ছাত্র সমাজ থেকে বিকল্প সমাজ ব্যবস্থা
অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবীতে, অপরাধমুক্ত-দুর্নীতিমুক্ত সমাজের দাবীতে শুধুমাত্র ছাত্রই নয় বরং সকল রাজনৈতিক দল সহ সামগ্রিক সমাজ একত্রিত হতে পারে। সমাজ সংস্কারের উদ্দেশ্যে এক বৃহত্তর সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারে। সমাজ দ্বারা পরিচালিত তথা সম্মিলিত উদ্যোগে এক নতুন ব্যবস্থাপনার সূত্রপাত হতে পারে। সমাজের কল্যাণই তো সকল দলের, সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য। সুতরাং বৈরিতা-বিভাজন অযৌক্তিক। কেন সকল রাজনৈতিক দল, সমস্ত সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন সম্মিলিত উদ্যোগে এক সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারছে না? এমন উদ্যোগ সফলতা পেলে আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা-বৈরিতাকে ভুলে পক্ষের-বিপক্ষের সকলের কল্যাণে এক সিদ্ধান্তে উপনীত হবার সিদ্ধান্ত গ্রহণই প্রকৃত গণ-উদ্যোগ। এক সিদ্ধান্তে উপনীত হবার পথে বাধা কোথায়? মূল সমস্যা হচ্ছে সমাধান সুত্র সম্পর্কে স্পষ্টতার অভাব। সকল দল-সংগঠন নিজ সমাধানকে, দর্শনেকে শ্রেষ্ঠ বলে মান্যতা দিয়ে রেখেছে। অথচ তাদের সমাধান কাঙ্খিত ফলাফল প্রদানে পূর্বে যেমন ব্যর্থ হয়ে গিয়েছে তেমনই বর্তমানেও হয়ে চলেছে। মুক্তির পথ হচ্ছে সামগ্রিক ...