প্রথমে মানুষের সংশোধন নাকি ব্যবস্থা পরিবর্তন?


প্রশ্ন ২০ ।। আপনার কি মনে হয় না কোনো ব্যবস্থাকে বদলানোর জন্য মানুষকেও সংশোধন করা প্রয়োজন? অর্থাৎ মানুষ নিজেদের ত্রুটিমুক্ত না করলে যতই সঠিক ব্যবস্থা আসুক না কেন তা অসফল হবেই? সুতরাং মানুষকে আগে সংশোধন না করলে আপনার ব্যবস্থা কিভাবে সফল হবে?

 

উত্তর ।। যে কোনো ব্যবস্থা মূলত মানুষের জন্যই তৈরি হয়। মানুষের স্বভাব কেমন এবং কত প্রকার হয়ে থাকে ইত্যাদি আমরা যতক্ষণ পর্যন্ত জানব না ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা তৈরি করা বা প্রতিষ্ঠিত করার কোনো অর্থ থাকে না এবার জেনে নিই মানুষ কেমন প্রকৃতির হয় আমরা যদি মানুষকে পর্যবেক্ষণ করি তাহলে দেখতে পাব যে সকলেই নিজেদের মত করে সুখী হতে চায় এই সুখ প্রাপ্তির জন্যই তাকে জীবনভর নানারকম প্রচেষ্টা করতে দেখা যায় এবার বলুন এতে কি ভুল রয়েছে? কিছু মানুষ বলে থাকেন অবশ্যই মানুষের সংশোধন প্রয়োজন নিজের এবং পরিজনের জন্য সুখের প্রচেষ্টা করাটা কি কোনো ভুল কাজ? আপনি বলবেন, মেনে নিলাম আপনার এই কথায় কোনো ভুল নেইকিন্তু মানুষ যে ব্যবস্থার নিয়ম অনুযায়ী জীবন-যাপন করে না এটি তো ভুল? তাহলে আসুন এই বিষয়টিকে বুঝে নিই যদি আমরা এমন মানুষদের জীবনকে পর্যালোচনা করি তাহলে দেখব যাদের আমরা এই ভেবে খারাপ বলে থাকি যে তারা ব্যবস্থা অনুযায়ী জীবন-যাপন করে না; সেক্ষেত্রে আমাদের বুঝে নিতে হবে সকলেই প্রথমে ব্যবস্থা অনুযায়ী জীবন যাপনের জন্য সার্বিকভাবে প্রচেষ্টা করে থাকে কিন্তু অসফল হয় যখন তারা ব্যবস্থা অনুযায়ী জীবন যাপনের চেষ্টা করে নিরাশ হয়ে যায় তখন তারা নিয়মবহির্ভূত কর্মের মাধ্যমে সুখী হবার এবং নিজেদের পরিবার পরিচালনার প্রচেষ্টা করে যাকে আমরা অনৈতিক বা ব্যবস্থার বিপরীত কাজ বলে মনে করি। অন্যভাবে বললে এদের অপরাধী বলা হয় এই কারণেই আমরা তাদের মন্দ মানুষ বলে থাকি এবং সংশোধনের প্রয়োজন বোধ করি। এ নিয়ে শুধুমাত্র আলোচনাই চলছে না বরং বহু মানুষ, বহু সংস্থা এবং বর্তমান সময়ের ব্যবস্থাও বহু প্রয়াস করে চলেছে সেইসব মানুষদের শুধরে নেবার জন্য যদিও সকলেই অসফল হচ্ছে কারোর মধ্যে কোনো সংশোধন দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না নিজের এবং পরিবারের জন্য সুখ চাওয়া এবং নিজের যোগ্যতা, ক্ষমতা ইত্যাদির মাধ্যমে প্রয়াস করা কি কোনো ভুল কাজ? তা যদি ভুল না হয় তবে তাদেরকে কিসের জন্য সংশোধন করতে হবে? কোনো ব্যবস্থাও তো এই উদ্দেশ্য নিয়েই স্থাপন করা হয় যেন সকলে সুখে জীবন-যাপন করতে পারে ব্যবস্থা সামান্য কিছু মানুষের সুখের জন্য তো নয়?  এখনো অবধি ব্যবস্থার বিপরীতে না গিয়েও অন্য কোনো বিকল্প ব্যবস্থা প্রণয়ন করা যায়নি যার মাধ্যমে সকলে সুখে জীবন কাটাতে পারেতাহলে এতে মানুষের দোষ কোথায়? কেন তারা নিজেদের পরিবারকে সর্বদা দুঃখী অবস্থাতেই দেখতে থাকবে? এমনকি দিনের পর দিন অধিক দুঃখী হতে থাকবে? এইজন্য কি তারা নিজেদেরকে, সমাজকে অথবা পূর্বজন্মের পাপকে দোষ দিতে থাকবে? অথবা এই জগতে জন্মগ্রহণ করাকে দোষ দিতে থাকবে? প্রতিটি মানুষ সুখসুবিধা উপভোগ করে বেঁচে থাকতে চায় যাদের তারা ভালবাসে তাদেরকেও সুখী দেখতে চায় আমার পর্যবেক্ষণও এটিই বলে যে মানুষের মধ্যে কোনো ভুল নেই তাদের সবকিছু ঠিকঠাক রয়েছে অপর্যাপ্ত ব্যবস্থার কারণে তাদের এমনটি করতে বাধ্য হতে হয় এমনটি তারা নিজেরাও করতে চায় না তাই সকল মানুষ মূলত সঠিকই রয়েছে তাদের জন্য আলাদা করে কিছু করার প্রয়োজন নেই কে জানে না যে চুরি করা অসৎ কাজ? সকলেই জানে তারপরও তো করে থাকে তারা না জেনে করে তা কিন্তু নয় এইজন্য করে কেননা চুরি করতে তারা বাধ্য হয় সংশোধন করার অর্থতো এটিই হবে যে তারা জানে না যে চুরি করা অসৎ কাজ তাই তাদের উপদেশ দিয়ে জ্ঞান বর্ধন করতে হবে যেন তারা পুনরায় অসৎ কাজ না করেকিন্তু এই জ্ঞান তো সকলের কাছে প্রথম থেকেই রয়েছে তাহলে আবার কিসের সংশোধন? বন্ধুরা, প্রয়োজন শুধুমাত্র এমন একটি ব্যবস্থা স্থাপন করা যেন নিজের এবং প্রিয়জনদের সুখের জন্য কাউকেই কোনো প্রকার অসৎ পথ অবলম্বন করতে বাধ্য না হতে হয় অর্থাৎ সকলের জন্য যেন সমস্তরকম সুখ স্বাভাবিকভাবে আসতে থাকে তাই এই নতুন ব্যবস্থা খুব সহজেই সফল হয়ে যাবে এবং মানুষকে শোধরানোর বৃথা প্রচেষ্টা করতে হবে না কেননা কেউই মন্দ নয় তবে হ্যাঁ, কেউ রোগগ্রস্ত হলে অবশ্যই চিকিৎসা করানো প্রয়োজন

সম্পূর্ণ সমাধানপুস্তকের মাধ্যমে লেখক মহাশয় এমনই একটি নতুন বিশ্বব্যবস্থার মডেল উপস্থাপন করেছেনএই ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবার পর কারোর জীবনে কোনো সমস্যা উৎপন্নই হবে না। কারণ সম্পূর্ণ সমাধান ব্যবস্থায় সমস্যা উৎপন্ন হবার মূল উৎসটিকেই সমাপ্ত করে দেওয়া হয়েছে। এই ব্যবস্থা একটি নতুন দর্শনের উপর ভিত্তি করে মানব সম্পদ এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সমন্বয়ে রচিত হয়েছে। যেখানে জ্ঞান-বিজ্ঞান, আধুনিক প্রযুক্তি, ইন্টারনেট সুবিধা, অটোমেশন সিস্টেম, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইত্যাদি অত্যাধুনিক পদ্ধতির ব্যবহার থাকবে। ফলে একদিকে কঠিন কাজে শারীরিক শ্রম ন্যুনতম ব্যবহার হবে অপরদিকে স্বল্প সময়ে অধিক বস্তু এবং পরিষেবা উৎপাদন করা সম্ভব হবে। তাই সঠিক ব্যবস্থাই হচ্ছে কোনো দেশের কেন্দ্রবিন্দু। ব্যবস্থা এমন হওয়া উচিৎ যেন কোনো নাগরিক চাইলেও অনৈতিক হবার সুযোগ না পায় যেন দুর্নীতি করার প্রয়োজনও না পড়ে সিরোহী মহাশয়ের বিখ্যাত উক্তিটিও এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, ‘মানুষকে সংশোধন করার প্রয়োজন নেই, ব্যবস্থা জনগণের সুবিধা অনুযায়ী হওয়া উচিৎ সম্পূর্ণ সমাধান ব্যবস্থার নতুন অর্থনীতির সাথে পরিচয় ঘটলেই আপনি সকল সমস্যার স্থায়ী সমাধান পেয়ে যাবেন। এই পুস্তক অধ্যয়নের পূর্বে সাধারণ বোধ অনুযায়ী আমিও মানুষকেই অভিযুক্ত করে আসছিলাম মূলতঃ সঠিক ব্যবস্থার অভাবেই বেশীরভাগ মানুষ বিপথে চালিত হতে বাধ্য হয় সুতরাং ব্যবস্থাকে এমনভাবে নির্মাণ করা উচিৎ যেন কোনো প্রকার সমস্যা উৎপন্নই না হয়

অর্থ আসে কর্মসংস্থান থেকে, কর্মসংস্থান আসে নির্মাণ থেকে, নির্মাণ হয় বস্তু এবং পরিষেবার পর্যাপ্ত ডিমান্ড থেকে, ডিমান্ড আসে পর্যাপ্ত অর্থ থেকে কথাটির অর্থ এই যে সবার কাছে পর্যাপ্ত অর্থ থাকবেই না কারণ সবার কাছে তো কর্মসংস্থান নেই সবার কাছে কর্মসংস্থান এইজন্য নেই কেননা বাজারে তো পর্যাপ্ত ডিমান্ড নেই বাজারে যদি ডিমান্ড ন্যুনতম থাকে তাহলে বাজার ন্যুনতম উৎপাদন করবে এবং তা থেকে ন্যুনতম কর্মসংস্থান উৎপন্ন হবে যার ফলে ন্যুনতম রোজগার উৎপন্ন হবে আর এই কুচক্র এভাবে চলতেথাকবে যতদিন অবধি এই নীতি থাকবে, এই কুচক্র এইভাবে অধিকাংশ মানুষকে গরীব বানিয়ে রাখবে এই নীতির কারণে সকল মানুষ কখনই সমৃদ্ধ হতে পারবে না এবার আশা করি আপনি বুঝে গিয়েছেন যে, যতদিন এই নীতি থাকবে ততদিন আমরা সকলে গরীব অবস্থাতেই থাকব যে কজন মানুষ ভোগ্য বস্তু এবং পরিষেবা নির্মাণ করেন কেবলমাত্র তারাই অত্যধিক ধনী হয়ে আসছেন এবং থাকবেন যদিও তারা সমগ্র জনসংখ্যার কেবলমাত্র ১ শতাংশ সুতরাং এই নীতি থাকলে অধিকাংশ মানুষের গরীব অবস্থা কেউ দূর করতে পারবে না তাই আমাদের নতুন নীতিটিকে বুঝুন, যা উপরের নীতি থেকে কিছুটা পরিবর্তন করে তৈরি করা হয়েছে

সন্ত্রাসবাদের ফলেও একটি গভীর সমস্যা তৈরি হয়ে রয়েছে এর মূল কারণ খোঁজার চেষ্টা করলে আপনি যা পাবেন তা হচ্ছে সুখসুবিধার অসম বণ্টন যা অপর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে অধিকতর ক্ষেত্রে যা হয়, পর্যাপ্ত সুখসুবিধা না থাকার কারণে সকলে সুবিধাগুলিকে ভবিষ্যতের জন্য জমিয়ে রাখতে চায় এটিও এক বিরাট সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে একদিকে এমনিতেই জনসংখ্যা অনুপাতে সুখসুবিধা পর্যাপ্ত পরিমাণে নেই অপরদিকে ভবিষ্যতের জন্য জমিয়ে রাখার কারণে তা আরও স্বল্প হয়ে দাঁড়িয়েছে যার ফলে অধিকাংশ মানুষ বর্তমান, অতীত, ভবিষ্যৎ মিলিয়ে সর্বদাই অসুখী হিসেবে হয়ে যায় এবং সুখসুবিধার টানাটানি, চুরি, ছিনতাই ইত্যাদি অপরাধের পথে চলতে শুরু করে ফলে অন্যান্য সমস্যাগুলি উৎপন্ন হতে শুরু করে যাদের দেখে আমরা সাধারণত বলে থাকি, এরা তো অসাধু হয়ে গিয়েছে দীর্ঘ সময় ধরে এমন অবস্থা দেখতে দেখতে এমনই মনে হয় যে কিছু মানুষ ভাল হয় এবং কিছু মানুষ মন্দ হয় এরপর মানুষকে শোধরানোর আয়োজন শুরু হয় একথা না জেনেই যে সবার আগে কারণের নিবারণ করা উচিৎ, ফলাফলের তো আর নিবারণ করা সম্ভব নয় মানুষ ফলাফলের কারণে খারাপ হয় না এই বিষয়ে একবার গভীরভাবে চিন্তন-মনন করার প্রয়োজন রয়েছে একে অপরের প্রতি অভিযোগ করে কোনো সমাধানে আসা সম্ভব নয়এতে শুধুমাত্র যুদ্ধের আকারই ধারণ করবে এরপর আপনি কি সিদ্ধান্ত নেবেন অথবা কি ভাববেন সে ইচ্ছে আপনার। আমি বলব ব্যবস্থা সঠিক না করা ছাড়া অন্য কোনো সমাধান নেই সকল সমস্যা সমাধানের জন্য সঠিক ব্যবস্থাই হচ্ছে একমাত্র উপায় এই জগতে কেবলমাত্র একটিই সমস্যা রয়েছে তা হচ্ছে সঠিক ব্যবস্থা না থাকা

সকলেই মূলত মানুষ হিসেবে ভালই হয় কোনো কারণে বাধ্য হয়ে, ফেঁসে গিয়ে অথবা পরম্পরাগতভাবেই ভুল কাজ করে থাকে যদি আপনি মনোযোগ দিয়ে বোঝার চেষ্টা করেন তাহলে দেখবেন যে জগতের সমস্ত সন্ত্রাসবাদ এবং সকল প্রকার অনৈতিক পথ বেছে নেবার অথবা একে অপরকে দুঃখী করার কারণ হচ্ছে মানুষের কাছে সুখী হবার জন্য পর্যাপ্ত সম্পদ নেই মানুষকে সেইসব সম্পদ অপরের কাছে থেকে ছিনিয়ে নেবার জন্য দুঃখ দেবার বিভিন্ন প্রক্রিয়া গ্রহণ করতে হয় দুঃখী এবং দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের কাছ থেকে আপনি আর কিই বা আশা করতে পারেন মানুষ যেখানে স্বয়ং অসুখী সেখানে কিভাবে সে অন্যের উপর পুষ্পবৃষ্টি করবে? তা করতে পারে না যার কাছে দুঃখ থাকবে সে তো অন্যকে দুঃখই ভাগ করে দেবে সুখ ভাগ করে নেবার জন্য প্রথমে নিজের কাছে সুখ থাকাটা তো জরুরীনতুন সরকার যেখানে সমস্তরকম ব্যবস্থা সহজভাবে সকলের জন্য প্রদান করে দেবে যেমনটি আমি উপরে বর্ণনা করেছি সেখানে কাউকে দুঃখ দেবার আর কোনো কারণ অবশিষ্ট থাকবে না একথা আপনারা সহজেই বুঝে নিতে পারেন

১০ জন সম্পদশালীর মধ্যে নিজের নম্বর চলে আসবে এমনটি অসম্ভবই মনে হয় সবার কাছে আর যদি এসেও যায় তবে বাকি রয়ে যাওয়া ৯৯০ জনের থেকে সর্বদা ভয়ে ভয়ে থাকতে হবে এই ভেবে— 'যে কোনো সময় তারা দল বেঁধে আমার সম্পদ চুরি-ছিনতাই করতে চলে আসতে পারে বন্ধুরা এবার বুঝে নিন যে, কোনো কিছু পেয়ে গেলেও তা চলে যাবার ভয় সর্বদা থেকেই যায় কঠোর পরিশ্রমের পর, অসৎ পথে অথবা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে যে ১০ জন যা কিছু সুখসুবিধা পেয়ে থাকে, সমাজের চোখে এইসব সফল মানুষও তাদের অর্জিত সুখসুবিধা ঠিক করে উপভোগ করতে পারে না কেননা তারা এই ভেবে সর্বদা দুশ্চিন্তায় থাকে যে, ‘কি জানি এই সুখসুবিধা কতদিন আমাদের কাছে থাকবে কবে কেউ এসে এইসব ছিনিয়ে নিয়ে চলে যাবে কে জানে কেননা বহু মানুষ ছিনিয়ে নেবার চেষ্টায় লেগে রয়েছে কি জানি কখন তারা সফল হয়ে যায় আত্মীয় বন্ধুদের উপরও সর্বদা সন্দেহ লেগেই থাকে এই ভেবে যে, ‘কি জানি কে কখন প্রতারণা করে ফেলে এই কারণে তাদের সাথেও সম্পর্ক এক সন্দেহজনক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে চলে ফলে যেটুকু সুখসুবিধা তাদের কাছে থাকে সেটুকুও ভয়ে ভয়ে উপভোগ করে এমন অবস্থায় মানুষ অনেক সময় বলে থাকে যে সুখ নিজের সাথে দুঃখও বয়ে নিয়ে আসে যদিও একথা সত্য নয় শুধুমাত্র ত্রুটিপূর্ণ ব্যবস্থার কারণে এইসব ঘটে চলেছে এইভাবে কেউ কখনো সুখী হতে পারে না আরেকটি কথা হচ্ছে কিছু মানুষ ভালভাবে কাটাবে এবং বাকি সবাই দিনহীনভাবে কাতরাতে থাকবে এমনটিও তো কারোর ভাল লাগবে না শেষপর্যন্ত আমরা সবাই তো মানুষ তাই না? জন্ম থেকে কোনো মানুষ অসৎ হয় না, পরিস্থিতিই মানুষকে বাধিত করে অসৎ পথে ঠেলে দেয় যদিও একথা সত্য যে কিছু মানুষ প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও অনৈতিক পথ গ্রহণ করে না তারা সমস্ত দুঃখ সহ্য করে চলে বাস্তবে সামান্য কিছু মানুষই এমনভাবে চলতে পারে এটি নিশ্চিত যে তাদেরকে অনেক দুঃখ সহ্য করতে হয় যা তারা নিজেরাও চায় না, এমনকি তাদের পরিবারের সদস্যরাও এমন কষ্টের জীবন চায় না নীতিবান মানুষদের বাড়ি গিয়ে দেখলে জানা যাবে তাদের পরিবার কত না দুঃখে রয়েছে তাদের আত্মীয় পরিজনরাও এইসব নীতিবান মানুষদের তিরস্কার করতে থাকে যদিও এইসব স্বল্প মানুষদের দ্বারা জগৎ চলে না তাহলে তো ভগবান অল্প কিছু মানুষদের তৈরি করেই থেমে যেত এখানে সকলকে নিয়েই ভাবতে হবে অধিকাংশই তো সাধারণ মানুষ যারা পরিস্থিতির ভিত্তিতে সোজা অথবা বাঁকা পথ গ্রহণ করে থাকে

এবার নতুন ব্যবস্থাকে নিয়ে আসার আগেই পর্যবেক্ষণ করে নিই যে সত্যিই আমাদের কোনো ব্যবস্থার প্রয়োজন রয়েছে কিনা নাকি ব্যবস্থা ছাড়াই সবকিছু ঠিকঠাক থাকতে পারবে কেননা, আমি বহু মানুষকে এমনটি বলতে শুনেছি যে সকল দুঃখের মূল কারণই হচ্ছে এই ব্যবস্থা অনেকে এও বলেন যে জগতে যদি কোনো ব্যবস্থা না থাকে তবে সকলেই সর্বাধিক সুখে থাকবে এর অর্থ এই যে আমরা সকলে দুভাবে জীবন-যাপন করতে পারি প্রথমত, একা একাঅর্থাৎ, না ভাই আমার কোনো প্রকার ব্যবস্থার প্রয়োজন নেই সবাই নিজেদের খেয়াল নিজেরা রাখুন এবং যার যেমনভাবে জীবন কাটাতে ইচ্ছে হয় কাটাতে পারেন দ্বিতীয়ত, সকলে মিলে অর্থাৎ ব্যবস্থা ছাড়া সুখী জীবন-যাপন করা সম্ভব নয় এই দুটি সম্ভাবনাই তো হতে পারে ব্যবস্থাবিহীন জীবন এবং ব্যবস্থাযুক্ত জীবন

 

দুটোকেই আগে ভাল করে বুঝে নিই তারপর সঠিক সিদ্ধান্ত নেব ব্যবস্থাবিহীন সম্ভাবনাকে প্রথমে পর্যবেক্ষণ করে নিই প্রথমেই যদি বুঝে যাই ব্যবস্থার প্রয়োজনই নেই তবে এ পথেই পা বাড়াব আর যদি ব্যবস্থার প্রয়োজন হয় তবে একটি সঠিক ব্যবস্থা নির্মাণ করে নিজেদের জীবন যাপনে পালন করব পূর্বে আমার সাথে যেসব ব্যক্তির আলোচনা চলছিল তারা একথাই বলেছিল যে আমাদের দুঃখের উৎস হচ্ছে এই ব্যবস্থা; আমি তাদের প্রশ্ন করেছিলাম ধরুন যদি সমস্ত ব্যবস্থা সমাপ্ত করে দেওয়া যায় তবে আমাদের জীবন কেমন হবে? তাদের উত্তর ছিল তবে সবাই নিজেদের মত করে জীবন কাটাতে পারবে এরপর আমি প্রশ্ন করি যদি কোনো পালোয়ান এসে কারোর সমস্ত সম্পদ ছিনিয়ে নেয় তবে কি হবে? তখন তো কোনো ব্যবস্থা থাকবে না যে কোথাও গিয়ে কেউ অভিযোগ দায়ের করবে এমন করেই যদি কোনো বলশালী ব্যক্তি প্রতিদিন কোনো না কোনো দুর্বল ব্যক্তির কাছ থেকে সম্পদ ছিনিয়ে নিয়ে জীবন-যাপন করতে থাকে? এমন পরিস্থিতিতে কোনো দুর্বল ব্যক্তি সুখের সাথে জীবন-যাপন করতে পারবে? তাকে কি সর্বদা ভয়ে ভয়ে থাকতে হবে না এই ভেবে যে কখন সেই পালোয়ান এসে আবার সবকিছু ছিনিয়ে না নিয়ে যায়? তখন সেই ব্যক্তিরা উত্তরে বলেছিলেন হ্যাঁ ভয় তো থাকবে এরপর আমি বলি, ধরে নিন সেই ব্যক্তি ৫০ জনকে বলে দিল তাদের আয়ের ১০ শতাংশ যেন প্রতি সপ্তাহে তার কাছে পৌঁছে যায় তখন সেই ৫০ জন কি করবে? তারা কি রোজগারের ১০ শতাংশ পৌঁছে দেবে নাকি অন্য কোনো পদক্ষেপ নেবে? তখন তারা বলেন সেই ৫০ জন মিলে একটি দল বানিয়ে নেবে যেন কোনো পালোয়ান একা তাদের কাছ থেকে কিছু ছিনিয়ে নিতে না পারে আমি বললাম তারা যে দল তৈরি করবে সেই দলের জন্য কিছু নিয়ম নীতিও কি তৈরি করবে? তারা বলেন হ্যাঁ তা তো বানাতেই হবে, নাহলে দলের সকলে নিজেদের মধ্যে কিভাবে সমন্বয় করবে তখন আমি জানালাম দল তৈরি করা এবং নীতিনিয়ম প্রণয়ন করাকেই তো ব্যবস্থা বলে একেই তো কোনো ব্যবস্থার প্রারম্ভকাল বলে এরপর তারা বলেন আপনি এমন কিছু উপায় বলুন যাতে দলও না বানাতে হয় আবার নীতিনিয়মও যেন না থাকে এমনকি পালোয়ানের সমস্যাও যেন সমাপ্ত হয়ে যায় অনেক চিন্তা-ভাবনার পর এই সিদ্ধান্ত হল যে অন্যের সাহায্য ছাড়া একা পালোয়ানের সাথে লড়াই করার অর্থ মৃত্যুকে আমন্ত্রণ জানানো আর যদি কারোর সাহায্য নেওয়া হয় তবে তো একটি ব্যবস্থার প্রারম্ভ হয়েই যাবে চলুন এবার অন্য একটি দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টিকে বোঝার চেষ্টা করি যদিও এমনটি সম্ভব নয় তবুও ধরে নিই কেউ কাউকে কোনো উপদ্রব করবে না তাহলে মানুষের জীবন-যাপন কেমন হবে? একজন একা নিজের চেষ্টায় কতটা সুখে থাকতে পারবে? তখন সকলে বলেন যে তারা চাষবাস করবে এবং জীবন-যাপন করবে আমি বললাম সে তো একা রয়েছে অর্থাৎ কোনো পশু ইত্যাদির সাহায্য সে নিতে পারবে না সাথে সাথে তারা বলেন পশুর সাহায্য কেন নিতে পারবে না? তাহলে একা একা লাঙ্গল কিভাবে টানবে? এমন হলে তো কর্ম করা খুবই কঠিন হয়ে পড়বে তারপর আমি বললাম আপনারা যদি পশুর সাহায্য নিতে পারেন তবে মানুষের সাহায্য নিতে বাধা দিচ্ছেন কেন? পশুর সাহায্যই নিন বা মানুষের সে তো একই কথা তাই না? যে কোনো সাহায্যই নিন না কেন সেখানে ব্যবস্থা এসেই যাবে ওই ব্যক্তিকে সেইসব পশুর জন্যও তো সবরকম ব্যবস্থা করতে হবে? নাকি সাহায্য নিয়েই যাবে তারপর জঙ্গলে পাঠিয়ে দেবে এই বলে, যখন প্রয়োজন হবে যেন চলে আসে তখন তারা বলেন তবে তো একা একা কৃষিকাজ করা কঠিন হয়ে পড়বে উত্তরে আমি বলি সামান্য একটু কঠিনই তো হবে, এই ভেবে মেনে নিন যে কষ্টকর অবস্থার সাথেই নিজের জীবন মানিয়ে নেব তারপর আমি বলি ওই জীবন যাপনে তো পরিবার থাকবে না, তাহলে পারিবারিক সুখ কিভাবে উপভোগ করবেন? খুব বড়জোর সম্ভোগ করতে পারবেন, কেননা পরিবার গঠন করলে তো পারিবারিক ব্যবস্থা প্রারম্ভ হয়ে যাবে এবং ধীরে ধীরে সামাজিক ব্যবস্থাও চলে আসবে সম্ভোগ সুখের পর স্ত্রীকে বলে দিতে হবে আমি তৃপ্ত হয়েছি এখন তুমি চলে যাও? আবার যখন আমার ইচ্ছে জাগবে তোমাকে জানাব? দ্বিতীয়ত, সম্ভোগ সুখ উপভোগের জন্যও তো আমাদেরকে একে অপরের সহযোগিতা নিতেই হবে এতেও তো ব্যবস্থা প্রারম্ভ হয়ে যায় সুতরাং, তাৎপর্য এটিই দাঁড়ায় আমরা যদি কোনো জীবিত প্রাণীর দ্বারা সাহায্য নিয়ে থাকি তা আসলে ব্যবস্থাকেই প্রারম্ভ করে দেয় ব্যবস্থা ছাড়া এ আর অন্য কি হতে পারে? এটিই তো আসলে ব্যবস্থা একেই তো ব্যবস্থা বলা হয় আমরা এমনটিও দেখেছি যে কারোর থেকে সাহায্য নিলে সেই কাজ সহজ হয়ে যায়, নাহলে তো আমাদের জীবন-যাপন অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়বে অন্যভাবে বললে— পরিপূর্ণ দুঃখের জীবন হয়ে উঠবে সংঘর্ষের অপর নামই তো দুঃখ আমরা দেখেছি যে মানুষ পরস্পরের সহযোগিতার মাধ্যমে কত অসম্ভবকে সহজ করে নিয়েছে ক্রমানুযায়ী সুখসুবিধা প্রদান করার বহু বস্তু বিকশিত করে নিয়েছে যা একা একা সম্পাদন করা অসম্ভব ছিল তাহলে এমনটি ভাবা ঠিক নয় যে ব্যবস্থা থেকে সুখ উৎপন্ন হয় না তবে এটি বলতে পারেন ত্রুটিপূর্ণ ব্যবস্থা থেকে দুঃখ উৎপন্ন হয় আর সঠিক ব্যবস্থা থেকে সুখ উৎপন্ন হয় মিশ্র প্রকারের ব্যবস্থা থেকে সুখ-দুঃখ উভয়ই উৎপন্ন হয় তাহলে প্রয়োজন রয়েছে একটি সঠিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার, নষ্ট করে দেবার নয় যদিও তা সম্ভব নয় কারণ ব্যবস্থাকে নষ্ট করার জন্যও আরেকটি ব্যবস্থার প্রয়োজন হবে  তখন প্রশ্ন উদয় হয় কে ব্যবস্থাকে নষ্ট করবে এবং কিভাবে করবে? এই প্রশ্ন-উত্তরের মধ্য দিয়েই আসলে ব্যবস্থার উদয় হয় যিনিই এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে চাইবেন তাকে কোনো একটি ব্যবস্থাকে সাথে নিয়েই খুঁজতে হবে তাহলে সিদ্ধান্ত এটিই বেরিয়ে এল ব্যবস্থা ব্যতীত জীবনের কল্পনা করাও মানুষের মধ্যে অত্যন্ত ভয়ের সঞ্চার করবে ব্যবস্থাবিহীন সম্ভাবনাকে সঠিক সিদ্ধান্ত বলা যাবে না প্রথমত, তা সম্ভব হবে না দ্বিতীয়ত, কোনোভাবে সম্ভব হয়ে গেলেও তা অধিক দুঃখই প্রদান করবে সুখের আশা তো ভুলেই যান


#সম্পূর্ণ_সমাধান_ব্যবস্থা সকলের জন্য সম্পূর্ণ সুখী জীবন

#The_Complete_Solution_System – Complete Happy Life for All, Universal_Life_Management (ULM),

#সম্পূর্ণ_সমাধান - এক নতুন সামাজিক-রাজনৈতিক-অর্থব্যবস্থা,

 

সম্পূর্ণ সমাধানঃ ভবিষ্যতের জন্য নতুন সরকার এবং নতুন ব্যবস্থার উদ্দেশ্যে এক পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থার পরিকাঠামো উপস্থাপন করা হয়েছে। যেখানে সকলের সুখী এবং সমৃদ্ধশালী জীবন-যাপনের জন্য সম্পূর্ণ নতুন অর্থনৈতিক মডেল নতুন রাজনৈতিক মডেল নতুন সামাজিক মডেল নতুন শিক্ষা মডেল নতুন পারিবারিক মডেল এবং নতুন জীবন দর্শনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক সম্পদ এবং মানব সম্পদের সঠিক মেলবন্ধনে এই ব্যবস্থার পরিকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে। এই ব্যবস্থা বাস্তবায়নের পর কোনো প্রকার সমস্যা উৎপন্নই হবে না। যেমনআর্থিক অসমতা, বেকারত্ব, দরিদ্রতা, অপরাধ, শোষণ, দমন, উৎপীড়ন, ভবিষ্যৎ নিয়ে নিরাপত্তাহীনতা, অরাজকতা, দুর্নীতি, অশান্তি, যুদ্ধ, দাঙ্গা, ধর্মীয় হিংসা, প্রতিদ্বন্দ্বিতা, ভয়, ঈর্ষা, দাসত্ব, বন্ধন, পরনির্ভরশীলতা, আত্মহত্যা, ধর্ষণ, অপহরণ, সম্পর্কজনিত জটিলতা ইত্যাদি। নতুন ব্যবস্থায় উপরোক্ত সমস্যাগুলি উৎপন্ন হবার মূল কারণটিকেই নির্মূল করে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ সকল নাগরিক স্থায়ীরূপে সুখী, সমৃদ্ধশালী, সংরক্ষিত এবং পূর্ণ স্বাধীনতা উপভোগ করবে।

 

সরকারিভাবে সকলের ইচ্ছানুযায়ী শিক্ষণ-প্রশিক্ষণ, উচ্চশিক্ষা, গবেষণা এবং নিশ্চিত কর্মসংস্থান।

সকলের জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত সুখসুবিধা (শিক্ষা, জীবিকা, খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, সুরক্ষা) এবং স্থায়ী সংরক্ষণ।

অর্থ ছাড়াই সরকারিভাবে সকলের জন্য সমস্ত বস্তু এবং পরিষেবা প্রাপ্তির অধিকার।

সরকার নিয়ন্ত্রণের অধিকার সর্বদা (২৪×৭) জনগণের কাছে নিহিত থাকার ক্ষমতা ইত্যাদি।

 

নতুন ব্যবস্থা বিষয়ক সমস্ত তথ্য দার্শনিক প্রেমজীৎ সিরোহী রচিত 'সম্পূর্ণ সমাধান' পুস্তকে বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে। এই রচনা সিরোহী মহাশয়ের দীর্ঘ ২৫ বছরের গবেষণা এবং অভিজ্ঞতার ফসল। ইতিমধ্যে এই পুস্তক হিন্দি, ইংরেজি, রাশিয়ান এবং বাংলা ভাষায় উপলব্ধ হয়ে গিয়েছে এবং অন্যান্য ভাষাতেও অনুবাদের কাজ চলছে। সকলের অধ্যয়নের সুবিধার্থে এই পুস্তকের E-BOOK বিনামুল্যে প্রদান করা হয়েছে। একইসাথে কাগজের পুস্তক Amazon এবং Flipkart ছাড়াও নিন্মলিখিত ঠিকানায় সরাসরি পাওয়া যাচ্ছে। বিষয়বস্তুর স্পষ্টতা, প্রশ্ন উত্তরের মীমাংসা, পক্ষে-বিপক্ষে বিস্তারিত আলোচনাসহ উপযুক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য একটি মুক্ত মঞ্চ রয়েছে। যা পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে ইউনিভার্সাল লাইফ ম্যানেজমেন্ট সংস্থা। মুক্ত মঞ্চের অনুষ্ঠান এবং নতুন ব্যবস্থা বিষয়ক ভিডিও/অডিও হিন্দি, ইংরেজি, রাশিয়ান এবং বাংলা ভাষার ইউটিউব চ্যানেল এবং ফেসবুক পেজে উপলব্ধ রয়েছে। এই মঞ্চে সকলে আমন্ত্রিত।

 

এবার সর্বপ্রথম আমাদের কর্তব্য হচ্ছে এই বিকল্প সমাধানকে পুঙ্খানুপুঙ্খ অধ্যয়ন করা এবং পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে আলোচনার মাধ্যমে আরও স্পষ্ট করে বুঝে নেওয়া। আলোচনা সমালোচনার পর যদি সততই তা সঠিক সমাধান বলে প্রমাণিত হয় তবে আমাদের উচিত এটিকে সকলের কাছে তুলে ধরা এবং প্রচার-প্রসারে সাহায্য করা। বর্তমান ইন্টারনেটের যুগে কোনো বিষয়কে বিশ্বের কাছে পৌঁছে দেওয়া একেবারেই কঠিন কাজ নয়। সকলের সুখী এবং সমৃদ্ধশালী জীবনের জন্য জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে মিলিতভাবে এক মঞ্চে অবস্থানের সময় এসে গিয়েছে আসুন সকলে মিলে এই নতুন তত্ত্বটিকে বোঝার প্রয়াস করি।

 

সম্পূর্ণ সমাধান ফ্রি E-BOOK ডাউনলোড করুন/‘Sampurna Samadhan’ FREE E-Book, Download Link (Hindi, English, Russian and Bengali):

বাংলা ব্লগ ওয়েবসাইট:

ইউএলএমবাংলা.ব্লগস্পট.কম

English Website:

http://universallifemanagement.org/

 

সম্পূর্ণ সমাধান পুস্তক Amazon Link:

https://www.amazon.in/dp/1685865909/ref=cm_sw_r_cp_apan_glt_fabc_YXX08DQVPKW4WQD4NDDY

সম্পূর্ণ সমাধান পুস্তক Flipkart Link:

https://dl.flipkart.com/dl/sampurna-samadhan/p/itmd6e15270d2ab4?pid=9781685865900&cmpid=product.share.pp&_refId=PP.59f228eb-9f38-49a5-a0aa-59f2cf56093e.9781685865900&_appId=CL

 

Bangla Facebook Page

https://www.facebook.com/সম্পূর্ণ-সমাধান-106139834749271/

Bangla YouTube Channel:

https://www.youtube.com/channel/UCz5uy_BQaQUYLJQg-PN7ERw

Hindi Facebook Page

https://www.facebook.com/ulmteam2020/about/?ref=page_internal

Hindi YouTube Channel:

https://www.youtube.com/channel/UCfOiDZxI7BkObjJe1qwxCqg

Join Telegram Group

https://t.me/+mbH6zRruJBlhYWFl

 

ULM Bangla/ULM Hindi/ULM English/ULM Russian ইউটিউব চ্যানেলের মুক্ত মঞ্চে বক্তা হিসেবে এবং উন্মুক্ত আলোচনার জন্য যোগাযোগ করুন: 90133 83424 / 70010 79159 / 98309 25502

***


 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

রাষ্ট্র ব্যবস্থায় যে অধিকারগুলো জন্মগতভাবে থাকা জরুরী

কিউবার ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের কারণ কী?

ব্যবস্থাগত অসম্পূর্ণতা নাকি নেতৃত্বের ব্যর্থতা?