বিকল্প অর্থনীতি দ্বারা সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্রের নির্মাণ কীভাবে সম্ভব?
মনুষ্য জীবনে অর্থনৈতিক অবস্থা-ব্যবস্থা অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। নিত্যদিনের সমস্ত পদক্ষেপে অর্থ একটি জরুরী মাধ্যম। অর্থাৎ অর্থ সমস্ত কর্মকাণ্ডের ধারক এবং বাহক। প্রশ্ন হচ্ছে, বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় সকলের প্রয়োজন-পূরণ কীভাবে সম্ভব হবে? এ বিষয়ে উল্লেখ করা আবশ্যক, আমরা জীবনের উদ্দেশ্যকে যে পথে পরিচালিত করব অর্থনৈতিক ব্যবস্থাও সেইদিকে ধাবিত হবে। আমরা এতকাল ধরে সিদ্ধান্ত নিয়ে এসেছি সকলের জন্য সুখসুবিধার বন্দোবস্ত করা সম্ভব নয়। ফলে অর্থনৈতিক পরিকাঠামোও তেমন সীমিত ভাবনা অনুযায়ী নির্মিত হয়েছে। ফলস্বরূপ বর্তমান ব্যবস্থায় সিংহভাগ সম্পদ গুটিকয়েক মানুষের কাছে কেন্দ্রীভূত রয়েছে। বহু সম্পদ অব্যবহিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সম্পদ সৃজন এবং ব্যবস্থাপনার অবকাঠামোও তৈরি করা সম্ভব হয়নি। উদ্দেশ্য বিষয়ে অস্পষ্টতা এবং ব্যবস্থাপনাগত ত্রুটির কারণে জঙ্গলে পশুদের মধ্যে সম্পদ নিয়ে যেমন লড়াই দেখতে পাওয়া যায় তেমনটি মনুষ্য সমাজেও বিদ্যমান রয়েছে। এর কারণ মনুষ্যের চেতনাকে আমরা পুরোপুরি বুঝতে সক্ষম হতে পারিনি। ফলে চেতনা যেমন ইচ্ছে দাবী করছে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নির্মাণ করা হয়নি। মানুষ মূলত জ্ঞান, কর্ম, ভোগ ও বিশ্রামের মাধ্যমে সুখী হতে চায়। সুতরাং অর্থশাস্ত্রও মানুষের চেতনার অভিপ্রায় তথা ইচ্ছে পূরণের উদ্দেশ্যকে কেন্দ্রে রেখে নির্মাণ করা উচিত। বর্তমান পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় সুখসুবিধা আসে অর্থ থেকে। সিংহভাগ মানুষের কাছে অর্থ নেই। ফলে মানুষ অর্থ উপার্জনের নানা কৌশল অবলম্বন করে চলেছে। এমন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নির্মাণ করা হয়নি যেন সকলেই আর্থিক দিক দিয়ে সমৃদ্ধশালী হতে পারে। অর্থনৈতিক সুরক্ষা সুনিশ্চিত থাকলে আর্থিক দুর্নীতি কিংবা সম্পদ সঞ্চয়ের প্রয়োজনীয়তা লোপ পাবে। অর্থাৎ দুর্নীতির মত প্রধান সমস্যাটিও গোড়া থেকে নির্মূল হয়ে যাবে।
মূল কথা হচ্ছে আমাদের বস্তু -পরিষেবা প্রয়োজন। মুদ্রা দ্বারা আমরা মূলত বস্তু-পরিষেবা ক্রয় করে থাকি। এছাড়া মুদ্রার অন্য কোনো সুবিধা দেখতে পাওয়া যায় না।
কিন্তু বর্তমান বাজারে দেখা যায় মুদ্রা নিজেই একটি বস্তু বা সম্পদ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। যেখানে মুদ্রার উদ্দেশ্য ছিল সকলের প্রয়োজন অনুযায়ী বস্তু-পরিষেবার প্রবন্ধন করা। সঠিক জীবন দর্শন বা জীবনের উদ্দেশ্য সুনিশ্চিত না থাকার ফলে সমস্ত দিকনির্দেশ ভুল পথে পরিচালিত হয়ে চলেছে। মুদ্রার বিনিময় দুর্নীতিকে প্রবলভাবে পক্ষপাতিত্ব করছে এবং মানবীয় অধিকার প্রদানে বাধা উৎপন্ন করে চলেছে। মানুষের মধ্যে মুল্যাঙ্কনজনিত বৈষম্য উৎপন্ন করেছে। অন্যায়কে প্রশ্রয় দিয়ে চলেছে। সর্বোপরি মুদ্রা কিছু সংখ্যক ব্যক্তির দখলে চলে গিয়েছে। বর্তমান অর্থশাস্ত্রের এটিই মূল সমস্যা। বর্তমান সমাজও অধিক বিত্তশালীদের অধিক মর্যাদা প্রদান করে থাকে। অধিক অর্থসম্পদের অধিকারী হলে অধিক সুরক্ষিত থাকা যায় ও অধিক সুখী জীবন উপভোগ করা যায়। ফলে মনুষ্য সমাজে জঙ্গলের মতই ক্ষমতা এবং সম্পদ দখলের লড়াই বিদ্যমান রয়েছে। এটি অর্থশাস্ত্রের সমস্যা। এই অর্থশাস্ত্র এমন করেই নির্মিত হয়েছে যেখানে বরাবর সামান্য সংখ্যার মানুষের কাছেই অর্থনৈতিক স্বাধীনতা কুক্ষিগত থাকবে। কেউ বিত্তশালী হবে কেউ দরিদ্র হবে কিন্তু অনুপাত একসমান থাকবে। এই প্রকার ভ্রষ্ট অর্থশাস্ত্র চলমান থাকলে কোনোকালেই এমন সময় আসবে না যেখানে শতভাগ মানুষ অর্থনৈতিক স্বাধীনতা পাবে। সুতরাং একদিকে ভুল অর্থশাস্ত্র এবং অপরদিকে ভুল জীবন দর্শন গ্রহণের ফলে বর্তমান সময়ের সরকারী ব্যবস্থাও বিশ্বাস করে না সমস্ত নাগরিকের জন্য সুখসুবিধার বন্দোবস্ত করা সম্ভব। ফলে সরকার কেবলমাত্র ১০% মানুষের জন্যই উপযুক্ত জীবিকার ব্যবস্থা করতে পেরেছে। এই সামান্য সংখ্যার শূন্যপদ দখলের জন্য লড়াই এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে এমনটিই স্বাভাবিক। এটি ব্যবস্থাগত সমস্যা। ব্যবস্থাগত কাঠামোটিকে সংশোধন করে নিলে ব্যক্তিকে শোধরানোর প্রয়োজন পড়বে না। কারণ ব্যক্তি অপরাধী হয়ে জন্মগ্রহণ করে না। বাইরের অপর্যাপ্ত অবস্থা-ব্যবস্থার কারণেই অপরাধী হতে বাধ্য হয়। মানুষ প্রথমে স্বাভাবিকভাবে এবং ইতিবাচক পথে প্রয়োজন পূরণের প্রচেষ্টা করে থাকে। তা সম্ভব না হলে নেতিবাচক পথ গ্রহণ করতে বাধ্য হয়। বিত্তশালী ব্যক্তিবর্গও প্রতিদ্বন্দ্বিতা, দুশ্চিন্তা, অপহরণ, আত্মহত্যা, ভয়, হত্যা, সম্পর্কজনিত জটিলতা ইত্যাদি বহুবিধ সমস্যায় জর্জরিত। সুতরাং সর্বপ্রথম ব্যবস্থার আমূল সংশোধন আবশ্যক।
সংবিধানকেই এমন উদ্দেশ্য অনুযায়ী রচনা করে নেওয়া যেন সমস্ত নাগরিকের সমস্ত অধিকার ও সুখসুবিধা জন্মগতভাবেই আজীবন সুরক্ষিত থাকে। এরপর কাউকেই যেন ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তায় নিরাপত্তাহীন অবস্থায় ভুগতে না হয়। সকল নাগরিকের সম্মিলিত উদ্যোগ, চিন্তন-মনন এবং সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এমন একটি ব্যবস্থা নির্মাণ করা যেন জাতি, ধর্ম, লিঙ্গ নির্বিশেষে সকল ব্যক্তির সমস্ত সুখসুবিধা এবং সমানাধিকার সুরক্ষিত হয়। যেন কাউকেই ব্যক্তিগত উদ্যোগে সংঘর্ষ করতে না হয়। কারণ ব্যক্তিগত বা সংস্থাগত উদ্যোগ দ্বারা সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।
জীবনের উদ্দেশ্য অনুযায়ী ব্যবস্থা নির্মাণের প্রেক্ষিতে অর্থশাস্ত্রেরও আমূল সংশোধন আবশ্যক। বর্তমান অর্থব্যবস্থায় নীতি এমন রয়েছে যতখানি মুদ্রা অথবা অর্থ আপনার কাছে রয়েছে আপনি বাজার থেকে ততখানিই চাহিদা বা ডিমান্ড করতে পারবেন। অর্থাৎ চাহিদা আমাদের অর্থের উপর নির্ভর করছে। এর ফলে আমরা প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পূর্ণ ডিমান্ড করতে পারি না। এতে বাজারেও চাহিদা অনেক কম থাকে। চাহিদা কম থাকার ফলে বাজার সামান্য চাহিদার ভিত্তিতেই বস্তু নির্মাণ করে। অর্থাৎ বস্তু নির্মাণ কম হয়। বাজারে যখন বস্তু নির্মাণ কম হয় তখন কর্মসংস্থানও কম উৎপন্ন হয়। যখন কর্মসংস্থান কম উৎপন্ন হয় তখন সমাজে বেকারত্ব অধিক উৎপন্ন হয়। কেননা বর্তমান সমাজে উপার্জন তো কর্মসংস্থানের ভিত্তিতেই তৈরি হয়। যার কাছে কর্ম নেই তার কাছে আয়ও নেই। অর্থাৎ উপার্জনহীন মানুষ সমাজের ভিক্ষার উপর নির্ভর করেই বেঁচে থাকে। কেননা সে বাজার থেকে কিছুই ডিমান্ড করতে পারে না। আবার যার উপার্জন কম সেও বাজার থেকে পর্যাপ্ত মাত্রায় ডিমান্ড করতে পারে না। সামান্য কিছু মানুষ আছে যাদের কাছে পর্যাপ্ত অর্থ রয়েছে তারাই কেবলমাত্র নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পূর্ণ ডিমান্ড করতে পারে। এই প্রকার আর্থিক নীতির কারণে বাজারে সর্বদা চাহিদার অভাব থেকে যায়। কেননা অধিকাংশ মানুষের আয় কম। আয় কম হবার কারণ কর্মসংস্থানের অভাব। যে কারণে দেশ-দুনিয়ার একটি বড় অংশ সর্বদা দরিদ্র অবস্থায় থাকে। বর্তমান সময়ের অর্থশাস্ত্রীয় নীতির এই হচ্ছে মূল কাহিনী। যার ফলে অধিকাংশ মানুষ অসহায় জীবন-যাপনে বাধ্য হয়। এমনকি নেতিবাচক কার্যকলাপে লিপ্ত হতে থাকে। যতদিন অবধি এই আর্থিক নীতি বদলাবে না ততদিন অবধি সকলের সুখী হবার কোনো সম্ভাবনা নেই। এই বিষয়টিকে পুনরায় বুঝে নিই। অর্থ আসে কর্মসংস্থান থেকে। কর্মসংস্থান আসে নির্মাণ থেকে। নির্মাণ হয় বস্তু এবং পরিষেবার পর্যাপ্ত ডিমান্ড থেকে। ডিমান্ড আসে পর্যাপ্ত অর্থ থেকে। আশা করি বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। অর্থাৎ বর্তমান আর্থিক নীতি চলমান থাকলে সকলের কাছে পর্যাপ্ত অর্থ থাকবেই না। কারণ সকলের কাছে তো কর্মসংস্থান নেই। সকলের কাছে কর্মসংস্থান এইজন্য নেই কেননা বাজারে পর্যাপ্ত ডিমান্ড নেই। বাজারে যদি ডিমান্ড ন্যুনতম থাকে তাহলে বাজার ন্যুনতম উৎপাদন করবে এবং তা থেকে ন্যুনতম কর্মসংস্থান উৎপন্ন হবে। ফলে ন্যুনতম জীবিকা উৎপন্ন হবে। যতদিন অবধি এই নীতি থাকবে ততদিন এই কুচক্র অধিকাংশ মানুষকে দরিদ্র অবস্থায় রাখবে। এই নীতির কারণে সকল মানুষ কখনই সমৃদ্ধ হতে পারবে না। যে কজন মানুষ ভোগ্য বস্তু এবং পরিষেবা নির্মাণ করবে কেবলমাত্র তারাই অত্যধিক ধনী হবে। বর্তমান পরিসংখ্যান বলে দিচ্ছে তারা সমগ্র জনসংখ্যার কেবলমাত্র ১ শতাংশ। সুতরাং এই নীতি থাকলে অধিকাংশ মানুষের দরিদ্র অবস্থা কেউ দূর করতে পারবে না।
অর্থশাস্ত্রে মুদ্রানীতির পরিবর্তন
মুদ্রানীতির আমূল পরিবর্তন আবশ্যক। ডিমান্ড বা চাহিদার জন্য যে মুদ্রা বা অর্থ অতি আবশ্যক তা সরিয়ে দেওয়া উচিত। তাহলে সকলে নিজ নিজ চাহিদা বা ডিমান্ড পর্যাপ্ত পরিমাণে করতে পারবে। চাহিদার জন্য তখন অর্থের প্রয়োজন থাকবে না। এতে সমাজে সকল বস্তুর চাহিদা ১০০ শতাংশ হয়ে যাবে। এই ১০০ শতাংশ চাহিদা পূরণের জন্য সরকারকে ১০০ শতাংশ বস্তু এবং পরিষেবা উৎপাদন করতে হবে। ১০০ শতাংশ উৎপাদনের কারণে ১০০ শতাংশ কর্মসংস্থান তৈরি হয়ে যাবে। ফলে সরকার ১০০ শতাংশ সুস্থ্য মানুষকে কর্মসংস্থান প্রদান করতে পারবে। কেননা ১০০ শতাংশ ডিমান্ড পূরণ করার জন্য ১০০ শতাংশ কারখানা, অফিস, মেশিন, বিদ্যুৎ, সড়ক পথ, জল পথ, আকাশ পথ, মালবাহক গাড়ি, বহু রকমের বস্তু এবং পরিষেবা নির্মাণের প্রয়োজন হবে। এতসব কর্ম সম্পাদনের জন্য বহু মানুষের প্রয়োজন হবে। সহজভাবে বললে সরকারের কাছে ১০০ শতাংশ কর্মসংস্থান সর্বদা তৈরি হয়ে থাকবে। বিষয়টির অর্থ এই দাঁড়ায় সকলের জন্য কর্মসংস্থান সুনিশ্চিত হবে। অন্যভাবে বললে সকলে সমৃদ্ধ হবে। মানুষ সত্যিকারের স্বাধীনতা তখনই অনুভব করবে যখন সকলে সমানভাবে সমস্ত সুখসুবিধা উপভোগের জন্য স্বতন্ত্র হবে। মানুষ যা শিখতে চাইবে শিখতে পারবে। যে কর্ম করতে চাইবে করতে পারবে। যা ভোগ করতে চাইবে ভোগ করতে পারবে। অর্থাৎ যা করতে চাইছি করতে পারছি। যেভাবে জীবন কাটাতে চাইছি কাটাতে পারছি। যেমন জীবনযাপনের সুযোগ-সুবিধা চাইছি তেমনটি পেয়ে যাচ্ছি। তখনই সঠিক অর্থে বলা যাবে আমরা স্বাধীন। যা অর্থনীতির পরিবর্তন ব্যতীত সম্ভব নয়।
বর্তমান মুদ্রাকেন্দ্রীক অর্থনীতির সীমাবদ্ধতার বিষয়টি একটি উদাহরণের মাধ্যমে বোঝার প্রয়াস করি। যেমন আমেরিকার জনসংখ্যা ৩৩ কোটি ও GDP ২০ ট্রিলিয়ন; চীনের জনসংখ্যা ১৪৫ কোটি ও GDP ১৩ ট্রিলিয়ন এবং ভারতের জনসংখ্যা ১৪০ কোটি ও GDP ৩.৫ ট্রিলিয়ন। কেন্দ্র-রাজ্য মিলে সরকারের বিপুল পরিমাণ ঋণের হিসেব সংগ্রহ করা হয়নি। ভারত সরকার যদি সম্পূর্ণ আয় যা মূলত কর থেকে আসে তা শুধুমাত্র শিক্ষাখাতে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, অন্যান্য প্রফেশনাল কোর্সের পরিকাঠামো তৈরি এবং শিক্ষক নিয়োগে ব্যয় করতে চায় তাহলেও ঘাটতি পড়ে যাবে। যেমন চীন বৈদেশিক অর্থ লগ্নি করে উন্নয়ন করেছে বটে কিংন্তু সিংহভাগ মুনাফা সেই যৎসামান্যের কাছেই তুলে দিতে হচ্ছে। আর্থিক বৈষম্য রয়েই গিয়েছে। অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের অধিকার নাগরিকের নাগালের বাইরে। অর্থাৎ সকলের চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন এবং উৎপাদন অনুযায়ী বিতরণের ব্যবস্থাপনা ব্যতীত কাঙ্ক্ষিত উদ্দেশ্য পূরণ সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে অর্থনীতির মৌলিক পরিবর্তন জরুরী।
অর্থাৎ মুদ্রা এবং মুল্যাঙ্কনজনিত ব্যবস্থায় সর্বদা প্রয়োজন অনুযায়ী চাহিদা পূরণের অভাব থেকেই যাবে। চলমান মুদ্রাকেন্দ্রিক অর্থশাস্ত্রের এটি মূল সমস্যা। যা স্বাভাবিক উন্নয়নেও বাধা সৃষ্টি করে। সুতরাং অর্থশাস্ত্রের সংশোধন ব্যতীত আমরা উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারব না।
বর্তমান ব্যবস্থা থেকে নতুন ব্যবস্থায় রূপান্তরের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং অবকাঠামোগত প্রক্রিয়া কীভাবে হবে তার বিস্তারিত বর্ণনা "সম্পূর্ণ সমাধান - নতুন সামাজিক-রাজনৈতিক-অর্থব্যবস্থা" পুস্তকে রয়েছে।
যোগাযোগ- 9830925502
ULM Hindi ইউটিউব চ্যানেল লিংক-
https://www.youtube.com/@ulmhindi
ULM Bangla ইউটিউব চ্যানেল লিংক-
https://www.youtube.com/@ulmbangla
পিডিএফ লিংক-
https://drive.google.com/file/d/1rjuHZNuZnuS_vXwqhRi4YmRX8HAbAIud/view?usp=drive_link
অ্যামাজন Paperback লিংক-
সংক্ষিপ্ত পুস্তিকা লিংক-
https://drive.google.com/file/d/1t_VWNc_vipGVi3kdQ1C5JlDkpQM0vOmB/view?usp=drive_link
প্রস্তাবিত নতুন ব্যবস্থার সুবিধা সমূহ-
https://drive.google.com/file/d/139bZubHFgsfIklMfGOQpqtSgmk7g2ArX/view?usp=drive_link
***


মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন