নাগরিক সমাজের প্রতি আহ্বান
সুধী,
আমরা বিগত কয়েকবছর ধরে সমাজের সমস্ত সমস্যার মূল কারণ 'শনাক্তকরণ এবং নিবারণ' উভয় বিষয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা করে চলেছি। পর্যালোচনায় যা উঠে এসেছে তা হল অসম্পূর্ণ সমাজ ব্যবস্থা বা সিস্টেমই হচ্ছে সমস্ত সমস্যার মূল কারণ। আমরা সকলেই অবগত যে একটি দেশের ব্যবস্থা যত উন্নত হবে সে দেশের নাগরিক ততধিক সমৃদ্ধ-সুরক্ষিত জীবনযাপন উপভোগ করবে। চলমান অসম্পূর্ণ ব্যবস্থা সকল নাগরিকের সুখসুবিধা-সুরক্ষা প্রদানে বারংবার ব্যর্থ হয়ে চলেছে, ব্যক্তিগত এবং সামাজিক উভয় জীবনের সমস্ত ক্ষেত্রে নৈরাশ্যের দুর্ভাবনা ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে।
অসম্পূর্ণ ব্যবস্থার কারণেই নাগরিকবর্গকে ব্যক্তিগত কিংবা সংস্থাগত উদ্যোগে সমাজ-কল্যাণে সহায়তা করতে হয় এবং জীবনের মূল্যবান সময়-অর্থ-শক্তি উৎসর্গ করে যেতে হয়। একটি যথার্থ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হলে সকল নাগরিকের শিক্ষণ-প্রশিক্ষণ, জীবিকা, সুখসুবিধা, সুরক্ষা তথা সমৃদ্ধশালী জীবনযাপনের স্থায়ী বন্দোবস্ত সম্ভব হবে। প্রতিটি নাগরিকের সমৃদ্ধশালী এবং সুরক্ষিত জীবনযাপনের স্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যক্তিগত কিংবা সংস্থাগত উদ্যোগে সম্ভব নয়। যে কারণে একটি পূর্ণাঙ্গ সমাজ-ব্যবস্থা নির্মাণের উদ্যোগ অত্যাবশ্যক হয়ে পড়েছে।
বর্তমান ব্যবস্থায় কোথায় অসম্পূর্ণতা রয়েছে, অসম্পূর্ণ ব্যবস্থা কীভাবে সমস্ত সমস্যার মূল কারণ, স্থায়ী নিবারণ কীভাবে সম্ভব, ব্যবস্থা কীভাবে সমস্ত সমস্যার মূল কারণ, ব্যবস্থা কীভাবে সমস্ত সমস্যার সমাধান করবে, কীভাবে নতুন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হতে পারে, একটি পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা কেমন হওয়া উচিত, কীভাবে সকলে ব্যবস্থা রূপান্তরের সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারে ইত্যাদি আলোচনা-পর্যালোচনা আবশ্যক। অধিক স্পষ্টতার জন্য পঠন-পাঠনে আগ্রহী বন্ধুবর্গ দুটি পুস্তকের সহায়তা নিতে পারেন। প্রথমটিতে একটি নতুন দর্শনের রূপরেখা রয়েছে (সম্পূর্ণ জীবন দর্শন – সুখী জীবনের অজ্ঞাত সূত্র), দ্বিতীয়টিতে একটি নতুন ব্যবস্থার প্রস্তাবনা রয়েছে (সম্পূর্ণ সমাধান – নতুন সামাজিক রাজনৈতিক অর্থব্যবস্থা)।
সমস্ত নাগরিকের সমৃদ্ধ-সুরক্ষিত জীবনযাপনের উদ্দেশ্যে স্থায়ী ব্যবস্থাপনার উদ্যোগই প্রস্তাবিত ব্যবস্থার উদ্দেশ্য। এই ব্যবস্থায় নতুন অর্থনীতি, নতুন রাজনীতি, নতুন সমাজনীতি, নতুন শিক্ষানীতি, নতুন পরিবারনীতি এবং নতুন দর্শন সম্মিলিত রয়েছে। সহজভাবে বললে মানুষ যা শিখতে চাইবে শিখতে পারবে। যে কর্ম সম্পাদন করতে চাইবে করতে পারবে। যা ভোগ করতে চাইবে করতে পারবে। অর্থাৎ যা করতে চাইছি করতে পারছি। যেভাবে জীবনযাপন করতে চাইছি করতে পারছি। যেমন সুযোগ-সুবিধা চাইছি তেমনটি পেয়ে যাচ্ছি। যেমন সুরক্ষা-নিরাপত্তা চাইছি পেয়ে যাচ্ছি। তখনই সঠিক অর্থে বলা যাবে আমরা স্বাধীন।
নতুন ব্যবস্থা বিষয়ক পুস্তকটি অধ্যয়ন করলে পূর্বের সমস্ত ব্যবস্থার ব্যর্থতার কারণসমূহ যেমন পর্যালোচনা করতে সহজ হবে তেমনই জাতি-ধর্ম-শ্রেণী-ভাষা-সংস্কৃতি-দলমত নির্বিশেষে সকলের জন্য কী প্রকার ব্যবস্থা আবশ্যক সে-বিষয়ে সমস্ত সংশয়ের অবসান ঘটবে। প্রস্তাবিত নতুন ব্যবস্থার গঠন-প্রক্রিয়া এমনভাবে নির্মাণ করা রয়েছে যেখানে কোনো বর্গের মতবিরোধ সৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। এই ব্যবস্থা একটি নতুন দার্শনিক সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে। ফলে এটি প্রতিষ্ঠা করতে শ্রেণী সংগ্রাম, সহিংস বিপ্লব, গতানুগতিক আন্দোলন, প্রতিবাদী সমাবেশ, রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ইত্যাদি নেতিবাচক পদক্ষেপের প্রয়োজন পড়বে না। এক্ষেত্রে উল্লেখ করা আবশ্যক উপরিউক্ত পুস্তক দুটি অধ্যয়ন করলে স্পষ্টতই বুঝে যাবেন যে এই তত্ত্ব পূর্বের তত্ত্বগুলির তুলনায় ভিন্নতা রয়েছে। জীবন দর্শন এবং জীবনের মূল উদ্দেশ্যজনিত সিদ্ধান্তের দিক দিয়ে পৃথক। মনুষ্যের স্বভাব এবং প্রকারভেদজনিত দিক দিয়ে পৃথক। প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থাগত পরিকাঠামোর দিক দিয়ে পৃথক। এমনকি রূপায়ণের প্রক্রিয়াগত সিদ্ধান্তের দিক দিয়েও পৃথক।
উক্ত পুস্তক দুটি দার্শনিক প্রেমজীৎ সিরোহী মহাশয় দীর্ঘকালীন গবেষণা-পর্যালোচনার পর রচনা করেছেন। আমরা এই তত্ত্বকে ‘ব্যক্তিবাদ’ বলেও আখ্যায়িত করতে পারি। এই তত্ত্ব ব্যক্তিকে পছন্দের শিক্ষণ-প্রশিক্ষণ, পছন্দের জীবিকা, পছন্দের সুখসুবিধা এবং আবশ্যক সুরক্ষাসহ পূর্ণ স্বাধীনতা তথা পছন্দসই জীবনযাপনের দিকে অগ্রসর হয়ে নতুন ভবিষ্যতের নতুন নাগরিক হিসেবে উপস্থাপন করেছে। সংক্ষেপে আমরা এটিকে ‘সুখকেন্দ্রিক ব্যবস্থা’ বলতে পারি। জীবনের মূল উদ্দেশ্য যে সুখী হওয়া তা দার্শনিক মহাশয় "সম্পূর্ণ জীবন দর্শন - সুখী জীবনের অজ্ঞাত সূত্র" পুস্তকে বিস্তারিত বুঝিয়েছেন। মনুষ্য জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে সুখী হতে পারে, কর্ম সম্পাদনার মাধ্যমে সুখী হতে পারে এবং বস্তু-পরিষেবা উপভোগের মাধ্যমে সুখী হতে পারে। এই মাধ্যমসমূহ আমাদের নিত্যদিনের জীবনযাপনের সাথে সমাজ-ব্যবস্থার মধ্যে বাস্তবিক সমন্বয় সাধন করেছে।
এই ব্যবস্থায় চাহিদা, উৎপাদন এবং বিতরণের কাঠামো এমনভাবে গঠন করা হয়েছে যেখানে প্রতিটি নাগরিক স্বাধীন, আত্মনির্ভর এবং সমৃদ্ধশালী হয়ে উঠবে। জন্মগতভাবে সকলে সমস্ত সুখসুবিধার অধিকারী হবে। সকলে প্রকৃত গণতন্ত্র ও সমানাধিকার অনুভব করবে। বলা যায় নতুন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার বিষয়টি দেশব্যাপী এক নব্য গণজাগণের আবহ সৃষ্টি করে চলেছে। বিস্তৃত এই বিষয়টি নিয়ে একাধিক ভাষায় অনূদিত পুস্তক, আর্টিকেল, প্রশ্নোত্তর পর্বের সঙ্কলন, অডিও-ভিডিও উপলব্ধ রয়েছে। আলোচনা-সমীক্ষার জন্য অনলাইন-অফলাইন মুক্তমঞ্চ রয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রদেশে ইন্সটিটিউট, কলেজ, ইউনিভার্সিটি, বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান ছাড়াও অনলাইন মাধ্যমে নিয়মিত লাইভ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়ে চলেছে। সমস্ত প্রকার মতামত আদান-প্রদানের জন্য সকলে উন্মুক্ত। বর্তমানে বিষয়টির বৈচারিক প্রচারাভিযান চলছে। জনগণের সমর্থন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়কালে বর্তমান গণতান্ত্রিক নির্বাচনী ব্যবস্থার পদ্ধতি অনুসরণ করেই নতুন ব্যবস্থা স্থাপিত হবে।
আপনার সময় মূল্যবান, তবুও স্থায়ী সমাধানের স্বার্থে সমাজ কল্যাণের উদ্দেশ্যে অবদানে আগ্রহী হলে নতুন ব্যবস্থা বিষয়ক পুস্তকটি অধ্যয়ন করুন। পুস্তকের পিডিএফ কপি পরিচিত সকলকে প্রেরণ করে এই বৃহৎ সামাজিক কর্মে সহযোগিতা করুন।
***
পিডিএফ কপি বিনামূল্যে পেতে 9830925502 নম্বরে PDF লিখে WhatsApp করুন। অথবা নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করুন।
কাগজের পুস্তক অ্যামাজন এবং ফ্লিপকার্টে উপলব্ধ রয়েছে।
ব্যবস্থা বিষয়ক (সম্পূর্ণ সমাধান – নতুন সামাজিক রাজনৈতিক অর্থব্যবস্থা)
https://drive.google.com/file/d/1rjuHZNuZnuS_vXwqhRi4YmRX8HAbAIud/view?usp=sharing
দর্শন বিষয়ক (সম্পূর্ণ জীবন দর্শন – সুখী জীবনের অজ্ঞাত সূত্র)
https://drive.google.com/file/d/1imrbnKBFqVxH8uHKsK_XPO2MBp5krqrv/view?usp=sharing
https://drive.google.com/file/d/14Cmdr_fwhM0y8PZQ6j7iqEojn4ZS29JX/view?usp=drivesdk
ULM Bangla YouTube channel:
https://www.youtube.com/@ulmbangla
যোগাযোগ/আলোচনা/অনুসন্ধান- (WhatsApp/Call) 9830925502
***




মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন