পোস্টগুলি

জানুয়ারি, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ব্যবস্থা মূলত কী? কোনো ব্যবস্থার প্রয়োজন রয়েছে?

ছবি
 ব্যবস্থা মূলত কী? কোনো ব্যবস্থার প্রয়োজন রয়েছে? এবার নতুন ব্যবস্থাকে নিয়ে আসার আগেই পর্যবেক্ষণ করে নিই যে সত্যিই আমাদের কোনো ব্যবস্থার প্রয়োজন রয়েছে কিনা । নাকি ব্যবস্থা ছাড়াই সবকিছু ঠিকঠাক থাকতে পারে । কেননা , আমি বহু মানুষকে এমনটি বলতে শুনেছি যে সকল দুঃখের মূল কারণই হচ্ছে এই ব্যবস্থা । তারা এও বলেন যে জগতে যদি কোনো ব্যবস্থা না থাকে তবে সকলেই সর্বাধিক সুখে থাকবে । এর অর্থ এই যে আমরা সকলে দু ’ ভাবে জীবন-যাপন করতে পারি । প্রথমত , একা একা । অর্থাৎ , না ভাই আমার কোনো প্রকার ব্যবস্থার প্রয়োজন নেই । সবাই নিজেদের খেয়াল নিজেরা রাখুন এবং যার যেমনভাবে জীবন কাটাতে ইচ্ছে হয় কাটাতে পারেন । দ্বিতীয়ত , সকলে মিলে । অর্থাৎ ব্যবস্থা ছাড়া সুখী জীবন - যাপন করা সম্ভব নয় । এই দুটি সম্ভাবনাই তো হতে পারে । ব্যবস্থাবিহীন জীবন এবং ব্যবস্থাযুক্ত জীবন । দুটোকেই আগে ভাল করে বুঝে নিই । তারপর সঠিক সিদ্ধান্ত নেব । ব্যবস্থাবিহীন সম্ভাবনাকে প্রথমে পর্যবেক্ষণ করে নিই । প্রথমেই যদি বুঝে যাই ব্যবস্থার প্রয়োজনই নেই তবে এ পথে ই পা বাড়াব । আর যদি ব্যবস্থার প্রয়োজন হয় তবে একটি সঠিক ব্যবস্থা নির্মাণ করে নিজ...

নতুন অর্থশাস্ত্রে মুদ্রানীতির পরিবর্তন একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। জানুন বিস্তারিত

ছবি
অর্থশাস্ত্রে মুদ্রানীতির পরিবর্তন নতুন ব্যবস্থায় আমি মুদ্রা নীতির একটি পরিবর্তন করেছি। ডিমান্ড করার জন্য যে মুদ্রা বা অর্থ অতি আবশ্যক ছিল তা আমি সরিয়ে দিয়েছি। অর্থাৎ এখন এই নতুন নীতি অনুযায়ী সবাই নিজ নিজ ডিমান্ড পর্যাপ্ত পরিমাণে করতে পারবে। ডিমান্ড করার জন্য এখন আর অর্থের প্রয়োজন থাকবে না। দেখুন এতে আমাদের সমাজে সকল বস্তুর চাহিদা ১০০ শতাংশ হয়ে যাবে। এবার এই ১০০ শতাংশ চাহিদা পূরণ করার জন্য সরকারকে ১০০ শতাংশ বস্তু এবং পরিষেবা উৎপাদন করতে হবে। ১০০ শতাংশ উৎপাদনের কারণে ১০০ শতাংশ কর্মসংস্থান তৈরি হয়ে যাবে। যার ফলে সরকারকে ১০০ শতাংশ কর্মসংস্থান প্রদান করতে হবে। কেননা ১০০ শতাংশ ডিমান্ড পূরণ করার জন্য ১০০ শতাংশ কারখানা, মেশিন, বিদ্যুৎ, সড়ক, জল, মালবাহক গাড়ি, বহু রকমের বস্তু এবং পরিষেবার প্রয়োজন হবে। আর এতসব কর্ম সম্পাদনের জন্য বহু মানুষেরও প্রয়োজন হবে। অর্থাৎ সোজা কথায় বললে সরকারের কাছে ১০০ শতাংশ কর্মসংস্থান সর্বদা তৈরি হয়ে থাকবে। তাহলে বিষয়টির অর্থ এই দাঁড়ায় যে সকলের জন্য কর্মসংস্থান সুনিশ্চিত হবে। অন্যভাবে বললে সবাই সমৃদ্ধ হবে। নীচের চিত্রটি দেখলে ভাল করে বুঝতে পারবেন। এবার নিশ্চয়ই দেখে নিয়ে...

কেন ৯০% মানুষ দরিদ্র, অসহায়, নিঃস্ব? রহস্য কোথায় লুকিয়ে রয়েছে?

ছবি
  একটি নতুন অর্থশাস্ত্রের বহু নীতিসমূহের মধ্যে একটি মুখ্য নীতি আমি নিন্মে বর্ণনা করছি যার মাধ্যমে এই কঠিন বিষয়টি অতি সহজেই বুঝে নিতে পারবেন। আরও অধিক জানার জন্য আমরা পরবর্তী অধ্যায়গুলি থেকে বিস্তারিতভাবে বুঝে নেব। বর্তমান অর্থ ব্যবস্থায় নীতি এমন রয়েছে, যতখানি মুদ্রা অথবা অর্থ আপনার কাছে রয়েছে আপনি বাজার থেকে ততখানিই চাহিদা বা ডিমান্ড করতে পারবেন। অর্থাৎ চাহিদা আমাদের অর্থের উপর নির্ভর করছে। এতে বাজার থেকে আমরা প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পূর্ণ ডিমান্ড করতে পারি না। এর ফলে বাজারেও চাহিদা অনেক কম থাকে। ডিমান্ড যখন কম থাকে তখন বাজার সেই সামান্য ডিমান্ডের ভিত্তিতেই বস্তু নির্মাণ করে। অর্থাৎ বস্তু নির্মাণ কম হয়। বাজারে যখন বস্তু নির্মাণ কম হয় তখন কর্মসংস্থানও কম উৎপন্ন হয়। যখন কর্মসংস্থান কম উৎপন্ন হয় তখন সমাজে বেকারত্ব অধিক উৎপন্ন হয়। কেননা বর্তমান সমাজে উপার্জন তো কর্মসংস্থানের ভিত্তিতেই তৈরি হয়। যার কাছে কোনো কর্ম নেই তার কাছে আয়ও নেই। অর্থাৎ উপার্জনহীন মানুষ সমাজের ভিক্ষার উপরই নির্ভর করে বেঁচে থাকে। কেননা সে তো বাজার থেকে কিছুই ডিমান্ড করতে পারে না। আবার যার উপার্জন কম সেও বাজার থেকে পর্যাপ...

সকলের মধ্যে আর্থিক সমতা কীভাবে সম্ভব?

ছবি
আর্থিক সমতা অর্থনৈতিক দিকটিই হচ্ছে মানবজীবনের সর্বাধিক প্রভাবশালী অধ্যায়। সমাজে যতদিন সকলের মধ্যে ‘আর্থিক সামঞ্জস্য’ না আসবে ততদিন অবধি অন্যান্য সমতাগুলির কোনো গুরুত্ব থাকবে না এবং সেসব প্রচেষ্টা বাস্তব ক্ষেত্রে পূর্ণরূপে প্রতিষ্ঠাও পাবে না। ফলে আর্থিক সমতার বিষয়টিকে স্পষ্ট করে বুঝে নেবার প্রয়োজন রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি ভারতে নিজেদের অভিব্যক্তি প্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে এবং এমনটি সংবিধানেই উল্লেখ রয়েছে। এমনকি সকল নেতা-মন্ত্রীদেরকেও প্রতিদিন বলতে শোনা যায়, আমাদের দেশে নিজেদের মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে। সাধারণ দৃষ্টিতে দেখলে মনে হবে স্বাধীনতা তো রয়েছে; কিন্তু বাস্তবিক দিক দিয়ে যদি দেখতে চান —  সত্যিই কি নিজের মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে? তবে আপনি জানতে পারবেন তা নেই। এখানে যাদের কাছে অধিক সম্পদ রয়েছে তাদেরকেই অধিক স্বাধীন হিসেবে দেখতে পাওয়া যায়। যাদের কাছে কিছুই নেই তারা না কিছু বলতে পারে, না কিছু করতে পারে। তারা যদিওবা কিছু বলার প্রচেষ্টা করে তবে সরকারই সবার আগে তাদের জেলের ভেতর বন্ধ করে দেয়। এমনকি বন্দীদশার পূর্বেই যা ঘটবে তা হল যাদের কাছে সম্পদ রয়েছে তারা ওদের মুখ খ...

ULM প্রচারিত নতুন ব্যবস্থার সমীক্ষায় যে প্রশ্নগুলো বারংবার ফিরে আসে। পড়ুন একত্রে ৪৫টি প্রশ্ন এবং উত্তর

ছবি
  প্রশ্নোত্তরে সম্পূর্ণ সমাধান প্রথম বাংলা সংস্করণ ২৫ নভেম্বর ২০২১       সাক্ষাৎকার প্রেমজীৎ সিরোহী ( দার্শনিক , বক্তা , লেখক এবং ULM সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা )     প্রশ্নকর্তা এবং সংকলক   অম্বরিশ মিশ্র ( ইংরিজি ভাষায় সম্পূর্ণ সমাধান পুস্তকের সহলেখক এবং অনুবাদক )     বাংলা অনুবাদক মাধব রঞ্জন সরকার ( বাংলা ভাষায় সম্পূর্ণ সমাধান পুস্তকের অনুবাদক )       “ একসাথে মিলেই আমরা সকল সুখ প্রাপ্ত করতে পারি । যদি একটি সঠিক এবং সম্পূর্ণ ব্যবস্থা থাকে ”– প্রেমজীৎ সিরোহী বিষয়সূচী   v      সাধারণ প্রশ্নাবলী v      আর্থিক মডেল ·     বর্তমান সময় অবধি যে আর্থিক নীতি ·     নতুন অর্থশাস্ত্রে মুখ্য নীতির পরিবর্তন v      রাজনৈতিক মডেল v      দার্শনিক মডেল v  ...