পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

সুখের সিদ্ধান্তকে কীভাবে যাচাই করবেন?

ছবি
  সুখী হওয়া মূল উদ্দেশ্য। সকাল থেকে রাত অবধি সুখ উপভোগের উদ্দেশ্যেই সমস্ত কার্যলাপ। জ্ঞান অর্জনের সুখ, কর্ম সম্পাদনার সুখ, ভোগের সুখ (বস্তু-পরিষেবা-সম্বন্ধ-সুরক্ষা), বিশ্রামের সুখ। এই সিদ্ধান্ত সত্য কিনা সকলে নিজ জীবনের সাথে মিলিয়ে যাচাই করে নিতে পারেন। এর চাইতে অধিক প্রামাণ্য কিছু হতে পারে না। দুঃখ রয়েছে বলে সুখের সিদ্ধান্ত পাল্টে দেওয়া যায় না। সুখের আকাঙ্ক্ষা পূরণের নানা উপায় অবলম্বনের উদ্দেশ্যে মনুষ্য সমাজ সদা প্রচেষ্টারত রয়েছে। অতীতে এমন বহু দুঃখ ছিল যা বর্তমানে নেই। সুখ প্রাপ্তির ব্যবস্থাপনায় (শিক্ষা, কর্মসংস্থান, ব্যক্তিগত-সামাজিক সুখসুবিধা-সুরক্ষা) যত অধিক সম্মিলিত উদ্যোগ গৃহীত হবে ততোধিক দ্রুত দুঃখের নির্মূল ঘটবে। *** লাইক কমেন্ট শেয়ার মতামত জানাতে ভুলবেন না। #aimoflife #politics #economics #education #employment #security #technology #entertainment #family #happiness #highlight

সমস্যার মূল কারণ সংবিধান কিংবা রাষ্ট্র ব্যবস্থা?

ছবি
  অতীতকালের সমস্যার সমাধান সূত্র মূলত অতীতের প্রেক্ষিতে ছিলো। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় শেষ বয়সে আম্বেদকর বাবুও বুঝে গিয়েছিলেন তাঁর তত্ত্বাবধানে রচিত-সংকলিত ভারতীয় সংবিধান কাঙ্খিত উদ্দেশ্য পূরণে ব্যর্থ হয়ে চলেছে। এরপর, উক্ত সংবিধান বহুবার সংশোধিত হয়েছে। শতভাগ মানুষের জীবনে সংশোধিত সংবিধানেরও সুষম ফলাফল দেখা যায়নি। বারংবার ব্যর্থ হয়েছে, হয়ে চলেছে। সংবিধানের ফাঁক-ফোকর ব্যবহার করে সুবিধা নেবার অর্থ কিংবা অপরাধী হয়েও মুক্ত ঘুরে বেড়ানোর অর্থ সংবিধানের ব্যর্থতা। রাষ্ট্র ব্যবস্থার কেন্দ্র হচ্ছে সংবিধান। মানুষের জীবন অসহায় হবে কেন, মানুষকে শিক্ষা, জীবিকা, সুখসুবিধা, সুরক্ষা কিংবা পছন্দের জীবনযাপনের জন্য ধাক্কা খেতে হবে কেন, ধাক্কা দিতে হবে কেন? মৌলিক অধিকার পেতে বারংবার আন্দোলনে নামতে হবে কেন? এর কারণ সংবিধানের মূল কাঠামোতেই রয়েছে অসম্পূর্ণতা। ব্যবস্থাপনার নির্দেশ সংবিধান থেকেই উঠে আসে। নতুন করে রূপরেখা-প্রস্তাবনা রচিত হওয়া জরুরী। অতীতের সমাধান সূত্র থেকে বর্তমানের সমাধান সম্ভব হলে হয়ে যেতো। সমাধান না হলে বর্তমান সময়ের সমস্যা, জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, চেতনার নিরিখে নতুন সমাধান সূত্র রচিত...

সততার সত্যতা আসলে কী?

ছবি
ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় প্রবচনটির অর্থ হচ্ছে ভালো মানুষ পাওয়া দুষ্কর। ভালো মানুষ খুঁজে পেলেও তাঁর দ্বারা বৃহৎ অর্থে যে সমাধান আবশ্যক তা সম্ভব নয়। এ প্রচেষ্টা বহু আদর্শবান  নেতামন্ত্রী, আমলা, ব্যবসায়ী, সমাজ সংস্কারক থেকে সাধারণ মানুষ করে নিয়েছেন। আন্দোলন, বিক্ষোভ কিংবা প্রতিবাদী সমাবেশ হয়েছে, হয়ে চলেছে। না সমস্যার মূল কারণ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে না সার্বিক সমাধান সম্ভব হয়েছে। বিষয়টি ভালো মানুষ কিংবা মন্দ মানুষের নয়। রাজনৈতিক দলেরও নয়। মানুষ পরিবার, পরিবেশ, সমাজ, শিক্ষা, জীবিকা, সংস্কৃতি, সুখসুবিধা, সুরক্ষার দ্বারা প্রভাবিত হয়, পরিচালিত হয়। ব্যবস্থা যদি এইসব মৌলিক বিষয়ের যথার্থ বন্দোবস্ত করতে ব্যর্থ হয় তবে মানুষ তার মত করে জীবনযাপনের ব্যবস্থা করে নিতে বাধ্য হয়। অসম্পূর্ণ ব্যবস্থার কারণে বিকৃত মানসিকতার জন্ম হতে পারে, শোষণ হতে পারে, শোষিত হতে পারে, দুর্নীতি করতে পারে, প্রতিহিংসা করতে পারে, লড়াই-প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে, ধর্ষণ করতে পারে, হত্যা করতে পারে। অবস্থা-ব্যবস্থা-পরিস্থিতি যা কিছু করাতে পারে। এর অর্থ কি এই দাঁড়ায়, মানুষ অন্তর থেকে ভালো হতে চায় না? বরং বাহ্যিক রাষ্ট্রব্যবস্থা তথা ...

সংঘর্ষ-রক্তপাত ব্যতীত ব্যবস্থা পরিবর্তন কীভাবে সম্ভব?

ছবি
  কেউ লড়াই কেন করে? কারোর যদি ক্ষতি হয়। অথবা কেউ যদি ক্ষতির আশঙ্কা আনুভব করে। যদি অসুরক্ষিত অনুভব করে। কেউ লড়াই কেন করবে না? কারোর যদি ক্ষতি না হয়। অথবা কেউ যদি ক্ষতির আশঙ্কা আনুভব না করে। যদি সুরক্ষিত অনুভব করে। ULM উপস্থাপিত নতুন ব্যবস্থায় সহিংসতা না হবার কারণ কী? সকলে বর্তমান সময়ের চাইতে অধিক সুযোগ-সুবিধা-সুরক্ষার অধিকার তথা পছন্দের জীবনযাপনের সু বন্দোবস্ত পেলে সহিংসতার প্রয়োজনই পড়বে না। নতুন ব্যবস্থার প্রস্তাবনাটি জেনেবুঝে নেবার অপেক্ষা মাত্র।