্ধব থাকলে এইসব যোগাযোগগুলোও ভালভাবে করা যায়। প্রেম জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ইচ্ছে, কামনা বাসনা, প্রেমহীন জীবন মৃত্যুর সমান। ULM যে নতুন সমাজ ব্যবস্থার  প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেছে সেটি প্রত...

সংবিধানের ব্যর্থতা নিয়ে আম্বেদকর কী বলেছিলেন?

ছবি
  সংবিধানের সাফল্য বা ব্যর্থতা নির্ভর করে যারা পরিচালনা করবেন সেই মানুষ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর উপর। ১৯৪৯ সালের ২৫শে নভেম্বরে গণপরিষদে তাঁর শেষ ভাষণে তিনি স্পষ্ট করে বলেছিলেন:  "তবে একটি সংবিধান যতই ভালো হোক না কেন, তা খারাপ হতে বাধ্য, কারণ যারা এটিকে কার্যকর করার জন্য নির্বাচিত হবেন, তারা যদি খারাপ হন। একটি সংবিধান যতই খারাপ হোক না কেন, তা ভালো হতে পারে যদি যারা এটিকে কার্যকর করার জন্য নির্বাচিত হবেন, তারা ভালো হন। সংবিধানের কাজ সম্পূর্ণভাবে সংবিধানের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে না"। এছাড়াও, ১৯৫৩ সালে রাজ্যসভায় একটি বিতর্কের সময়, সরকারের ব্যর্থতা এবং অবহেলার কারণে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেছিলেন, "আমিই প্রথম ব্যক্তি হব যে এই সংবিধান পুড়িয়ে দেব"। তবে এই মন্তব্যটি ছিল সরকারের কাজের ব্যর্থতার প্রসঙ্গে, সংবিধানের মূল কাঠামোর দুর্বলতার কারণে নয়। তিনি মনে করতেন যে দেশের কিছু সুবিধাবাদী শ্রেণী সংবিধানের মূল নীতিগুলি সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হচ্ছে, যা গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর।  বেশ। তিনি যদি জানতেনই মানুষ নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করতে অপরকে শোষণ করতে পারে, বঞ্চিত করতে পারে, শ...

ভারতে যৌন পেশা কি আইনত অপরাধ?

ছবি
ভারতে  স্বেচ্ছায় যৌন পেশা আইনত অপরাধ নয় , তবে পতিতালয় চালানো, দালালবৃত্তি (pimping), বা জনসমক্ষে খদ্দের খোঁজা (soliciting)-এর মতো সম্পর্কিত কার্যকলাপগুলি "অনৈতিক ট্র্যাফিক (প্রতিরোধ) আইন, ১৯৫৬ " (Immoral Traffic (Prevention) Act, 1956 বা ITPA) এর অধীনে আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ ।   যৌন পেশা বৈধ:   ভারতীয় আইনে সরাসরি যৌন পেশাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়নি। প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ব্যক্তিগত স্থানে স্বেচ্ছায় যৌন কার্যকলাপ আইনত দণ্ডনীয় নয়। যে কাজগুলো অবৈধ: পতিতালয় স্থাপন বা পরিচালনা করা। যৌন পেশার আয় থেকে জীবিকা নির্বাহ করা (দালালবৃত্তি)। জনসমক্ষে বা পাবলিক প্লেসের আশেপাশে (যেমন হোটেল, রাস্তার পাশে) খদ্দের খোঁজা বা প্ররোচিত করা। মানব পাচার করা বা জোর করে এই পেশায় বাধ্য করা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা:   ২০২২ সালের মে মাসে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট একটি যুগান্তকারী পর্যবেক্ষণে জানিয়েছেন যে, যৌনকর্ম একটি "পেশা" এবং এই পেশার সাথে যুক্ত প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিরা আইনের সমান সুরক্ষা পাওয়ার অধিকারী। আদালত আরও নির্দেশ দেন যে, পুলিশ যেন প্রাপ্তবয়স্ক ও স্বেচ্ছায় এই পেশায় যুক্ত ব...

ভারতে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক কি বৈধ?

ছবি
বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক (Adultery) ভারতে বৈধ। পূর্বে, ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারা অনুযায়ী বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক একটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হত, কিন্তু ২০১৮ সালের ২৭শে সেপ্টেম্বর ভারতের সুপ্রিম কোর্টের একটি যুগান্তকারী রায়ে এটি অপরাধের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। সুতরাং, বর্তমানে ভারতে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক একটি ফৌজদারি অপরাধ নয়। তবে, এটি এখনও বিবাহবিচ্ছেদের জন্য আইনগত ভিত্তি হতে পারে। ভারতে একাধিক স্ত্রী বা স্বামীর সাথে বিবাহ (বহুবিবাহ) সাধারণত অবৈধ, তবে এটি ধর্মীয় ব্যক্তিগত আইনের উপর নির্ভরশীল। অন্যদিকে, সম্মতির ভিত্তিতে একাধিক সঙ্গীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক (বিবাহ বহির্ভূত) আর ফৌজদারি অপরাধ নয়। বিবাহের আইনি অবস্থা বেশিরভাগ সম্প্রদায়ের জন্য অবৈধ:  হিন্দু বিবাহ আইন, ১৯৫৫ (হিন্দু, শিখ, জৈন এবং বৌদ্ধদের জন্য প্রযোজ্য), স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্ট, ১৯৫৪ এবং খ্রিস্টান ও পার্সি আইন অনুযায়ী বহুবিবাহ বা দ্বিতীয় বিবাহ অবৈধ এবং এটি একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ (দ্বিবিবাহ) । এই আইনগুলির অধীনে, কোনো ব্যক্তির যদি একজন বৈধ স্ত্রী/স্বামী জীবিত থাকেন, তবে তিনি আইনগতভাবে দ্বিতীয়বার বিবাহ করতে পারেন না। মুসলিম...

Basic needs first or advice?

ছবি
Normal human life is the best way of life to learn struggle first then fight for outcome.  - Manas Roychoudhury  Madhab Ranjan Sarkar: T his faulty and incomplete system is the principal reason behind our struggle in each and every aspect of life. Manas Roychoudhury:  I may be wrong which I acquired at the age of 67years that if anybody leads his or her life in simple manner then struggle will come but it will reduce. He or She should understand the balance of Metrialistic and Spiritual world 🌎 ✨️ 🙏🏻 Madhab Ranjan Sarkar:  Didn't you compromise for anything in your whole life? If yes then why? Simple life differs men to men. I don't know what was your profession. As per your thought, to lead a simple life someone should have a secure job with a minimum wage so thar he or she can life with bread and butter, house, good education for the kids and other essential expenses.. Now you decide In 2025 what minimum salary should be? At present there are only 3% employees w...

নারী ও পুরুষ একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী নাকি পরিপূরক?

ছবি
প্রাকৃতিকভাবেই নারী ও পুরুষ দুটি ভিন্ন সত্তা। শারীরিক ও মানসিক উভয় দিক দিয়েই উভয়ের গঠন-গড়ন ভিন্ন। এই ভিন্নতার প্রয়োজন রয়েছে বলেই প্রকৃতি তেমন করেই নারী ও পুরুষকে সৃষ্টি করেছে। একে অপরের সমকক্ষ হয়ে ওঠা কিংবা প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠা প্রকৃতি বিরুদ্ধ। দুজনের শারীরিক-মানসিক ভিন্নতার কারণে দুজনের মধ্যে কর্মের, যোগ্যতার ভিন্নতা থাকবে এও স্বাভাবিক। যে যেমন তাকে তেমনভাবে জীবন উপভোগ করবার পরিবর্তে জোর করে বদলের প্রচেষ্টা অস্বাভাবিক। যার এফেক্ট নেতিবাচক হতে বাধ্য। বাস্তবে হচ্ছেও তাই। নারী দিবস বা পুরুষ দিবস পালন করলে যেন মনে হয় কোথাও কোনও গুরুতর সমস্যা রয়েছে। মানুষের মধ্যে কোনও সমস্যা নেই। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে প্রতিটি কর্মক্ষম মানুষের শিক্ষা, জীবিকা, সুখসুবিধার ও নিরাপত্তার অভাব মূল সমস্যা। এজন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তি নয় রাষ্ট্রের ত্রুটিপূর্ণ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা দায়ী। প্রতিটি মানুষের অর্থনৈতিক স্বাধীনতার অভাব মূল সমস্যা। একটি সমৃদ্ধ ব্যবস্থা নির্মাণের উদ্দেশ্যে সকলকে সম্মিলিত হতে হবে। জনশক্তি তৈরি করতে হবে। এটিই নাগরিক সমাজের মূল দায়িত্ব। অর্থাৎ সামাজিক উদ্যোগ। তা না হলে সমস্ত সুখসুবিধা কেব...

পুঁজি ব্যবস্থায় জনজীবনের স্তরবিন্যাস

ছবি
সবার উপরে অর্থ সত্য অর্থের উপরে কেহ নাই। সকলের উপরই কেউ না কেউ আসীন রয়েছেন। ব্যক্তি মানুষের পেছনেও আসলে কলকব্জা নাড়ছে সেই অর্থ। যেহেতু সকলেই অর্থের জালে বন্দী ও ভুক্তভোগী সেহেতু সকলের প্রয়োজন পূরণের নিরিখে সকলের উদ্যোগে বিকল্প অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার নির্মাণ ব্যতীত মুক্তির উপায় কিছু নেই। কথাগুলো এত ব্যবহার হয়েছে যে সকলের কাছে খুবই জীর্ণ মনে হবে। একেবারে নিচের স্তরে যারা রয়েছে তাদের সম্মিলিত উদ্যোগ, জনশক্তি ব্যতীত উপায় কিছু নেই। দেশে সম্পদের অভাব নেই, কর্মক্ষম মানুষেরও অভাব নেই। মতামতে সকলে স্বাগত। ***

প্রেম-অপ্রেম ও বিবাহ-বিচ্ছেদের রহস্য, বাস্তবিকতা এবং সমাধান:

ছবি
প্রেম হচ্ছে একে অপরের প্রতি সম্বন্ধ। আর সম্বন্ধ নির্ভর করে এই বিষয়ের উপর যে দুজনের সম্পর্ক দুজনের প্রতি কতটা উপযোগী। যে যার প্রতি যতটা উপযোগী হবে তাদের মধ্যে সেই প্রকার সম্বন্ধ এবং ততটুকু সম্বন্ধই থাকবে। এই সম্বন্ধকেই প্রেম অথবা প্রেমের আকর্ষণ বলা হয়ে থাকে। যখন আমরা একে অপরের উপযোগিতার তাৎপর্য বুঝতে পারি এই ভেবে যে আমাদের সুখ পরস্পরের যোগদান ছাড়া সম্ভব নয় তখনই অন্যের প্রতি আমাদের আকর্ষণ তৈরি হয়। এই আকর্ষণকেই প্রেম বলা হয়। এই উপলব্ধি যে স্তরের হবে সেই স্তরের প্রেম তার ভেতর উৎপন্ন হবে। ব্যক্তিগত স্তরে যেহেতু আমরা একা সেহেতু সেখানে সম্পর্ক তৈরির জন্য অন্য কেউ থাকে না। তবে পারিবারিক স্তরের প্রেমকে বোঝার জন্য একটি উদাহরণ নেওয়া যেতে পারে। যখন স্ত্রীর কাছ থেকে স্বামী সুখ পেতে থাকে তখন তার প্রেম হতে থাকে। তখন সে বুঝে যায় স্ত্রীর কাছ থেকে যেমন সুখ পাচ্ছি সেই প্রকার সুখ স্ত্রী ব্যতীত উপভোগ করতে পারব না। সামাজিক স্তরের সুখকেও আমরা একইভাবে বুঝে নিতে পারি। যদিও সামাজিক স্তরের সুখকে অনুভব করা একটু কঠিন হয়ে যায় কেননা বিভিন্ন প্রকার সুখের মধ্যে সমাজের ভিন্ন ভিন্ন যোগদান থাকে। যিনি বুঝতে পারেন তিনিই তা...

ভারতে আয়ের বাস্তবিক পরিসংখ্যান কী?

ছবি
  ভারত সরকারের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদ কর্তৃক প্রকাশিত 'স্টেট অফ ইনিকুয়ালিটি ইন ইন্ডিয়া' (State of Inequality in India) রিপোর্ট অনুসারে, ভারতে মাসিক ২৫,০০০ টাকা বা তার বেশি উপার্জনকারীরা দেশের শীর্ষ ১০ শতাংশ (Top 10%) উপার্জনকারীর মধ্যে পড়েন। ভারতের জনসংখ্যা প্রায় ১৪০ কোটি হওয়ায়, এর ১০ শতাংশের সংখ্যা প্রায় ১৪ কোটি মানুষ হয়, যারা এই বেতনের উপরে আয় করেন। অর্থাৎ ভারতের জনসংখ্যার প্রায় ৯০% মানুষ মাসে ২৫,০০০ টাকার কম উপার্জন করেন। মাত্র ৩% ভারতীয় বার্ষিক ২৫ লক্ষ টাকার বেশি (বা মাসিক প্রায় ২ লক্ষ টাকার বেশি) উপার্জন করেন। রাজ্য ও কেন্দ্র মিলিয়ে ভারতে মোট সরকারি চাকরির সংখ্যা সঠিকভাবে বলা কঠিন, কারণ নির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান নেই। তবে, ১ জুলাই ২০২৩ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকারের মোট কর্মরত সরকারি কর্মচারী ছিলেন প্রায় ৪৮.৬৭ লক্ষ। রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের সংখ্যা এর সাথে যোগ করলে মোট সংখ্যা আরও বাড়বে, তবে রাজ্য ভেদে এই সংখ্যা বিভিন্ন হয়। রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের চাকরির পরিসংখ্যান: কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারী: ১ জুলাই ২০২৩ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে ম...

নেতিবাচক কর্ম ত্যাগের উপায় কী?

বিকল্প রোজগারের ব্যবস্থা করে দিলে যারা নেতিবাচক কর্ম করছেন তাদের অধিকাংশই ছেড়ে দেবেন। এরপর বিদ্যালয়ে শিক্ষা, সচেতনতা, বিকল্প সুস্বাদু পুষ্টিকর আহারের বন্দোবস্ত ইত্যাদির অভ্যাস গড়ে উঠলে অবশিষ্ট কাজটিও পূরণ হতে শুরু করবে। সংস্কৃতি, অভ্যাস, বেটার বিকল্প ইত্যাদি বিষয়গুলো ম্যাটার করে। যে কারণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে সমাধান কঠিন হয়ে পড়ে। শুধুমাত্র আহারের ক্ষেত্রেই নয় জীবনের একটি বিষয় অপর বিষয়ের সাথে সংযুক্ত। সকলের আধুনিক শিক্ষা, সুরক্ষিত জীবিকা তথা উপযুক্ত রোজগার, ব্যক্তিগত ও সামাজিক সুখসুবিধা ও আজীবন নিরাপত্তার দিকগুলি রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের অংশ। যা প্রতিটি পরিবারের চাইই চাই। যা আবার চলমান ব্যবস্থায় সম্ভবও নয়। তবে সঠিক নীতি এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ধাপে ধাপে অসম্ভবও নয়। এরজন্য জাতি ধর্ম সংস্কৃতি নির্বিশেষে জনতার তরফে বৃহত্তর উদ্যোগ জরুরী। মৌলিক প্রয়োজনগুলি পূরণের নিরিখে রাষ্ট্রব্যাপী এক সিদ্ধান্তে গণউদ্যোগ গৃহীত হলে যে জনশক্তি তৈরি হবে তাতে সরকার পক্ষ দায়িত্ব, প্রয়োজনীয় নীতিনিয়ম প্রণয়ন ও রূপায়নে দ্রুত সচেষ্ট হবে। এটিই মূল উপায়।

পুঁজিবাদ, সমাজতন্ত্র ও সাম্যবাদ কী?

পুঁজিবাদ, সমাজতন্ত্র এবং সাম্যবাদ হলো তিনটি ভিন্ন অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা, যাদের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে উৎপাদনের উপায়গুলির মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতিতে।  পুঁজিবাদ (Capitalism) পুঁজিবাদ এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে উৎপাদনের উপায়গুলি (যেমন কারখানা, জমি, যন্ত্রপাতি) ব্যক্তিগত মালিকানাধীন এবং পরিচালিত হয় মূলত মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে।  ব্যক্তিগত সম্পত্তি: ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সম্পত্তি এবং সম্পদ নিজেদের মালিকানায় রাখতে পারে। মুক্ত বাজার: পণ্য ও পরিষেবার দাম সরবরাহ এবং চাহিদার উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়, এতে সরকারের হস্তক্ষেপ ন্যূনতম। প্রতিযোগিতা: বাজারে একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রতিযোগিতা থাকে, যা উদ্ভাবন এবং দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করে। মুনাফা অর্জন: ব্যক্তিগত স্বার্থ এবং মুনাফা অর্জনকে প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে দেখা হয়।  সমাজতন্ত্র (Socialism) সমাজতন্ত্র হলো একটি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দর্শন যা পুঁজিবাদের বিরোধিতা করে এবং উৎপাদনের উপায়গুলির সামাজিক বা সমষ্টিগত মালিকানার কথা বলে।  সামাজিক মালিকানা: উৎপাদনের উপায়গুলি ব্যক্তিগত মালিক...