বেসিক নিডের পোস্টমর্টেম: সার্বজনীন সিদ্ধান্তের ব্যবহারিক পর্যালোচনা
বেসিক নিডের পোস্টমর্টেম
রোটি, কাপড়া, মকানের তত্ত্ব নিয়ে রাজনীতি-সাহিত্য-সিনেমা-ভাস্কর্য-সবই হয়েছে। অনন্ত চিন্তন-মনন-আলোচনা-পর্যালোচনা হয়েছে। একইসাথে জ্ঞান-বিজ্ঞান-প্রযুক্তি-বিবেক বহুগুণ বিকশিত হয়েছে। তারপরও সর্বসাধারণের ‘বেসিক নিড’ ফুলফিল করা যায়নি। কেন করা যায়নি তার কারণ-নিবারণের তত্ত্ব রচনা করা সম্ভব হয়নি– এটিই মূল কারণ নাকি পৃথিবীর সমস্ত রাষ্ট্রে সাম্যবাদ প্রতিষ্ঠিত হয়নি– সেজন্য সম্ভব হয়নি? সময় গড়িয়েছে বিস্তর। দেখতে দেখতে ‘বেসিক নিড’ নিয়ে আরও গবেষণা বিকশিত হয়েছে। বহু তাত্ত্বিক একদিকে যেমন প্রতিটি নিডকে ভেঙ্গে একাধিক করেছেন তেমনই নতুন নতুন বেসিক নিড যুক্ত করেছেন। যুক্ত করা নিডকে আবার অনেকে বেসিক নিড বলে মানতে চান না এমন ডিবেটও চলমান রয়েছে। যদিও নতুন/পুরনো কোনও বেসিক নিডই যেভাবে ভাবা হয়েছিল সেভাবে পূরণ করা সম্ভব হয়নি। চলমান অর্থব্যবস্থায় সীমিত সংখ্যক মানুষ স্ব-উদ্যোগে/সাম-দাম-দণ্ড-ভেদ নীতিকে বাধ্যতামূলক সঙ্গী করে যতখানি সম্ভব পূরণ করেছে এবং প্রচেষ্টারত রয়েছে।
মানুষ সুখসুবিধা তো খুব করে পেতে চাইছে কিন্তু দার্শনিক সিদ্ধান্তের গ্রহণযোগ্যতায় মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে। বেসিক নিডে সম্মতি থাকলেও কর্ম সম্পাদনের সিদ্ধান্তে মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে। ফলে উপযুক্ত কর্ম সম্পাদন কিংবা যতখানি প্রয়োজন পূরণের সম্ভাবনা ছিল ততখানিও প্রয়োগ করা সম্ভব হয়নি। এ প্রশ্নও ওঠে, আদৌ সম্ভাবনা ছিল কিনা। অনেকের মতে চলমান ব্যবস্থার পক্ষে যতখানি সম্ভব ছিল ততখানি হয়েছে, এর অধিক সম্ভব নয়। আরও উন্নত সমাধান সূত্র প্রয়োজন। উন্নত/অনুন্নত যে সিদ্ধান্তই আসুক মোট কথা মিলিত উদ্যোগ ব্যতীত বৃহৎ পরিসরে সামাজিক কর্মের রূপায়ন সম্ভব নয়। বহু পূর্বেই মনুষ্য সমাজ নানা দল-মত-পথে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে। কিছু গোষ্ঠী বেসিক নিড সম্ভব নয় বলে মেনে নিয়েছে, কিছু গোষ্ঠী ব্যর্থ হয়ে হাল ছেড়ে দিয়েছে, কিছু গোষ্ঠী প্রচেষ্টারত রয়েছে, কিছু গোষ্ঠী নতুন করে সৃষ্টি হচ্ছে, স্বপ্ন দেখছে। এখনো পর্যন্ত এভাবেই চলছে।
যে প্রশ্ন উঠে এসেছে তা হল আমাদের কাছে এমন কোনও “সমাধান সূত্র” রয়েছে যা নিয়ে দল/ধর্ম/গোষ্ঠী নির্বিশেষে একমত হতে পারে? অথবা এমন কোনও বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম রয়েছে যেখানে একমত হবার জন্য “কী প্রকার সমাধান সূত্র” প্রয়োজন তার উন্মুক্ত আলোচনা-পর্যালোচনা চলতে পারে? সকলে নতুন/পুরনো বেসিক নিড পূরণের উদ্দেশ্যে এসমাধান সূত্রের সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে কর্ম সম্পাদন প্রক্রিয়া প্রারম্ভ করতে পারে?
মতামত প্রেরণে স্বাগত।
মানুষ সুখসুবিধা তো খুব করে পেতে চাইছে কিন্তু দার্শনিক সিদ্ধান্তের গ্রহণযোগ্যতায় মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে। বেসিক নিডে সম্মতি থাকলেও কর্ম সম্পাদনের সিদ্ধান্তে মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে। ফলে উপযুক্ত কর্ম সম্পাদন কিংবা যতখানি প্রয়োজন পূরণের সম্ভাবনা ছিল ততখানিও প্রয়োগ করা সম্ভব হয়নি। এ প্রশ্নও ওঠে, আদৌ সম্ভাবনা ছিল কিনা। অনেকের মতে চলমান ব্যবস্থার পক্ষে যতখানি সম্ভব ছিল ততখানি হয়েছে, এর অধিক সম্ভব নয়। আরও উন্নত সমাধান সূত্র প্রয়োজন। উন্নত/অনুন্নত যে সিদ্ধান্তই আসুক মোট কথা মিলিত উদ্যোগ ব্যতীত বৃহৎ পরিসরে সামাজিক কর্মের রূপায়ন সম্ভব নয়। বহু পূর্বেই মনুষ্য সমাজ নানা দল-মত-পথে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে। কিছু গোষ্ঠী বেসিক নিড সম্ভব নয় বলে মেনে নিয়েছে, কিছু গোষ্ঠী ব্যর্থ হয়ে হাল ছেড়ে দিয়েছে, কিছু গোষ্ঠী প্রচেষ্টারত রয়েছে, কিছু গোষ্ঠী নতুন করে সৃষ্টি হচ্ছে, স্বপ্ন দেখছে। এখনো পর্যন্ত এভাবেই চলছে।
যে প্রশ্ন উঠে এসেছে তা হল আমাদের কাছে এমন কোনও “সমাধান সূত্র” রয়েছে যা নিয়ে দল/ধর্ম/গোষ্ঠী নির্বিশেষে একমত হতে পারে? অথবা এমন কোনও বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম রয়েছে যেখানে একমত হবার জন্য “কী প্রকার সমাধান সূত্র” প্রয়োজন তার উন্মুক্ত আলোচনা-পর্যালোচনা চলতে পারে? সকলে নতুন/পুরনো বেসিক নিড পূরণের উদ্দেশ্যে এসমাধান সূত্রের সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে কর্ম সম্পাদন প্রক্রিয়া প্রারম্ভ করতে পারে?
মতামত প্রেরণে স্বাগত।
***
#basicneeds #BasicNeed #food #water #clothes #shelter #security #economics #politics #Social #family #Education #employment #happiness #philosophyoflife
***

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন