নতুন রাষ্ট্র ব্যবস্থায় কী কী সুবিধা থাকবে? দেখে নিন
১. জন্মের পর থেকেই সকলের জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত সুখসুবিধা সমানভাবে সহজলভ্য থাকবে, যা সেইসময় নির্মাণ করা সম্ভব হবে। ব্যবস্থা দ্বারা পরিকল্পিত ডিজিটাল পোর্টালের মাধ্যমে অর্ডার করে প্রয়োজনীয় বস্তু-পরিষেবা গ্রহণ করা যাবে।
২. সকল শিক্ষার্থীর ইচ্ছে অনুযায়ী বিনামূল্যে শিক্ষণ-প্রশিক্ষণ এবং গবেষণার ব্যবস্থা থাকবে। শিক্ষা সমাপ্তির পর যোগ্যতা এবং পছন্দ অনুযায়ী সকল শিক্ষার্থীর জন্য একটি জীবিকা সুনিশ্চিত থাকবে। ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত সকল ছাত্র-ছাত্রীর জন্য শিক্ষা প্রদানের মনোরম পরিবেশ এবং আরামদায়ক ব্যবস্থা থাকবে।
৩. এই ব্যবস্থায় মুদ্রা বা টাকার প্রয়োজন থাকবে না। বস্তু-পরিষেবার মূল্য নির্ধারণ করা থাকবে না। বস্তু-পরিষেবা গ্রহণের বিনিময়ে ব্যবস্থাকে কিছু প্রদান করতে হবে না। জীবিকা কিংবা কর্ম সম্পাদনের বিনিময়ে কোনো বেতনও থাকবে না।
৪. ব্যক্তিগত স্তরে বস্তু-পরিষেবা আদান-প্রদানের প্রয়োজন পড়বে না। অর্থ উপার্জনের জন্য জীবিকা, ব্যক্তিগত ব্যবসা অথবা বস্তু বিনিময়ের প্রয়োজনীয়তা থাকবে না। ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য বাজার থাকবে না। সকলের চাহিদা পূরণের জন্য একটি কেন্দ্রীভূত ব্যবস্থা দ্বারা সমস্ত বস্তু-পরিষেবা উৎপাদন এবং বিতরণ করা হবে।
5. এই ব্যবস্থায় সকলের নিজস্ব অনলাইন প্রোফাইল থাকবে। যেখানে প্রতিটি নাগরিকের সমস্ত বিবরণ পঞ্জীভূত থাকবে। যেমন— নাম, ঠিকানা, বয়স, ফটো, যোগ্যতা, দক্ষতা, পছন্দ-অপছন্দ ইত্যাদি।
6. সকলে নিজেই অনলাইন প্রোফাইল তৈরি করতে পারবে এবং বস্তু-পরিষেবা গ্রহণের জন্য অর্ডার প্লেস করতে পারবে। নিরক্ষর মানুষদের জন্যও সরল প্রক্রিয়া এবং সহায়তার বন্দোবস্ত থাকবে। সকলের সমস্ত অর্ডার কেন্দ্রীভূত অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমেই প্রেরিত এবং গৃহীত হবে।
7. সমস্তরকম চাহিদাকে বিকেন্দ্রীভূত করা হয়েছে। অর্থাৎ আপনি ঈপ্সিত বস্তু-পরিষেবা কোনোপ্রকার অর্থ ছাড়াই অর্ডার করতে পারবেন। উৎপাদন এবং বিতরণ ব্যবস্থা সরকার দ্বারা কেন্দ্রীভূত রয়েছে। কেন্দ্রীভূত থাকায় সকল চাহিদা, মানব সম্পদ, প্রাকৃতিক সম্পদ, উৎপাদন-বিতরণের সময়কাল ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ব্যবস্থাপনা সহজ হবে।
8. নতুন ব্যবস্থায় সম্পদ দখলের লড়াই থাকবে না। ব্যক্তি মালিকানা থাকবে না। আবার এটি সমাজতান্ত্রিক কিংবা একনায়কতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থাও নয়। এই ব্যবস্থায় জনগণই সকলের জন্য সমস্ত সিদ্ধান্ত নেবে। এই প্রস্তাব সাম্যবাদের নির্দিষ্ট কোনো রূপান্তরও নয় যা আপনি নতুন সমাজব্যবস্থার পুস্তকসমূহ অধ্যয়ন করলে বুঝতে পারবেন।
9. সমস্তপ্রকার সুবিধা উপভোগের জন্য ২৫ থেকে ৫০ বছর বয়সী সুস্থ্য নাগরিককে পছন্দ এবং যোগ্যতা অনুযায়ী একটি জীবিকা নির্বাচন করতে হবে। শিশু, প্রবীণ, অসুস্থ্য এবং প্রতিবন্ধী নাগরিক কোনোপ্রকার কর্ম সম্পাদন ব্যতীত নিজেদের ইচ্ছে অনুযায়ী সমস্ত সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে। প্রতিটি পরিবারে স্বামী-স্ত্রীর ইচ্ছে অনুযায়ী কোনো একজনের কর্মে যোগদান অনিবার্য থাকবে।
10. সরকারের কাছে সকলের অর্ডার অবিরত পৌঁছাতে থাকবে। অর্ডারের শৃঙ্খলা অনুযায়ী বস্তু নির্মিত হবে এবং বিতরণ বিভাগ প্রেরণের বন্দোবস্ত করবে।
11. শুরুতে নিরাপত্তার জন্য বস্তু-পরিষেবা গ্রহণের নির্দিষ্ট সীমারেখা থাকবে। দুর্লভ বস্তু-পরিষেবা সামাজিক ভিত্তিতে বণ্টন করা হবে। যেন সকলে সেইসব সুবিধা গ্রহণ করে সুখ উপভোগ করতে পারে।
12. মানব সম্পদ এবং প্রাকৃতিক সম্পদ দুটোই ব্যবস্থার অধীন থাকবে। চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদনের জন্য মানব সম্পদ এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সংমিশ্রণে সকলের প্রয়োজনীয়তা পূরণ হতে থাকবে। সকলে জানি জগতে প্রাকৃতিক সম্পদের অভাব নেই। সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য শুধুমাত্র একটি সঠিক ব্যবস্থা প্রয়োজন। নতুন ব্যবস্থায় অত্যাধুনিক পরিচালন ব্যবস্থা দ্বারা সকল নাগরিক নিজেদের চাহিদা পূরণের জন্য পছন্দের কর্ম করতে থাকবে।
13. এই ব্যবস্থায় গুণমান এবং দক্ষতা নিশ্চিতরূপে উচ্চমানের হবে। কারণ সকলেই নিজ পছন্দ এবং যোগ্যতা অনুযায়ী কার্য সম্পাদন করতে থাকবে। পছন্দের কর্ম সম্পাদনের ফলে সকল বস্তু-পরিষেবা উচ্চমানের নির্মিত হবে। এতে নির্মাণকারী যেমন সুখ অনুভব করবে তেমনি ব্যবহারকারীও অনুরূপ সুখ অনুভব করবে।
14. ব্যক্তি নিজ ক্ষমতা অনুযায়ী ব্যবস্থা দ্বারা নির্ধারিত ন্যুনতম লক্ষ্য পূরণের জন্য কর্ম সম্পাদন করবে। ব্যবস্থা কখনোই কাউকে উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য বাধ্য করবে না। প্রতিদিনের কাজের সময়কাল আনুমানিক ৪ ঘণ্টা থেকে ৫ ঘণ্টার হবে। ব্যবস্থা শুধুমাত্র দেখবে বস্তু-পরিষেবার গুণগত মান সঠিক রয়েছে কিনা। এই ব্যবস্থায় কেউ কারোর উপর পুলিশি নজরদারি রাখবে না। এমনকি ভয় দেখিয়ে অথবা জোরপূর্বক কর্ম করানোর প্রয়োজনও হবে না।
15. জনগণের প্রতিক্রিয়া এবং মতামত ক্রমাগত আসতে থাকবে। ব্যবহারকালীন সময় কোনও বস্তু-পরিষেবার গুণগত মান সঠিক না থাকলে তৎক্ষণাৎ জনগণের থেকে চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়া চলে আসবে। প্রতিক্রিয়া যদি নেতিবাচক হয় তবে উক্ত পদাধিকারী অথবা বিভাগের উপর প্রশ্নচিহ্ন চলে আসবে। নির্দিষ্ট বিভাগে যুক্ত ব্যক্তিরা পর্যালোচনা করবে কোথায় ত্রুটি রয়েছে এবং সংশোধনের জন্য নির্মাণ বিভাগে প্রেরণ করে দেবে। ফলে যে-কোনো সমস্যাকে জরুরী ভিত্তিতে সমাধান করে নেওয়া হবে যেন ব্যবহারকারী সন্তুষ্ট হয় এবং একই সমস্যা পুনরায় উৎপন্ন না হয়। এইভাবে সমস্তকিছুর গুণমান সুনির্দিষ্ট করা হবে।
16. কিছু বস্তু-পরিষেবা এমন থাকবে যা আপনি ব্যক্তিগত অথবা পারিবারিক স্তরে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত করতে পারবেন। ব্যবহারের পর সেই বস্তু-পরিষেবা রিসাইক্লিং বা নবীকরণের জন্য পুনরায় ব্যবস্থার কাছে ফেরত যাবে। কাউকেই বস্তু-পরিষেবার মালিক হবার প্রয়োজন পড়বে না। যিনি যে বস্তু-পরিষেবা যতদিন অবধি ব্যবহার করবেন ততদিন তার অধিকারী হবেন। আপনার যখন যা কিছু প্রয়োজন হবে তা পেতে থাকবেন। ফলে সকলে সর্বদা সন্তুষ্টির অবস্থায় থাকবে।
17. সকল চাহিদা যেহেতু সর্বদা নির্ধারিত সময়ে পূরণ হতে থাকবে সেইজন্য সম্পদ জমিয়ে রাখার প্রয়োজন পড়বে না। সম্পদ সঞ্চয়ের সম্ভাবনা উদয় হবে হবে না। কোনও নাগরিককে কখনই ভবিষ্যতের নিরাপত্তাহীনতার দুশ্চিন্তা করতে হবে না। যে কোনও প্রয়োজনে ব্যক্তি নিজস্ব প্রোফাইলের মাধ্যমে সরাসরি ব্যবস্থার সাথে যোগাযোগ করতে পারবে। এই ব্যবস্থায় শতভাগ মানুষের কর্মসংস্থান থাকবার ফলে সমস্ত বিভাগে প্রয়োজনীয় কর্মী সর্বদা উপলব্ধ থাকবে।
18. সকলের জন্য টাউনশিপ অথবা নগরীয় জীবনযাপনের বন্দোবস্ত থাকবে এবং সমস্ত সুখসুবিধা সামাজিক স্তরে প্রদান করা হবে। যেমন— পরিবহণ, সুইমিং পুল, জিম, রেস্তোরাঁ, ক্লাব, রিসোর্ট, সিমেনা হল, সেলুন, বিউটি পার্লার, স্টেডিয়াম, আর্ট গ্যালারী, সাংস্কৃতিক মঞ্চ ইত্যাদি। কাউকে ভিন্নভাবে ওইসকল সুখসুবিধা উপভোগের জন্য ব্যক্তিগতভাবে মালিক হবার প্রয়োজন পড়বে না। এইসকল সুখসুবিধার বন্দোবস্ত-রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা দ্বারাই প্রদান করা হবে। কোনোরূপ দুশ্চিন্তা ছাড়াই সকলে সমস্ত অত্যাধুনিক সুখসুবিধার আনন্দ উপভোগ করতে পারবে।
19. এই ব্যবস্থায় রাজনৈতিক মডেল এমন রয়েছে যেখানে সমস্ত ক্ষমতা ২৪ ঘণ্টা ৩৬৫ দিন জনগণের হাতে নিহিত থাকবে।নির্দিষ্ট ব্যক্তি কিংবা গোষ্ঠীর কাছে নয়। সমস্ত ক্ষমতা সর্বদা জনগণের হাতে নিহিত থাকার কারণে কখনও কেউ স্বেচ্ছাচারী-স্বৈরাচারী হতে পারবে না। সমস্ত ব্যবস্থা জনগণ দ্বারা, জনগণের পছন্দ অনুযায়ী এবং জনগণের জন্য চালিত হতে থাকবে। সঠিক অর্থে এটিই হবে ‘প্রকৃত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা’।
20. সাংবিধানিক সংশোধন জনগণের সহমত ছাড়া সম্ভব হবে না। এমন কোনো নীতিনিয়ম থাকবে না যা জনহিতকে আঘাত করবে। জনগণের সুখসুবিধা, সুরক্ষা এবং অধিকার সুনিশ্চিত করাই হবে এই ব্যবস্থার উদ্দেশ্য। এখন আমরা মতামত প্রকাশের অধিকার যেমন ৫ বছরে একবার পেয়ে থাকি, নতুন ব্যবস্থায় এই অধিকার সর্বদা জনগণের কাছে থাকবে। যদি ১০% নাগরিক কোনো নীতিনিয়ম কিংবা নেতা-নেত্রীর প্রতি অসম্মতি প্রকাশ করে তবে তা বাতিল হয়ে যাবে অথবা উক্ত পদাধিকারী পদচ্যুত হয়ে যাবে। নতুন সমাজব্যবস্থা বিষয়ক পুস্তকে বর্ণিত নতুন রাজনৈতিক মডেল অধ্যয়ন করে আপনি বিষয়টিকে গভীরভাবে বুঝতে পারবেন।
21. অভিযোগের জন্য অনলাইন পদ্ধতি থাকবে। সমস্তপ্রকার অফিসিয়াল কার্যক্রম অনলাইন পদ্ধতিতেই পরিচালিত হবে। কোনো কাজের জন্য কোথাও লাইনে দাঁড়াতে হবে না। কোথাও সুপারিশ চাওয়া-পাওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। জনগণ সরাসরি বস্তু-পরিষেবার গুনাগুণ পরীক্ষণ করতে পারবে। নিয়মনীতির সুখসুবিধা যাচাই করতে পারবে। কোনও কর্মী কিংবা কর্মের দক্ষতা-অদক্ষতার মূল্যায়ন করতে পারবে। সন্তুষ্টি রেটিং প্রদান করতে পারবে। বিভাগীয় নেতৃত্বমণ্ডলীর পাশাপাশি নাগরিকবর্গও প্রতিক্রিয়ার রেটিং যে-কোনো সময় অনলাইন পোর্টাল থেকে দেখে নিতে পারবে।
22. সফটওয়্যার সিস্টেম দ্বারা প্রদত্ত রেটিং সর্বদা গণনা হতে থাকবে। নেতা-নেত্রী, কর্মী এবং আধিকারিকবৃন্দের উপরও প্রদত্ত রেটিং-এর হিসেব বিশ্লেষণ হতে থাকবে। এই রেটিং নির্ধারণ করে দেবে উক্ত পদাধিকারী দায়িত্ব পালনের জন্য উপযুক্ত নাকি অনুপযুক্ত। যদি কোনো পদাধিকারীর রেটিং নির্দিষ্ট ক্রমাংকের নীচে নেমে যায় তবে নির্বাচন কমিশন উক্ত পদের জন্য উপযুক্ত নতুন নেতা-নেত্রী নিযুক্ত করবে। এইভাবে ‘নাগরিক সন্তুষ্টি রেটিং’ নেতৃত্ব মণ্ডলীকে নিয়ন্ত্রণ করবার ক্ষেত্রে একটি সাংবিধানিক ব্যবস্থা প্রদান করবে।
23. সার্বজনিক স্তরে বিশ্লেষণ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য সমস্ত তথ্য একটি কেন্দ্রীয় পোর্টালে সর্বদা সংরক্ষিত থাকবে। জনগণ R.T.I. (তথ্য গ্রহণের অধিকার) আবেদন প্রেরণ না করেও সমস্ত তথ্য সরাসরি ব্যবস্থার পোর্টাল থেকে গ্রহণ করতে পারবে। ফলে সরকারের সাথে সমস্ত যোগাযোগ সহজ এবং সরল থাকবে।
24. সমস্ত পদাধিকারীর নির্বাচন পরীক্ষার মাধ্যমে হবে। নেতা-নেত্রী হবার জন্যও প্রার্থীকে পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যেতে হবে। উত্তীর্ণ ব্যক্তিরাই কেবলমাত্র নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে যোগ্যতা অর্জন করবে।
25. নতুন ব্যবস্থায় একটি বিশ্ব সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে এবং তার অধীনে সশস্ত্র সেনাবাহিনী থাকবে। যখন একাধিক রাষ্ট্র নতুন ব্যবস্থাকে গ্রহণ করবে তখন সেইসব দেশের মধ্যে সীমান্ত বিবাদ স্বাভাবিকভাবেই সমাপ্ত হয়ে যাবে। এরপর কোনো দেশকে ভিন্নভাবে সেনাবাহিনী রাখার প্রয়োজন পড়বে না। এই ব্যবস্থাকে যখন বিশ্বস্তরে স্বীকার করে নেওয়া হবে তখন কালক্রমে সেনাবাহিনীর প্রয়োজনীয়তাও সমাপ্ত হয়ে যাবে।
26. সকলেই নিজের ইচ্ছে অনুযায়ী জীবিকা বদল করতে পারবে এবং স্থানান্তরিত হবার স্বাধীনতা থাকবে। মাপদন্ড কেবলমাত্র এটিই থাকবে যে তাকে উক্ত পদের যোগ্য হতে হবে। কেউ যখন নতুন জায়গায় স্থানান্তরিত হবে সেখানে বাসস্থানের ব্যবস্থা থাকবে। বাসস্থান থেকে কর্মস্থলের দূরত্ব এমন থাকবে যে কাউকে যাতায়াতকালে দীর্ঘ সময় ব্যয় করতে হবে না। সড়কে ভিড় ন্যুনতম হবে।
27. কাজের সময়সীমা ন্যুনতম থাকবে। দিনে আনুমানিক ৫ ঘণ্টা এবং সপ্তাহে ৫ দিন মাত্র। অধিকাংশ কর্ম সম্পাদন-প্রক্রিয়ার গুণগতমান নির্ধারিত থাকবে এবং সমস্ত সিস্টেম অটোমেটিক হবে। প্রযুক্তির সর্বাধিক প্রয়োগের ফলে সকলের কাছে অতিরিক্ত অবসর সময় থাকবে।
28. কাউকেই দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হবে না। সময়-শক্তি বিনষ্ট করতে হবে না। কোনোপ্রকার বিল মেটাতে হবে না। ট্যাক্স, বীমা ইত্যাদি জমা করতে হবে না। ব্যাংকে লেনদেনের ঝক্কি-ঝামেলা থাকবে না। এটি মুদ্রাবিহীন ব্যবস্থা।একথা পূর্বেই উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারি সুখসুবিধা পেতে নিজের পরিচয়পত্র অথবা দস্তাবেজ কোথাও জমা করতে হবে না। আইনি প্রক্রিয়া অত্যন্ত সরল থাকবে। ফলে সকলের পক্ষে তা পালন করাও অত্যন্ত্য সহজ হবে। সমস্ত নিয়মনীতি যুক্তিপূর্ণ হবে এবং সরল হবে। অধিকাংশ প্রক্রিয়া অনলাইন মাধ্যমে সম্পাদনের ফলে সকলেই মানসিকভাবে সন্তোষ অনুভব করবে এবং অধিক সময় জীবনযাপনের আনন্দ উপভোগ করতে পারবে।
29. জীবনকে আরামদায়ক এবং সুরক্ষিত রাখার জন্য প্রযুক্তির সর্বাধিক প্রয়োগ হবে। যেমন চাষবাসের জন্য ট্র্যাক্টর, ট্রাক, মেশিনারি কেবিন ইত্যাদি এয়ারকন্ডিশনড হবে। সমস্ত ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীর সুবিধা এবং সুরক্ষার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব থাকবে। অত্যন্ত কঠিন কর্মগুলিও প্রযুক্তির দ্বারা অতি সহজে সমাধান করা হবে। কোনো কর্মকেই হীন দৃষ্টিতে দেখা হবে না।
30. সমস্ত বস্তু উচ্চ গুণমানসম্পন্ন হবে। প্রাকৃতিক পরিবেশকে স্বাভাবিক রাখার জন্য ব্যবহৃত বস্তুকে রিসাইক্লিং করা হবে। এতে প্রাকৃতিক সম্পদের অপপ্রয়োগ হবে না। দূষণ, জলবায়ু পরিবর্তন ইত্যাদি দুশ্চিন্তা থাকবে না।
31. বিদ্যালয়, হাসপাতাল, জিম, সুইমিং পুল, পার্ক, পুস্তকালয়, সংগ্রহালয়, রেস্তোরাঁ, থিয়েটার, বিভিন্ন প্রকার ক্লাব, স্টেডিয়াম ইত্যাদি পরিষেবা উপভোগের জন্য আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন টাউনশিপ তৈরি হবে। সকল বয়সী মানুষ সম্পূর্ণরূপে জীবনের আনন্দ উপভোগ করতে পারবে।
32. সামাজিক-সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকলে ব্যক্তিগত স্তরে নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস পালনে স্বতন্ত্র থাকবে। একজনের নিয়ম পালন যেন অন্যের অসুবিধা উৎপন্ন না করে। নতুন ব্যবস্থায় ধর্মীয় রীতি-নিয়ম পালন না করবার জন্যও সকলে স্বতন্ত্র থাকবে। কেউ কাউকে বাধ্য করতে পারবে না কিংবা অপরের স্বতন্ত্রতায় আঘাত হানতে পারবে না। সামাজিক স্তরে পালনের ক্ষেত্রে ব্যক্তিকে তত্ত্ব অথবা জ্ঞানকে প্রথমে নির্দিষ্ট ফোরামে প্রমাণিত করতে হবে।
33. সমাজের জন্য উপযুক্ত কোনো বস্তু, পরিষেবা, জ্ঞান-বিজ্ঞান অথবা অন্য কোনো বিষয়ের নীতিনিয়ম সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার পূর্বে উক্ত বিষয়কে নেতৃত্ব পরিষদ, অনুসন্ধান প্ল্যাটফর্ম এবং সার্বজনিক জনাদেশের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত করে আসতে হবে। যদি কারোর কাছে কোনো সমস্যা দেখা দেয় তবে তিনি যেন ‘মুক্ত মঞ্চ’ ব্যবহার করেন। সমস্ত সমস্যার সমাধান অনুসন্ধানের জন্যই এই মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে।
34. কোনো নীতিনিয়মের বিরোধিতার জন্য মানুষকে অনশন, ধর্না, বিক্ষোভ, আন্দোলন, ধর্মঘট ইত্যাদি করতে হবে না। কোনো বিতর্কিত অথবা আপত্তিকর বিষয় সমাধানের জন্য ‘মুক্তমঞ্চ’ সর্বদা উন্মুক্ত থাকবে এবং এই মঞ্চে ব্যক্তিকে তার আপত্তি যুক্তি সহযোগে প্রমাণিত করতে হবে। যদি তিনি তার আপত্তিকে ‘মুক্তমঞ্চে’ প্রমাণিত না করতে পারেন তবে সেই আপত্তির কোনো আধার থাকবে না। জনগণের আলোচনার জন্য এই মঞ্চ ২৪ ঘণ্টা উপলব্ধ থাকবে।
35. নিজের যুক্তি প্রমাণিত না করে কোনো ব্যক্তি সরকারকে দোষারোপ করে নিজ দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারবে না। প্রতিটি ব্যক্তিকে তথ্য ও যুক্তি উপস্থাপনের পূর্ণ সুযোগ প্রদান করা হবে। এরজন্য কোনোপ্রকার বিক্ষোভ বা বিরোধ প্রদর্শনের প্রয়োজন পড়বে না। আলোচনা, অনুসন্ধান এবং জনাদেশের মাধ্যমে তা প্রমাণিত করে এক স্বচ্ছ প্রক্রিয়া দ্বারা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
36. আইন প্রণয়নের জন্য বিভিন্ন স্তরের পদাধিকারীরা প্রস্তাব উপস্থাপন করবেন। উক্ত প্রস্তাব ‘মুক্ত মঞ্চে’ ভোটদাতাদের কাছে সমীক্ষার জন্য ৩ মাস রাখা থাকবে। ন্যুনতম ১০% প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক যদি আপত্তি না তোলে তবে তা স্বাভাবিকভাবেই আইনে রূপান্তরিত হয়ে যাবে। আর যদি ১০% প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক আপত্তি তোলে তবে তা পুনরায় বিবেচনার জন্য মুক্ত মঞ্চে চলে যাবে।
37. জনগণের মাঝে আদান-প্রদানের জন্য অর্থের ব্যবহার না থাকায় আর্থিক প্রতারণা এবং অন্যান্য অপরাধের সম্ভাবনা থাকবে না। এটি এমন একটি সরল প্রক্রিয়া যেখানে সততা বজায় রাখার জন্য গোয়েন্দা ব্যবস্থার ব্যবহার ন্যুনতম হবে। ধীরে ধীরে গোয়েন্দা ব্যবস্থা বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
38. ব্যবস্থা দ্বারা জনগণকে প্রয়োজনীয় সমস্ত বস্তু-পরিষেবা বিনামূল্যে প্রদান করার ফলে কোনো অপরাধ সংঘটিত হবে না। কারণ অপরাধ থেকে অতিরিক্ত কিছুই প্রাপ্তি হওয়ার নেই। প্রতারণা, দুর্নীতি, খাদ্য পদার্থে ভেজাল মেশানো, লুণ্ঠন, শোষণ, স্বৈরাচারী, ক্ষমতার লালসা ইত্যাদি সমস্যা উৎপন্নই হবে না।
39. সমাজে জাতি, লিঙ্গ এবং ভাষা নিয়ে যা-কিছু ভেদাভেদ রয়েছে তা আপনিই বিলীন হয়ে যাবে। বিভিন্ন প্রকার ধর্ম, দেশ, সম্প্রদায়, পরিবার এবং গোষ্ঠীর মধ্যে যেসব বিবাদ রয়েছে সেসবও সমাপ্ত হয়ে যাবে। কেননা নতুন ব্যবস্থায় সমস্যার মূল কারণ নির্মূল হয়ে যাবে।
40. পরিবারের সকল সদস্য সরাসরি ব্যবস্থার সাথে যুক্ত থাকবে। যখনই তাদের কোনোকিছুর প্রয়োজন হবে তারা সরাসরি ব্যবস্থার কাছে ডিমান্ড করতে পারবে। কারোর উপর কোনো আর্থিক নির্ভরতা থাকবে না। ফলে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক থাকবে। মিথ্যা, গোপন অভিসন্ধি অথবা প্রতারণার প্রয়োজন পড়বে না। যখন কেউ অন্যের উপর নির্ভরশীল থাকবে না তখন পরস্পরের মধ্যে বিশ্বাস অটুট থাকবে। সম্পর্কগুলিও মধুর এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ হবে। এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। প্রত্যেকেই সমস্তরকম সম্পর্কের আনন্দ উপভোগ করতে থাকবে। কোনো সম্পর্কই আর্থিক কারণে সংকটের সম্মুখীন হবে না এবং কেউ মানসিক চাপ অনুভব করবে না।
41. সঠিক ব্যবস্থা থাকলে ভবিষ্যতে কখনও কোনোপ্রকার দুশ্চিন্তা এবং সমস্যা উৎপন্ন হবে না। আগামীকালের জন্য ভোজনের ব্যবস্থা, সংসার পরিচালনার ব্যয়ভার, চিকিৎসার খরচ, জীবিকার বন্দোবস্ত ইত্যাদি অনিশ্চয়তা অনুভব করবে না। এরপরও যদি কোনোপ্রকার সমস্যা উৎপন্ন হয় তবে নির্দিষ্ট বিভাগ দ্বারা দ্রুত সমাধান করে নেওয়া হবে। ফলে সকল নাগরিক সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং শান্তিপূর্ণ জীবন উপভোগ করবে।
42. নতুন ব্যবস্থায় সকল নাগরিক নিজেদের ইচ্ছে অনুযায়ী নির্ভয়ে আনন্দময় জীবনযাপন করতে পারবে। শিশু, মহিলা, প্রবীণ, প্রতিবন্ধী এবং তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিরাও নিজেদের সর্বদা সুরক্ষিত এবং স্বাধীন অনুভব করবে। কেউই অন্যের শোষণ, নিয়ন্ত্রণ অথবা বাধ্যবাধকতা অনুভব করবে না।
43. এই ব্যবস্থায় নিজের ইচ্ছে অনুযায়ী জীবনযাপনের ফলে সকলে মানসিক এবং শারীরিকভাবে সন্তুষ্ট থাকবে। সকলে সমৃদ্ধশালী জীবন উপভোগের সুযোগসুবিধা পাবে। ফলে অসুস্থ্যতা অত্যন্ত কমে যাবে। মানুষ দীর্ঘায়ু হবে।
44. নতুন ব্যবস্থায় বিত্তশালী ব্যক্তিরাও দুশ্চিন্তামুক্ত, স্বাধীন, সুরক্ষিত, অধিক বিত্তশালী তথা অধিক সমৃদ্ধশালী অনুভব করবে। জীবনকে ভোগ করবার জন্য পর্যাপ্ত সময় তাদের হাতে থাকবে। তারা পারিবারিক সুখ এবং সম্পর্কজনিত সুখ সম্পূর্ণরূপে উপভোগ করতে পারবে। অপহরণ, প্রতারণা, হত্যা, প্রতিদ্বন্দ্বিতা ইত্যাদির ভয় থাকবে না।
45. জগতে মূলত চার প্রকারের মানুষ হয়। শারীরিক স্তরের, মানসিক স্তরের, ভাবনাত্মক স্তরের এবং চেতনাত্মক স্তরের। সকল স্তরের মানুষই জ্ঞান, কর্ম, ভোগ এবং বিশ্রামের মাধ্যমে সুখী হতে চায়। নিত্যদিনের সমস্ত কর্মের পেছনে সুখী হওয়াই মূল অভিপ্রায়। জীবনের উদ্দেশ্যও তাই। আমরা অতীতে ন্যায়পূর্ণ বা অন্যায়পূর্ণভাবে যে সকল কর্ম করেছি বা করতে দেখেছি সেসবের কেন্দ্রে সুখী হওয়াই ছিল মূল উদ্দেশ্য। নতুন ব্যবস্থায় সকলের মূল উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হতে চলেছে।
***
অধিক স্পষ্টতার জন্য পক্ষে-বিপক্ষে
যুক্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ULM Bangla, ULM Hindi, ULM English সহ অন্যান্য ভাষার ইউটিউব চ্যানেলগুলিতে মুক্তমঞ্চ রয়েছে। যেখানে নিয়মিত লাইভ
আলোচনা সম্প্রচার হয়ে থাকে। ইতিমধ্যে বহু আলোচনার ভিডিও উপস্থাপন করা হয়েছে। আপনি যে স্থানে
রয়েছেন সেই স্থান থেকেই অনলাইন অনুষ্ঠানে যুক্ত হতে পারবেন। প্রশ্নকর্তা হয়ে অথবা
বক্তা হয়ে আপনার মতাদর্শ উপস্থাপন করতে পারবেন। এই মঞ্চ সকলের জন্য উন্মুক্ত। ‘সম্পূর্ণ সমাধান - নতুন সামাজিক রাজনৈতিক অর্থব্যবস্থা’ পুস্তকেও বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে।
'সম্পূর্ণ সমাধান' হল সকলের উন্নত জীবনযাপনের জন্য একটি বৈশ্বিক ব্যবস্থা। সম্পূর্ণ সমাধানের অর্থ চলমান বিশ্বে উৎপন্ন হওয়া সমস্ত সমস্যার মূল থেকে স্থায়ী সমাধান। বিশ্বস্তরের এই কনসেপ্ট প্রতিষ্ঠিত হলে বসুধৈব কুটুম্বকমের সার্থক রূপায়ন সম্ভব হবে এবং সকলের জীবন স্থায়ীরূপে সুখময় হয়ে যাবে। এই ব্যবস্থা মোট ৬’টি মডেল নিয়ে রচিত হয়েছে।
নতুন অর্থনৈতিক মডেল ➡ নতুন শিক্ষণ-প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান মডেল ➡ নতুন জীবনশৈলী ও সাংস্কৃতিক মডেল ➡ নতুন রাজনৈতিক মডেল ➡ নতুন পারিবারিক মডেল ➡ নতুন দর্শনের মডেল
https://www.youtube.com/watch?v=VqUIVLnGb64&t=3s
Republic
Day Special Live with philosopher Premjeet Sirohi & Volunteers
https://www.youtube.com/live/mfaSzUY45Qc?feature=share
Sampurna Samadhan Audio Booklet I
Bangla I সম্পূর্ণ সমাধান অডিও
বুকলেট
How is the prosperous life of all
workers possible? I সমস্ত শ্রমিকের
সমৃদ্ধশালী জীবন কীভাবে সম্ভব?
https://www.youtube.com/live/RehqnjS310s?feature=share
বিকল্প নতুন ব্যবস্থা কেন জরুরী I Why an alternative New System is
extremely necessary
https://www.youtube.com/watch?v=TXz2iDILdeI&t=23s
সত্যিই কি নতুন এবং বিকল্প ব্যবস্থার প্রয়োজন রয়েছে? I Do we really need a new and
alternative system?
https://www.youtube.com/watch?v=8FHfo3pP_7A
“সম্পূর্ণ সমাধান
- নতুন সামাজিক-রাজনৈতিক-অর্থব্যবস্থা” পুস্তকটির FREE
E-BOOK ডাউনলোড লিংকঃ
https://drive.google.com/file/d/1rjuHZNuZnuS_vXwqhRi4YmRX8HAbAIud/view?usp=drive_link
“সম্পূর্ণ জীবন
দর্শন - সুখী জীবনের অজ্ঞাত সূত্র” পুস্তকটির
FREE E-BOOK ডাউনলোড লিংকঃ
https://drive.google.com/file/d/1imrbnKBFqVxH8uHKsK_XPO2MBp5krqrv/view?usp=drive_link
‘সম্পূর্ণ সমাধান’ পেপারবুক Amazon Link:
https://www.amazon.in/dp/1685865909/ref=cm_sw_r_cp_apan_glt_fabc_YXX08DQVPKW4WQD4NDDY
‘সম্পূর্ণ সমাধান’ পেপারবুক Flipkart Link:
Subscribe ULM Bangla YouTube Channel:
https://www.youtube.com/channel/UCz5uy_BQaQUYLJQg-PN7ERw
ব্যবস্থা পরিবর্তন -
व्यवस्था परिवर्तन
Facebook Page:
https://www.facebook.com/ssbajarwb/
ULM Bangla Facebook Page https://www.facebook.com/সম্পূর্ণ-সমাধান-106139834749271/
ULM Bangla YouTube Channel: https://www.youtube.com/channel/UCz5uy_BQaQUYLJQg-PN7ERw
ULM Hindi Facebook Page
https://www.facebook.com/ulmteam2020/about/?ref=page_internal
ULM Hindi YouTube Channel:
https://www.youtube.com/channel/UCfOiDZxI7BkObjJe1qwxCqg
Join ULM Telegram Group https://t.me/+mbH6zRruJBlhYWFl
ULM Bangla ইউটিউব চ্যানেলের মুক্তমঞ্চে বক্তা হিসেবে, প্রশ্নকর্তা হিসেবে অথবা উন্মুক্ত আলোচনার জন্য সকলে আমন্ত্রিত। Contact: 98309 25502.
আমাদের প্রয়াস ভালো লাগলে লাইক-কমেন্ট-শেয়ার করতে ভুলবেন না
***

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন