বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার ত্রুটিগুলো কী কী? প্রস্তাবিত নতুন শিক্ষা ব্যবস্থার কাঠামো কেমন হবে?


অনেক ধরনের ত্রুটি রয়েছে। প্রথমত, অধিক পড়ার বোঝা। দ্বিতীয়ত, অল্প বয়স থেকেই লেখাপড়া শুরু হয়ে যাওয়া। তৃতীয়ত, উচ্চতর চাকরি পেতে পরিবারের সদস্যদের দ্বারা চাপ প্রদান। চতুর্থত, সকল শিশুর জন্য সমান স্তরে শিক্ষার সুযোগ-সুবিধা না পাওয়া। পঞ্চমত, তারা যে ধরনের শিক্ষা নিতে চায় তা গ্রহণ করতে না পারা। যে ধরনের কাজ শিখতে চায় তেমন ট্রেনিং পায় না। যে ধরনের কর্ম সম্পাদন করতে চায় তেমন জীবিকা পায় না। সুতরাং বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার এই সমস্ত ত্রুটিই মানুষের উপর বোঝার মত চেপে বসেছে এবং শিক্ষার্থীকে সঙ্কুচিত করে রেখেছে। আমার মনে হয় এই অসুবিধাগুলি মানুষের সম্ভাবনাকে প্রসারিত হতে দেয় না। সে দেখতে পায় শারীরিক দিক থেকে তো যুবা হয়ে উঠছে কিন্তু ভেতরে যেন মনে হয় মৃত। যেন মর-মর হয়ে জীবন যাপন করছে। এর অর্থ হচ্ছে সে আসলে সুখী নয়। শুরুর দিকে দুই-চার বছর মনে হয় জীবনে আনন্দ আছে, সুখ আছে। কিন্তু যখনই সে স্কুলে যাওয়া শুরু করে তখন থেকেই মনে হতে থাকে যেন শাস্তি শুরু হয়ে গিয়েছে। এরপর ২০-২৫ বছর বয়সে শিক্ষা সমাপ্ত হওয়া পর্যন্ত শাস্তি চলতে থাকে। একেবারে শুরু থেকেই যখন এমন অবস্থা তখন কিভাবে সে স্বাভাবিক মানসিকতার হয়ে উঠবে? কিভাবে সুখী হবে? কিভাবে ১৫০-২০০-৪০০ বছর অবধি জীবিত থাকবে? আদৌ কি সম্ভব? সুতরাং বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার এই প্রণালী শুধু বোঝা চাপিয়ে চলেছে। শিক্ষার উদ্দেশ্য হওয়া উচিৎ মানুষ বাস্তবে যেমন থাকতে পছন্দ করে তেমনভাবে থাকবে। যা হতে চায় তার জন্য সুবিধা-সাহায্য পাবে। এরপর ব্যবস্থা দ্বারা সেই ব্যক্তির কাছ থেকে যোগ্যতা অনুযায়ী সহযোগিতা নেওয়া যেন বিভিন্ন প্রকার ভোগ সামগ্রী, পরিষেবা ইত্যাদি উৎপন্ন হয়। যেন সকলে সুখী হতে পারে।


শিক্ষার পরিভাষা কী?

শিক্ষা আমাদের অন্তঃকরণকে শিষ্ট করে তোলে। সার্বিকভাবে শিক্ষাই আমাদের শিষ্ট করে তোলে। শিষ্টতা দ্বারাই মানুষ সভ্য হয়ে উঠে। সভ্যের অর্থ হচ্ছে যে সমাজ তৈরি হয়েছে তাতে যেন সে আচরণের যোগ্য হয়ে ওঠে। সভ্য হবার অর্থ এই নয় যে মানুষ একটি নষ্ট প্রাণী, তাকে শিক্ষা দিয়ে সংশোধন করতে হবে। মানুষ স্বাভাবিকভাবে যেমন হওয়া উচিৎ তেমনই হয়ে থাকে। শিক্ষার লক্ষ্য কেবলমাত্র এটিই হওয়া উচিৎ যেন সে সমাজের নীতিনিয়ম সম্পর্কে সচেতন হতে পারে, যেন সে সামাজিক আচার ব্যবহারে সফল হতে পারে এবং সমাজে তার কর্ম কি হবে তা নির্বাচন করতে পারে, যেন সমাজের উদ্দেশ্যে নিজের অবদান রাখতে পারে। এইজন্যই তো সমাজের রচনা হয়েছে, যেন আমরা সকলে ইপ্সিত সুখ প্রাপ্ত করতে পারি। শিক্ষার মাধ্যমে আমরা জানতে পারি কেন আমাদের কর্ম করা উচিৎ, কিভাবে করা উচিৎ, কোনটি সঠিক এবং কোনটি ভুল। কার সাথে কেমন ব্যবহার করা উচিৎ, সমাজে তার অবস্থান কিরূপ হবে, কার সাথে কিভাবে মোকাবিলা করবে, কিভাবে আচরণ করবে– এসব শিক্ষার মাধ্যমে সহজে ও দ্রুত জানা যায়। এটিই শিক্ষার পরিভাষা। শিক্ষা আমাদের শেখায় যে কীভাবে সুখী হওয়া যেতে পারে, কীভাবে জীবনের লক্ষ্যগুলি পূরণ করা যেতে পারে, কেমন ব্যবস্থা আমাদের প্রয়োজন, কিভাবে আমরা সেই ব্যবস্থায় একে অপরের সাথে সহযোগিতার সাথে বসবাস করতে পারি ইত্যাদি। শিক্ষা আমাদের কোনো একটি পেশায়, কোনো একটি বিষয়ে দক্ষ এবং প্রশিক্ষিত করে তোলে। শিক্ষার অর্থ এটি কখনই হতে পারে না কেউ খারাপ মানুষ হয় এবং নৈতিকতা পাঠ করিয়ে করিয়ে তাকে ভাল মানুষ তৈরি করতে হবে। অপরদিকে তাকে মূর্খ থেকে বিদ্বান হওয়ার জন্য জোর প্রদান করতে হবে। দুটোই আসলে সঠিক পন্থা নয়।

উপসংহার এই যে মানব জীবনের সার্বিক বিকাশের জন্য শিক্ষা অপরিহার্য। শিক্ষা আমাদের জন্য সঠিক অর্থে সামাজিক হয়ে উঠতে সহায়তা করে। সামাজিক হওয়ার মাধ্যমেই সব ধরনের সুখের দরজা খুলতে শুরু করে। কিভাবে সমাজের সকলকে সমৃদ্ধ করা যায়, সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করা যায়, কিভাবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের সন্ধান করা যায়, কিভাবে সেই জ্ঞান-বিজ্ঞানকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে প্রেরণ করা যায় ইত্যাদি। যেন আগামী প্রজন্ম সহজে এবং স্বল্প সময়ের মধ্যে সেই জ্ঞান লাভ করতে পারে। এছাড়াও শিক্ষা কিভাবে অধিক আবিষ্কারের দিকে নিয়ে যেতে পারে এবং যা আবিষ্কৃত হয়েছে তা জীবনের সুবিধার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে, যেন আমরা অধিক সুখী হতে পারি। পরিবার এবং সমাজ গঠনের উদ্দেশ্যও তো তাই। এই কাঠামো তৈরি করার জন্যই শিক্ষার প্রয়োজন হয়।


প্রস্তাবিত শিক্ষা ব্যবস্থায় কী নতুনত্ব রয়েছে?

নতুন শিক্ষাব্যবস্থা শিশুদের রুচি অনুযায়ী হবে এবং খুবই সহজ সরল থাকবে। স্কুল দুই ঘণ্টার হবে। কোনো শিশুর আগ্রহ অধিক হলে তার জন্য আরও দুই ঘণ্টা বাড়ানো যেতে পারে। সেইরকম শিশুদের জন্য তাদের রুচি অনুযায়ী অনুকূল ব্যবস্থা তৈরি করা হবে। এই ধরণের শিক্ষার জন্য বিভিন্ন রকম উদ্ভাবনী শিক্ষা পদ্ধতি বিদ্যমান থাকবে যা শিশুদের আগ্রহের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হবে। শিশুরা যে বিষয়ই শিখুক না কেন সবার স্বীকৃতি সমান হবে। তারা যে বিষয়ে যতটা গভীরে যেতে চায় তার জন্য সম্পূর্ণ প্লাটফর্ম থাকবে। ফলে তারা যে অবধি যেতে যায় যেতে পারবে। যতটা শিখতে চায় শিখতে পারবে। যদি না শিখতে চায় তবে শিখবে না। এমনভাবেই শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করা হবে। শিক্ষা হতে হবে শিক্ষার্থীর ইচ্ছানুযায়ী। তাতে শিক্ষা গ্রহণকারীও সুখী হবে, এমনকি শিক্ষা প্রদানকারীও সুখী হবে। এটিই হচ্ছে নতুন শিক্ষা ব্যবস্থার মূল ভিত্তি। যেখানে কেউ কোনো প্রকার চাপে থাকবে না। বলা যায় খেলতে খেলতে শেখানো পড়ানো চলতে থাকবে।

শিক্ষা দুই ধরনের হবে– সাধারণ এবং জীবিকানির্ভর। ১৫ বছরের সাধারণ পাঠ্যক্রম থাকবে। যা সকলের জন্য অনিবার্য থাকবে। কোনো শিক্ষার্থীকে কখনোই অনুত্তীর্ণ করানো হবে না। যে যত নম্বর আনবে, সেই সব নম্বরের ভিত্তিতেই শিক্ষার্থীকে পরবর্তী ক্লাসে প্রবেশ করানো হবে। সাধারণ পাঠ্যক্রমে মাত্র চারটি বিষয় পড়ানো হবে। ভাষা, গণিত, সংজ্ঞান এবং দর্শন। যা সকল শিশুর ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবে। ‘ভাষা’ মনের বিকাশ ঘটাবে, ‘গণিত’ বুদ্ধির বিকাশ ঘটাবে, ‘সংজ্ঞান’ চিত্ত বা বোধশক্তির বিকাশ ঘটাবে এবং ‘দর্শন’ অহংকারের বিকাশ ঘটাবে। অন্তঃকরণ বিকাশের দ্বারাই মনুষ্য সঠিক এবং অন্যায়ের জ্ঞান লাভ করে। কখন কি করতে হবে তার জ্ঞান শুধুমাত্র শিক্ষার মাধ্যমেই তৈরি হয়। আচার-আচরণ কেমন হওয়া উচিত সেসব মানুষ শিক্ষার মাধ্যমে জানতে পারে। সাধারণ শিক্ষা অর্জনের পর চার ধরনের ব্যক্তিত্বের উদ্ভব হবে। শারীরিক অবস্থা (Physical Quotient), মানসিক অবস্থা (Intelligence Quotient), ভাবনা অবস্থা (Emotional Quotient) এবং চেতনা অবস্থা. (Conciousness Quotient)।

সাধারণত শিশু জন্মের পর পঞ্চম বছর পূর্ণ হলে ষষ্ঠতম বছরে প্রথমবারের মতো বিদ্যালয়ে নিবন্ধিত হবে এবং প্রথম কক্ষে প্রবেশ করবে। ২০ বছর বয়স অবধি প্রতিটি শিশু সাধারণ শিক্ষা সম্পন্ন করবে এবং বিদ্যালয় দ্বারা সমস্ত শিশুর যোগ্যতা নির্ধারণ করা হবে। অতঃপর শিক্ষার্থীর পছন্দ এবং রুচি অনুযায়ী কোনো একটি বিষয়ে জীবিকার প্রশিক্ষণ আগামী ৫ বছরের জন্য প্রদান করা হবে। এই সময়কালকে মহাবিদ্যালয় বলা হবে। এই প্রশিক্ষণের ভিত্তিতে সকলকে একটি জীবিকা প্রদান করা হবে। এরপর জীবিকাভিত্তিক প্রশিক্ষণের পরবর্তী পর্যায়ে শুধুমাত্র যোগ্য শিক্ষার্থীরাই তাদের ইচ্ছানুযায়ী অনুসন্ধান-গবেষণা চালিয়ে যেতে পারবে। এটির নাম হবে বিশ্ববিদ্যালয়। যা একইসাথে হবে তাদের কর্মসংস্থান।


পঞ্চবর্ষীয় প্রশিক্ষণ বিধানের অন্তর্গত চার ধরনের ব্যক্তিত্বের জন্য চার ধরনের প্রশিক্ষণ থাকবে-

                                 ১. কৃষি শিক্ষা
                                 ২. উৎপাদনশিল্পকর্ম শিক্ষা
                                ৩. প্রশাসনিক শিক্ষা
                                ৪. নেতৃত্ব শিক্ষা


গবেষণা-অনুসন্ধান বিধান/RESEARCH AND DEVELOPMENT:
বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত গবেষণা বিভাগ থাকবে। সমস্ত ক্ষেত্রে এবং বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণার কাজ চলতে থাকবে। গবেষণারত ব্যক্তিদের বৈজ্ঞানিকের উপাধি দ্বারা জানা যাবে। গবেষণা শিক্ষায় তিনটি বিভাগে থাকবে। যেমন আপনার শরীর, মন এবং প্রাণ রয়েছে; একইভাবে সমষ্টিতেও পদার্থ, প্রকৃতি এবং প্রাণ রয়েছে। পদার্থ সম্পর্কিত জ্ঞান-বিজ্ঞান-গবেষণার জন্য ‘আধিভৌতিক’ বিজ্ঞান, প্রকৃতি সম্পর্কিত জ্ঞান-বিজ্ঞান-গবেষণার জন্য ‘আধিদৈবিক’ বিজ্ঞান এবং প্রাণ সম্পর্কিত জ্ঞান-বিজ্ঞান-গবেষণার জন্য ‘আধ্যাত্মিক’ বিজ্ঞান। মূলত আধিভৌতিক শিক্ষা, আধিদৈবিক শিক্ষা, আধ্যাত্মিক শিক্ষা– এই তিন ধরনের গবেষণা অনুসন্ধান হয়ে থাকে।

প্রথমত, আধিভৌতিক শিক্ষার অধীনে চার ধরনের জীবিকা শিক্ষা থাকবে। যেমন কৃষি, উৎপাদনশিল্পকর্ম, প্রশাসন এবং নেতৃত্বমূলক বিষয়সহ গবেষণামূলক কাজ। দ্বিতীয়ত, সমগ্র প্রকৃতির অধ্যয়ন এবং গবেষণামূলক কাজ আধিদৈবিক শিক্ষার পরিসরে আসে। তৃতীয়ত, প্রাণের অধ্যয়ন এবং গবেষণামূলক কাজ আধ্যাত্মিক শিক্ষার অন্তর্গত থাকবে। সংক্ষেপে এই হল সম্পূর্ণ সমাধান ব্যবস্থার শিক্ষাগত কাঠামো।
***

#সম্পূর্ণ_সমাধান_ব্যবস্থা – সকলের জন্য সম্পূর্ণ সুখী জীবন
The_Complete_Solution_System – Complete Happy Life For All, #Universal_Life_Management (ULM),
#সম্পূর্ণ_সমাধান - এক নতুন সামাজিক-রাজনৈতিক-অর্থব্যবস্থা,

সম্পূর্ণ সমাধান ব্যবস্থা সকলের সুখী এবং সমৃদ্ধশালী জীবন যাপনের জন্য সম্পূর্ণ নতুন অর্থনৈতিক মডেল ‖ নতুন রাজনৈতিক মডেল ‖ নতুন সামাজিক মডেল ‖ নতুন শিক্ষা মডেল ‖ নতুন পারিবারিক মডেল ‖ নতুন জীবন দর্শনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক সম্পদ এবং মানব সম্পদের সঠিক মেলবন্ধনে ভবিষ্যতের জন্য নতুন সরকার এবং নতুন ব্যবস্থার উদ্দেশ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থার পরিকাঠামো উপস্থাপন করেছে।

'সম্পূর্ণ সমাধান' ব্যবস্থায় প্রাকৃতিক সম্পদ এবং মানব সম্পদের সঠিক মেলবন্ধনে ভবিষ্যতের জন্য নতুন সরকার এবং নতুন ব্যবস্থার উদ্দেশ্যে এক পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থার পরিকাঠামো প্রদান করা হয়েছে। এই ব্যবস্থা বাস্তবায়নের পর কোনো প্রকার সমস্যা উৎপন্নই হবে না। যেমন— আর্থিক অসমতা, বেকারত্ব, দরিদ্রতা, অপরাধ, শোষণ, দমন, উৎপীড়ন, ভবিষ্যৎ নিয়ে নিরাপত্তাহীনতা, অরাজকতা, দুর্নীতি, অশান্তি, যুদ্ধ, দাঙ্গা, ধর্মীয় হিংসা, প্রতিদ্বন্দ্বিতা, ভয়, ঈর্ষা, দাসত্ব, বন্ধন, পরনির্ভরশীলতা, আত্মহত্যা, ধর্ষণ, অপহরণ, সম্পর্কজনিত জটিলতা ইত্যাদি। নতুন ব্যবস্থায় উপরোক্ত সমস্যাগুলি উৎপন্ন হবার মূল কারণটিকেই নির্মূল করে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ সকল নাগরিক স্থায়ীরূপে সুখী, সমৃদ্ধশালী, সংরক্ষিত এবং পূর্ণ স্বাধীনতা উপভোগ করবে।

• সরকারিভাবে সকলের ইচ্ছানুযায়ী শিক্ষণ-প্রশিক্ষণ, উচ্চশিক্ষা, গবেষণা এবং নিশ্চিত কর্মসংস্থান।
• সকলের জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত সুখসুবিধা (শিক্ষা, জীবিকা, খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, সুরক্ষা) এবং স্থায়ী সংরক্ষণ।
• অর্থ ছাড়াই সরকারিভাবে সকলের জন্য সমস্ত বস্তু এবং পরিষেবা প্রাপ্তির অধিকার।
• সরকার নিয়ন্ত্রণের অধিকার সর্বদা (২৪×৭) জনগণের কাছে নিহিত থাকার ক্ষমতা ইত্যাদি।

নতুন ব্যবস্থা বিষয়ক সমস্ত তথ্য দার্শনিক প্রেমজীৎ সিরোহী রচিত 'সম্পূর্ণ সমাধান' পুস্তকে বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে। এই রচনা সিরোহী মহাশয়ের দীর্ঘ ২৫ বছরের গবেষণা এবং অভিজ্ঞতার ফসল। ইতিমধ্যে এই পুস্তক হিন্দি, ইংরেজি, রাশিয়ান এবং বাংলা ভাষায় উপলব্ধ হয়ে গিয়েছে এবং অন্যান্য ভাষাতেও অনুবাদের কাজ চলছে। সকলের অধ্যয়নের সুবিধার্থে এই পুস্তকের E-BOOK/PDF COPY বিনামুল্যে প্রদান করা হয়েছে। একইসাথে কাগজের পুস্তক Amazon এবং Flipkart ছাড়াও নিন্মলিখিত ঠিকানায় সরাসরি পাওয়া যাচ্ছে। বিষয়বস্তুর স্পষ্টতা, প্রশ্ন উত্তরের মীমাংসা, পক্ষে-বিপক্ষে বিস্তারিত আলোচনাসহ উপযুক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য একটি মুক্ত মঞ্চ রয়েছে। যা পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে ইউনিভার্সাল লাইফ ম্যানেজমেন্ট সংস্থা। মুক্ত মঞ্চের অনুষ্ঠান এবং নতুন ব্যবস্থা বিষয়ক ভিডিও/অডিও হিন্দি, ইংরেজি, রাশিয়ান এবং বাংলা ভাষার ইউটিউব চ্যানেল এবং ফেসবুক পেজে উপলব্ধ রয়েছে। এই মঞ্চে সকলে আমন্ত্রিত।

এবার সর্বপ্রথম আমাদের কর্তব্য হচ্ছে এই বিকল্প সমাধানকে পুঙ্খানুপুঙ্খ অধ্যয়ন করা এবং পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে আলোচনার মাধ্যমে আরও স্পষ্ট করে বুঝে নেওয়া। আলোচনা সমালোচনার পর যদি সততই তা সঠিক সমাধান বলে প্রমাণিত হয় তবে আমাদের উচিত এটিকে সকলের কাছে তুলে ধরা এবং প্রচার-প্রসারে সাহায্য করা। বর্তমান ইন্টারনেটের যুগে কোনো বিষয়কে বিশ্বের কাছে পৌঁছে দেওয়া একেবারেই কঠিন কাজ নয়। সকলের সুখী এবং সমৃদ্ধশালী জীবনের জন্য জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে মিলিতভাবে এক মঞ্চে অবস্থানের সময় এসে গিয়েছে। আসুন সকলে মিলে এই নতুন তত্ত্বটিকে বোঝার প্রয়াস করি।

অনুসন্ধান/যোগাযোগ- 9830925502

ইমেলulmbangla@gmail.com

ইউটিউব চ্যানেল- https://www.youtube.com/@ulmbangla 

ফেসবুক পেজhttps://www.facebook.com/profile.php?id=100063995684933

ব্যবস্থা পরিবর্তন ফেসবুক পেজ -  https://www.facebook.com/ssbajarwb/

ULM উপস্থাপিত নতুন আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক ব্যবস্থার রূপরেখা বিষয়ক পুস্তকের ইবুক বিনামূল্যে নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করতে পারেন। 

সমীক্ষা এবং মতামত প্রেরণে সকলে স্বাগত।

সম্পূর্ণ সমাধান  এক নতুন সামাজিক রাজনৈতিক অর্থব্যবস্থা ফ্রি PDF লিংক

https://drive.google.com/file/d/1rjuHZNuZnuS_vXwqhRi4YmRX8HAbAIud/view?usp=sharing

***
#unemployment, #employment, #financial_security, #poverty, #education, #job, #health, #happiness, #satisfaction, #security, #unity, #cooperation, #Sampurna_Samadhan, #ULM_Bangla, #ULM_Hindi, #ULM_English, #ULM_Russian, #সম্পূর্ণ_সমাধান, #সম্পূর্ণ_সমাধান_ব্যবস্থা, #নতুন_ব্যবস্থা, #New_System, #ব্যবস্থা_পরিবর্তন, #Byabastha_Parivartan, #System_Change, #व्यवस्था_परिवर्तन
***



 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

রাষ্ট্র ব্যবস্থায় যে অধিকারগুলো জন্মগতভাবে থাকা জরুরী

কিউবার ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের কারণ কী?

ব্যবস্থাগত অসম্পূর্ণতা নাকি নেতৃত্বের ব্যর্থতা?