সকলের মধ্যে আর্থিক সমতা কীভাবে সম্ভব?


আর্থিক সমতা

অর্থনৈতিক দিকটিই হচ্ছে মানবজীবনের সর্বাধিক প্রভাবশালী অধ্যায়। সমাজে যতদিন সকলের মধ্যে ‘আর্থিক সামঞ্জস্য’ না আসবে ততদিন অবধি অন্যান্য সমতাগুলির কোনো গুরুত্ব থাকবে না এবং সেসব প্রচেষ্টা বাস্তব ক্ষেত্রে পূর্ণরূপে প্রতিষ্ঠাও পাবে না। ফলে আর্থিক সমতার বিষয়টিকে স্পষ্ট করে বুঝে নেবার প্রয়োজন রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি ভারতে নিজেদের অভিব্যক্তি প্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে এবং এমনটি সংবিধানেই উল্লেখ রয়েছে। এমনকি সকল নেতা-মন্ত্রীদেরকেও প্রতিদিন বলতে শোনা যায়, আমাদের দেশে নিজেদের মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে। সাধারণ দৃষ্টিতে দেখলে মনে হবে স্বাধীনতা তো রয়েছে; কিন্তু বাস্তবিক দিক দিয়ে যদি দেখতে চান
— সত্যিই কি নিজের মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে? তবে আপনি জানতে পারবেন তা নেই। এখানে যাদের কাছে অধিক সম্পদ রয়েছে তাদেরকেই অধিক স্বাধীন হিসেবে দেখতে পাওয়া যায়। যাদের কাছে কিছুই নেই তারা না কিছু বলতে পারে, না কিছু করতে পারে। তারা যদিওবা কিছু বলার প্রচেষ্টা করে তবে সরকারই সবার আগে তাদের জেলের ভেতর বন্ধ করে দেয়। এমনকি বন্দীদশার পূর্বেই যা ঘটবে তা হল যাদের কাছে সম্পদ রয়েছে তারা ওদের মুখ খুলতেই দেবে না। পুলিশ প্রশাসনও অধিকাংশ ক্ষেত্রে অর্থবানদের কথাই শুনবে। এইসব আমরা স্বাভাবিক বিষয় বলেই জানি। এক্ষেত্রে আপনি আর্থিক সমতা ছাড়া কিছুই করতে পারবেন না। ততদিন অবধি এই অবস্থা এমনিই থাকবে, আপনি যতই কড়া আইন প্রণয়ন করুণ না কেন। দেখুন আইন প্রণয়নকারীরা তো মানুষই হবেন তাই না? যেহেতু অর্থের মাধ্যমেই সকল সুখসুবিধা উপভোগ করা যায় সেখানে পুলিশ কেন অর্থবানদের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করে নিজেরা বিত্তশালী হতে চাইবে না? কেন তারা সকল সুখসুবিধা উপভোগ করতে চাইবে না? আপনিই বলুন কোনো বুদ্ধিমান ব্যক্তি কি নির্ধন হয়ে জীবন কাটাতে চাইবে? তাদের আপনি যতই বোঝানোর চেষ্টা করুন না কেন তোমার দরিদ্রতার কারণ হচ্ছে তোমার পূর্বজন্মের ফল, সরকার এইজন্য দায়ী নয় ইত্যাদি। বাস্তবে আপনি এই বিষয়টি দেখে নিতে পারেন যে আর্থিক সমতা ছাড়া অন্যান্য সমতাগুলির কোনো গুরুত্ব থাকে না। আর্থিক সমতার ভিত্তিতেই বাকি সমতাগুলি গুরুত্ব এবং মূল্য বহন করে থাকে। যদিওবা আপনি অন্যান্য সমতাগুলি সকলকে প্রদান করে দিয়ে আর্থিক দিকটি বাদ রাখেন তাহলে আপনি দেখতে পাবেন যে আর্থিক সামঞ্জস্য ছাড়া বাকি ক্ষেত্রে কোনো সমতা বাস্তবে রুপায়িত হবে না। যদি আর্থিক সমতা থাকে তবেই অন্য সকল সমতা বাস্তুব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়। তাহলে জীবনে আর্থিক সমতাই প্রথম এবং প্রধান। সর্বপ্রথমে এই বিষয়েই কথা বলা উচিৎ। ধনবান ব্যক্তি নিজ স্বাধীনতায় যে কোনো পেশায় প্রবেশ করতে পারে, কিন্তু একজন দরিদ্র ব্যক্তির কাছে কি সেই স্বাধীনতা রয়েছে? সে কি নিজের ইচ্ছেমত যে কোনো পেশা নির্বাচন করতে পারে? আপনি বলবেন সংবিধানে তো লেখা রয়েছে। বাস্তব ক্ষেত্রে বিত্তশালী ব্যক্তিদের মত যে কোনো পেশা নির্বাচন করার স্বাধীনতা দরিদ্রদের রয়েছে? আপনি এবার বলবেন নেই। আশা করি এটুকু আপনি বুঝে গিয়েছেন যে আর্থিক সমতা ছাড়া অন্য কোনো সমতা বাস্তবে রূপায়িত করা সম্ভব নয়। আপনি সংবিধানে যতই লিখুন না কেন, যতই সকাল-সন্ধ্যা ঐক্যতার সঙ্গীত শোনান না কেন। সংগঠন করুন, কবিতা শোনান, ধর্মঘট করুন, উপদেশ দিন, যা ইচ্ছে করুন এতে কোনো সমাধান আসবে না। শুধুমাত্র আর্থিক সমতা প্রদান করে দিন, দেখবেন অন্য সমতাগুলি আপনিই প্রতিষ্ঠিত হতে প্রারম্ভ করবে। অন্যান্য সমতাগুলি হচ্ছে আর্থিক সমতারই পরিণাম। অন্যান্য সমতাগুলি উৎপন্ন হবার মূল শর্তই হচ্ছে আর্থিক সমতা। বলতে গেলে বাকি সব সমতাগুলির জননী হচ্ছে আর্থিক সমতা। আর্থিক স্বাধীনতাই সকল স্বাধীনতাগুলিকে জন্ম দেয় এবং সক্রিয় রাখে। আর্থিক স্বাধীনতা না থাকার অর্থ হচ্ছে বাকি সব স্বাধীনতা নষ্ট হয়ে যাওয়া। আসুন এবার এই বিষয়টিকে সর্বাগ্রে রেখে আলোচনাকে এগিয়ে নিয়ে যাই। যেন আর্থিক সমতা বা একতা চলে আসে। উদাহরণস্বরূপ ধরে নিন বর্তমান সময়ে জীবনযাপনের সকল সুখসুবিধা সমেত একজন ব্যক্তির ২০ লাখ টাকায় হয়ে যায়। তাহলে প্রতিটি ব্যক্তির জন্য ২০ লাখ টাকা অবধি সীমা সরকার নির্ধারণ করে দেবে। এই সীমা অনুযায়ী মানুষ প্রয়োজনীয় বস্তু অর্ডার করতে থাকবে। সরকার তা উৎপাদন করতে থাকবে এবং পৌঁছে দিতে থাকবে। এর ফলে সকল মানুষের জীবনস্তর সমান থাকবে। জীবনযাপনের সমস্তরকম সুখ উপভোগের জন্য প্রথমে অর্থসম্পদ উপার্জন করে নিই তারপর ভোগ করব– এমনতর অপেক্ষার কি প্রয়োজন? বন্ধুরা, উপরে উল্লেখিত ব্যবস্থাকে যদি আমরা গ্রহণ করে নিই তাহলে কোনোপ্রকার অপেক্ষা ছাড়াই আমরা সমস্তরকমের ঈপ্সিত সুখ উপভোগ করতে পারব। সকলপ্রকার আরামদায়ক জীবন প্রথম দিবস থেকেই উপভোগ করতে পারব। এতে আমাদের কাছে অর্থ থাকুক বা না থাকুক। অর্থাৎ আপনার কাছে অর্থ আছে কি নেই তার জন্য আপনার সুখ উপভোগের ক্ষেত্রে কোনো পার্থক্য আসবে না। অবিরত আপনার ইচ্ছেপূরণ হতে থাকবে। অর্থাৎ আপনি সর্বদা সুখী অবস্থায় থাকবেন। এই প্রকার নীতির ফলে সকলেই সমস্তরকম সুখসুবিধা সর্বদা পেতে থাকবে। ক্রমিক নম্বরের ভিত্তিতে সকলের অর্ডার অনুযায়ী ভোগ বিষয়ক বস্তু-পরিষেবা তাদের ঠিকানায় পৌঁছে যেতে থাকবে।
এমন ব্যবস্থা শুরু হবার পর কাউকে ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে হবে না। কেননা তাদের বর্তমান এবং অতীত সুখময় হয়েই থাকবে। সকলের বর্তমান সুখময় হলে অতীত অর্থাৎ সকল স্মৃতি সুখময় হবে এবং যখন তাদের সকল স্মৃতি সুখময় হবে তখন ভবিষ্যতেও তারা সুখের কল্পনাই করবে। কেননা অতীতের খারাপ স্মৃতির কারণেই ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা হয়। যার ফলে মানুষ সর্বদা দুশ্চিন্তায় থাকে। বর্তমানে যদি তার কাছে সুখ থেকেও থাকে ভবিষ্যতের প্রতি দুশ্চিন্তার কারণে তা সঠিকভাবে ভোগ করতে পারে না। মানুষ ভবিষ্যতের চিন্তা করবে নাকি বর্তমান সময়ের সুখ উপভোগ করবে? কেননা বেঁচে থাকতে হবে তো বর্তমান সময়েই, তাই না? আবার ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তা তো বর্তমান সময়কে নিয়েই ঘিরে রয়েছে। ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তাগ্রস্ত ব্যক্তি বর্তমান সময়েও সঠিকভাবে জীবনযাপন করতে পারে না। তাই নতুন ব্যবস্থা এলে ভবিষ্যতের জন্য আর দুশ্চিন্তা উৎপন্নই হবে না। যার ফলে সকলে বর্তমান সময়ে সুখের সাথে জীবনযাপন করতে থাকবে। এরপর কাউকে বর্তমান সময়ে সুখী হয়ে জীবনযাপন করার জন্য ধ্যান, সাধনা, সমাধি ইত্যাদির প্রয়োজন হবে না। ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তার কবলে পড়ে মানুষ সর্বদা ভাবতে থাকে অর্থ কীভাবে উপার্জন করব; এইভাবে রোজগার করব নাকি অন্যভাবে রোজগার করব। উপার্জনের জন্য মানুষ আইন ভঙ্গ করতেও বাধ্য হয়ে যায় এবং অপরাধী হয়ে যায়। এরপর দুর্দশাগ্রস্ত হবার এক অনন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং অনেক সময় মানুষ আত্মহত্যা পর্যন্ত করে ফেলে। অথবা তথাকথিত আধ্যাত্মিক পথে চলাচলের চেষ্টা করতে থাকে। নানা প্রতিকূলতার মধ্যে ত্যাগ, তপস্যা, স্বর্গ লাভের কল্পনা, এই সাধনা সেই সাধনা, এই ধর্ম সেই ধর্ম ইত্যাদি পথে জীবনযাপন করার চেষ্টা করতে থাকে। যেখানে সে আরও হতাশার সম্মুখীন হয়। সমস্যা যেখানে বাহ্যিক জগতে রয়েছে সেখানে সে সমাধানের চেষ্টা করছে অন্তরে। এতে সফলতা অর্জন করা সম্ভব নয়। বর্তমান সময়ের নির্বোধ আধাত্ম বলছে বাইরে তো আমরা কিছুই করতে পারব না। তার কারণ বাইরের জন্য কি করব তা তো আসলে অনুধাবন করা যাচ্ছে না। কিন্তু ভেতরে কিছু একটি করে কমপক্ষে আশার তো সঞ্চার হবে এই ভেবে যে হয়তো বা এই জীবনে নয় পরবর্তী কোনো জীবনে যদি সমাধান পেয়ে যাই। এই জগতে না হোক স্বর্গ, বৈকুণ্ঠ, জান্নাত ইত্যাদির আশা তো উৎপন্ন হয়ই তাই না? সুতরাং নতুন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হলে আর কাউকে তার পরিবারের ভরণ-পোষণের দুশ্চিন্তায় আত্মহত্যা করতে হবে না। কাউকে চুরি করার জন্য বাধ্য হতে হবে না অথবা কারোর সন্তানকে অপহরণের জন্য ভাবতে হবে না। এমনকি সন্তান অপহরণ নিয়ে যাদের ভয় রয়েছে সেই ভয়ও দূর হয়ে যাবে। অন্য কিছু চুরি হবার আশঙ্কাও অর্থহীন হয়ে যাবে। আবার সুখসুবিধা নিয়েও তো মানুষ একে অপরের সাথে লড়াই সংঘাত করে থাকে। এসবেরও কোনো প্রয়োজন থাকবে না। তাহলে লড়াই, দাঙ্গা, সংঘাতের ভয়ও আমাদের জীবন থেকে পাকাপাকিভাবে বিদায় নেবে। সবার জীবনে সুখ-শান্তি বজায় থাকবে। কাউকে কোনো মিথ্যে কথা বলতে হবে না। নিজের সুখ-শান্তির জন্য কোনো পূজা করতে হবে না, ধ্যান করতে হবে না, দরজার উপরে লেবু-লঙ্কা ঝোলাতে হবে না, নামাজ পড়তে হবে না, মন্দির, মসজিদ, গির্জা কিংবা গুরুদ্বারে গিয়ে প্রার্থনা-উপাসনা করতে হবে না। এরপর সমাজে আপনি কোনো ভিখিরিও খুঁজে পাবেন না। কাউকে দান-দক্ষিণা দেবার বা নেবার প্রয়োজন পড়বে না। সবাই নিজের পায়ে দাঁড়াবে। এমনকি সমাজের সকল মানুষ সে শিশু হোক বা বৃদ্ধ, স্ত্রী হোক বা পুরুষ, সকলেই স্বাবলম্বী হবে এবং সবার জীবনযাপনের স্তর সমান থাকবে। কেউ কারোর উপর ঋণী থাকবে না। কারোরই কোনোপ্রকার আর্থিক সাহায্যের প্রয়োজন হবে না। যার ফলে সকলের জীবনে স্বাভাবিকভাবে সত্যতা থাকবে, প্রেম থাকবে, ন্যায় থাকবে, পুণ্যতা থাকবে। এমনকি লড়াই বা দাঙ্গারও কোনো প্রয়োজনীয়তা থাকবে না। সবাই তখন সত্য কথাই বলবে কেননা মিথ্যে বলার কোনো কারণ বা অর্থ আর থাকবে না। সকলে নিজেদের মধ্যে প্রেমপূর্ণ মনোভাবই বজায় রাখবে কেননা কাউকে হিংসা করার তো কোনো কারণ থাকবে না। কাউকে বলে দিতে হবে না 'সর্বদা সত্য কথা বল, সবাইকে প্রেম কর, দীন-দুঃখীকে দয়া কর' ইত্যাদি। এরপর সকলে আপনিই নৈতিকতার সাথে জীবনযাপন করতে থাকবে কেননা যেসব কারণে মানুষ অনৈতিক জীবনযাপন করে সেইসব কারণ তো আর উৎপন্নই হবে না। সকলেই মূলত মানুষ হিসেবে ভালই হয়। কোনো কারণে বাধ্য হয়ে বা ফেঁসে গিয়ে অথবা পরম্পরাগতভাবেই ভুল কাজ করে থাকে। যদি আপনি মনোযোগ দিয়ে বোঝার চেষ্টা করেন তাহলে দেখবেন জগতের সমস্ত সন্ত্রাসবাদ এবং সকল প্রকার অনৈতিক পথ বেছে নেবার অথবা একে অপরকে দুঃখী করবার কারণ হচ্ছে মানুষের কাছে সুখী হবার জন্য পর্যাপ্ত সম্পদ নেই। মানুষকে সেইসব সম্পদ অপরের কাছে থেকে ছিনিয়ে নেবার উদ্দেশ্যে দুঃখ দেবার বিভিন্ন প্রক্রিয়া গ্রহণ করতে হয়। দুঃখী এবং দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের কাছ থেকে আপনি আর কিই বা আশা করতে পারেন। মানুষ যেখানে স্বয়ং অসুখী সেখানে কীভাবে অন্যের উপর পুষ্পবৃষ্টি করবে? তা করতে পারে না। যার কাছে দুঃখ থাকবে সে তো অন্যকে দুঃখই ভাগ করে দেবে। সুখ ভাগ করে নেবার জন্য প্রথমে নিজের কাছে সুখ থাকাটা তো জরুরী। সরকার যেখানে সমস্তরকম ব্যবস্থা সহজভাবে সকলের জন্য প্রদান করে দেবে যেমনটি আমি উপরে বর্ণনা করেছি সেখানে কাউকে দুঃখ দেবার আর কোনো কারণ থাকবে না। একথা আপনারা সহজেই বুঝে নিতে পারেন।

সকলের জন্য জীবনস্তর কীভাবে সমান থাকবে তা বুঝে নিনঃ
 
(১) এই ব্যবস্থায় সকল প্রকার কর্মের গুরুত্ব একসমান থাকবে। সমস্ত কর্ম থেকেই মূলত আমরা সুখ পেয়ে থাকি।

(২) যদি কিছু মানুষের জীবনস্তর উচ্চমানের করে দেওয়া যায় তবে যাদের জীবনস্তর নিন্ম থাকবে তাদের মধ্যে অসন্তোষ উৎপন্ন হবে।

(৩) আর্থিক ভিত্তিতে সমাজে বিভিন্ন প্রকার বর্গ সৃষ্টি হতে থাকবে। এরপর সেইসব সমস্যা উৎপন্ন হতে থাকবে যা বর্তমানে ঘটে চলেছে। যেমন— প্রতিহিংসা, দ্বেষ, ঘৃণা, লুণ্ঠন, মিথ্যা, যুদ্ধ ইত্যাদি।

(৪) মানুষ নিজের মত করে যে কোনো উপায়ে জীবন স্তর বরাবর করবার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লেগে পড়বে। সরকার যতই ক্ষমতা প্রয়োগ করুক না কেন এসব বন্ধ করতে পারবে না। এরপর দুর্নীতি, চুরি, তোলাবাজি, পরস্পরের মধ্যে অসামঞ্জস্যতা ইত্যাদি বিভিন্ন প্রকারের অপরাধ উৎপন্ন হতে থাকবে।

(৫) সমাজে যদি আপনার অসমান জীবনস্তর থাকে তবে উপরোক্ত সমস্যাগুলি উৎপন্ন হতে থাকে কেননা অধিকাংশ সমস্যা উৎপত্তির বড় কারণগুলির মধ্যে একটি হচ্ছে এই অসমান অবস্থা।
*** সম্পূর্ণ সমাধানঃ এক নতুন সামাজিক-রাজনৈতিক-অর্থব্যবস্থা, অধ্যায় ২ (অর্থশাস্ত্রের মুখ্য নীতি) পৃষ্ঠা ২১ *** বিঃদ্র এই পুস্তকের বিষয়বস্তু আপনার কাছে প্রাসঙ্গিক এবং গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হলে অবশ্যই FREE PDF কপি ডাউনলোড করে অথবা কাগজের পুস্তক সংগ্রহ করে পুঙ্খানুপুঙ্খ অধ্যয়ন করুন। যোগাযোগ- ৯৮৩০৯২৫৫০২ www.universallifemanagement.org ***


 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

রাষ্ট্র ব্যবস্থায় যে অধিকারগুলো জন্মগতভাবে থাকা জরুরী

কিউবার ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের কারণ কী?

ব্যবস্থাগত অসম্পূর্ণতা নাকি নেতৃত্বের ব্যর্থতা?