সারাংশ

 


অধ্যায় ১৫

 

সারাংশ

এই পুস্তক সম্পূর্ণ অধ্যয়ন করার পর আমরা এই সিদ্ধান্তে অতি সহজেই পৌঁছাতে পারি এই ভেবে যে এখন আমাদের কাছে সমস্ত সমস্যার সমাধান একটি পুস্তক আকারে রয়েছে এই পুস্তক অনুযায়ী আমরা কোনো দুঃখ ছাড়াই একটি সর্বাধিক সুন্দর, সুস্থ্য এবং সুখী জীবন উপভোগ করতে পারি কারোর জন্য কোনো প্রকারের দুঃখ এই নতুন ব্যবস্থায় উৎপন্নই হবে না এবং আমাদের ইচ্ছে অনুযায়ী সমস্তপ্রকার সুখ সর্বদা প্রাপ্ত হতে থাকবে অর্থাৎ আমরা যে কোনো জ্ঞান, কর্ম এবং ভোগ অরিরত উপভোগ করতে থাকব কোনোপ্রকার সুখ প্রাপ্তির জন্য মানুষের জীবনে এই তিন প্রকার বিষয়ই রয়েছেসকল প্রকার সুখ এই তিন প্রকার মাধ্যম দিয়েই আমরা প্রাপ্ত করতে পারি

 

সম্পূর্ণ সমাধান জানার পর এই প্রশ্ন উদয় হওয়া উচিত যে আমরা সম্পূর্ণ সমাধান ব্যবস্থা কি অন্যের জীবনে দেখতে চাই? যদি না চাই তবে এই প্রসঙ্গ এখানেই সমাপ্ত হয়ে যাক। এরপর কেউ বলতে পারবে না ভাই আমি তো চাই সকলের জীবন সুখের হোক কিন্তু কোনো সমাধান তো আমাদের কাছে নেই, সুতরাং আমি কি করতে পারি? এবার মানুষকে স্পষ্ট করে বলতে হবে যে তারা কোন দিকে রয়েছে তারা সকলের জন্য সুখ চায় কিনা যদি চায় তবে হ্যাঁ বলতে হবে এবং যদি না চায় তবে স্পষ্ট করে না বলতে হবে যদি সুখী হবার পক্ষে অধিক সমর্থন হয় তবে এই ব্যবস্থাকে বাস্তবায়নের কর্ম শুরু করা হবে যদি সুখী না হবার পক্ষে অধিক সমর্থন আসে তবে এই ব্যবস্থাকে বাস্তবায়নের জন্য কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন নেই এবার এই ব্যবস্থার বার্তা বিভিন্ন মাধ্যম দ্বারা সকল ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের প্রথম লক্ষ্য

 

দ্বিতীয় লক্ষ্য তখনই প্রারম্ভ হবে যখন সুখী হবার পক্ষে সর্বাধিক সমর্থন আসবে দেখা যাক কোন পক্ষের মতামত সর্বাধিক হয় আমার বোধ অনুযায়ী সুখী হবার পক্ষে সর্বাধিক ভোট শীঘ্রই এসে যাবে এরপর এই ব্যবস্থাকে বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া কী হবে তার উপরেও একটি পুস্তক রচনা করব যার মাধ্যমে আপনারা জানতে পারবেন আমরা কীভাবে বর্তমান ব্যবস্থা থেকে নতুন ব্যবস্থায় পরিবর্তিত হব তবে আমি একটি কথা এখনই বলে দিতে চাই বর্তমান ব্যবস্থা থেকে নতুন ব্যবস্থায় পরিবর্তিত হতে কোনো ব্যক্তির কোনোপ্রকার সমস্যা হবে না কারোর সাথে কারোর লড়াই হবে না, এমনকি কাউকে কোনো রকম বাধ্যও করা হবে না ব্যবস্থার পরিবর্তন কেবলমাত্র সেইসব ব্যক্তিদের নিয়েই হবে যারা নতুন ব্যবস্থা অনুযায়ী জীবন-যাপন করতে চায় যারা পুরনো ব্যবস্থায় অথবা অন্য কোনো ব্যবস্থায় জীবন-যাপন করতে চায় তারা নিজেদের জন্য আলাদা কোনো ব্যবস্থা তৈরি করে জীবন-যাপন করতে পারবে যেন একে অপরের সাথে কোনো রকমের সমস্যা উৎপন্ন না হয়অর্থাৎ নতুন ব্যবস্থা সকলকেই পরম স্বাধীনতা প্রদান করবে সম্পূর্ণ সমাধান ব্যবস্থার সাথে জীবন-যাপন করে সকলের এমন অনুভব হবে যেন তারা সব সময়ের জন্য পরম স্বাধীন রয়েছে কখনই কোনো প্রকারের দাসত্ব অনুভব করবে না

 

***


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

রাষ্ট্র ব্যবস্থায় যে অধিকারগুলো জন্মগতভাবে থাকা জরুরী

কিউবার ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের কারণ কী?

ব্যবস্থাগত অসম্পূর্ণতা নাকি নেতৃত্বের ব্যর্থতা?