পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ছাত্র সমাজ থেকে বিকল্প সমাজ ব্যবস্থা

ছবি
অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবীতে, অপরাধমুক্ত-দুর্নীতিমুক্ত সমাজের দাবীতে শুধুমাত্র ছাত্রই নয় বরং সকল রাজনৈতিক দল সহ সামগ্রিক সমাজ একত্রিত হতে পারে। সমাজ সংস্কারের উদ্দেশ্যে এক বৃহত্তর সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারে। সমাজ দ্বারা পরিচালিত তথা সম্মিলিত উদ্যোগে এক নতুন ব্যবস্থাপনার সূত্রপাত হতে পারে। সমাজের কল্যাণই তো সকল দলের, সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য। সুতরাং বৈরিতা-বিভাজন অযৌক্তিক। কেন সকল রাজনৈতিক দল, সমস্ত সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন সম্মিলিত উদ্যোগে এক সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারছে না? এমন উদ্যোগ সফলতা পেলে আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা-বৈরিতাকে ভুলে পক্ষের-বিপক্ষের সকলের কল্যাণে এক সিদ্ধান্তে উপনীত হবার সিদ্ধান্ত গ্রহণই প্রকৃত গণ-উদ্যোগ।  এক সিদ্ধান্তে উপনীত হবার পথে বাধা কোথায়? মূল সমস্যা হচ্ছে সমাধান সুত্র সম্পর্কে স্পষ্টতার অভাব। সকল দল-সংগঠন নিজ সমাধানকে, দর্শনেকে শ্রেষ্ঠ বলে মান্যতা দিয়ে রেখেছে। অথচ তাদের সমাধান কাঙ্খিত ফলাফল প্রদানে পূর্বে যেমন ব্যর্থ হয়ে গিয়েছে তেমনই বর্তমানেও হয়ে চলেছে। মুক্তির পথ হচ্ছে সামগ্রিক ...

সরকার বারংবার বদল হলেও সমস্যা কেন একই প্রকার থেকে যায়?

ছবি
  আন্দোলন চলাকালীন, প্রতিবাদী সমাবেশ চলাকালীন অনেকে সিস্টেম নিয়ে কথা বলেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় আলোচনা অধিক এগোয় না, পূর্ণতা পায় না। যারা সিস্টেম বিষয়ে আলোচনা, পর্যালোচনা, সমীক্ষা, সংশোধন, সংযোজন, পরিবর্তন, রূপান্তরের আলোচনায় আগ্রহী তাঁদের স্বাগত। রাষ্ট্রের জন্য ব্যবস্থা-ব্যবস্থাপনাই হচ্ছে নাগরিকের সুখসুবিধা-সুরক্ষার মূল মাধ্যম। প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থার সংশোধন, রূপান্তর কিংবা পরিবর্তন স্বাভাবিক বিষয়। সিস্টেম যদি অসম্পূর্ণ হয়, যদি প্রতিটি ব্যক্তি-নাগরিকের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী না হয়, বদলের অধিকার যদি সরাসরি জনগণের হাতে নিহিত না থাকে তবে পরিচালনার মাধ্যম হিসেবে যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক না কেন নাগরিক আশানুরূপ ফলাফল পেতে ব্যর্থ হবে। এতে সরকার, দল কিংবা নেতৃত্ব বারংবার বদল হলেও ফলাফলে বিশেষ পরিবর্তন আসবে না। দল কিংবা নেতৃত্ব মূল সমস্যা নয়। পূর্বেই উল্লেখ করেছি সিস্টেম হচ্ছে মূল আধার। এ দেশের চলমান অসম্পূর্ণ সিস্টেম একইপ্রকার থাকলে কোনো কিছুই আশানুরূপ কাজ করবে না। ফলে দেখা যায় নৈতিক নেতৃত্বও অনৈতিক পথ অবলম্বনে বাধ্য হয়। আংশিক স্বাধীনতা তথা সাংবিধানিক সিস্টেমের 75 বছর পেরিয়ে গিয়েছে।...

সুখের সম্পর্ক শুধুমাত্র বাহ্যিক পরিবেশ নয় অন্তরের সাথেও? প্রকৃত ব্যাখ্যা কী?

ছবি
  নিজে ঠিক তো সব ঠিক। অন্তরের সাথে সুখজনিত সম্পর্কের কারণ অনৈতিকতা, স্বার্থ, ক্রোধ, লোভ, মোহ, আকাঙ্ক্ষা, বাসনা, সংগ্রহ করার প্রবৃত্তি ইত্যাদিকে ধরা হয়।  একটি বিশেষণ ব্যাখ্যা করলেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যাবে। যেমন ক্রোধের কারণ দেখলে পাওয়া যাবে ব্যক্তি বাহ্যিক কোনও সমস্যা ফেস করছে। এবার সমস্যার কারণ তো বাইরে। ধরুন কেউ আপনাকে ডিস্টার্ব করছে। যা বারংবার মানা করবার পরও অসুবিধা সৃষ্টি করে চলেছে। এবারও কি আপনি শাস্ত থাকবেন? আপনার কষ্ট হচ্ছে। ক্ষতি হচ্ছে। তারপরও আপনি ক্রোধ না করে শান্ত হয়ে বসে থাকবেন। সাধারণভাবে মানুষ উপদেশ দিয়ে থাকে সে অসুবিধা করে চলুক কিন্তু তুমি ক্রোধ করবে না। এখানে সমস্যা নিবৃত্তির জন্য ক্রোধ করলে কিংবা প্রতিরোধ করলে তা কি অন্তরের দোষ ধরা হবে? এখানে বাহ্যিক কারণ দোষী নয়? ক্রোধিত ব্যক্তির অন্তরের অবস্থা দোষী? এইভাবে যেকোনো সমস্যার গভীরে পর্যালোচনা করলে পাওয়া যাবে অন্তরের অবস্থা কিংবা মানুষের নেতিবাচক ব্যবহারের সাথে বাহ্যিক কারণ দোষী। অন্তর থেকে সকলে সুখী হতে চায়। অন্তরের উদ্দেশ্য অনুযায়ী বাহ্যিক অবস্থা ব্যবস্থা হলে কোনও সমস্যা উৎপন্ন হবে না। সুতরাং মূল কারণ বাহ্যিক। এ ...

ULM কী প্রকার সংস্থা? এই সংস্থার কাজ কী?

ছবি
  ইউনিভার্সাল লাইফ ম্যানেজমেন্ট (ULM) একটি সামাজিক সংস্থা যা বিশ্বের সকল মানুষের সমস্ত সমস্যার স্থায়ী সমাধানের উদ্দেশ্যে কর্মরত রয়েছে। এটি এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে বুদ্ধিমান ব্যক্তিবর্গ মিলিত উদ্যোগে বিশ্বব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য বৈচারিক অবদান রেখে চলেছেন। অনলাইন এবং অফলাইন উভয় মাধ্যমে। আপনিও যুক্ত হয়ে সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে হাজার হাজার বুদ্ধিমান মানুষের কাছে আপনার বক্তব্য পৌঁছে দিতে পারেন। সকলের সাথে বৌদ্ধিক মতবিনিময়ে সামিল হতে পারেন। যুক্ত হতে মাসিক চাঁদা কিংবা নির্দিষ্ট যোগ্যতার আবশ্যকতা নেই। দায়িত্ব সংক্রান্ত বাধ্যবাধকতা নেই। এই সংস্থায় সকলে স্বতন্ত্র এবং উন্মুক্ত। সকলে স্বাগত। মানব সমাজে কোনোপ্রকার ভৌতিক অথবা বৈচারিক পরিবর্তন ঘটাতে কিংবা অভাবগ্রস্ত মানুষকে কাঙ্খিত সেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে হাজার হাজার প্রতিষ্ঠান, সংস্থা, ট্রাস্ট বিশ্বব্যাপী কর্ম সম্পাদন করে চলেছে। যার সাহায্যে মনুষ্য জীবন এক বিশেষ অভিমুখে বিকশিত হয়ে চলেছে। লক্ষণীয় বিষয় এই যে, ওইসকল ব্যক্তিগত এবং সংস্থাগত উদ্যোগের নির্দিষ্ট সীমারেখা রয়েছে। যার দ্বারা স্থায়ী এবং সর্বাঙ্গীণ সমাধান সম্ভব নয়। একটি পূর্ণাঙ...