ULM প্রশ্নোত্তরীঃ রাজনৈতিক মডেল

 

রাজনৈতিক মডেল

২১. গণতন্ত্রের বর্তমান মডেল এবং গণতন্ত্রের নতুন মডেলের মধ্যে মুখ্য পার্থক্য কোথায়?

বর্তমানে যে মডেল চলছে সেখানে ভোটাধিকারের ক্ষমতা ৫ বছরে একবার পাওয়া যায় সেও মাত্র মিনিটের জন্য নাগরিক সেখানে অন্য কাউকে প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করে দেয়অর্থাৎ নিজের ক্ষমতা অন্য কারোর হাতে ন্যস্ত করে দেয় বলা যায় সকল প্রকার ক্ষমতাই অন্যের হাতে ন্যস্ত করে দেয় একদিকে যেমন জনগণকে শাসন এবং নীতিনিয়ম নির্ধারণ করার ক্ষমতা প্রতিনিধির হাতে চলে যায়, অন্যদিকে নিজেদের পছন্দ/অপছন্দের ক্ষমতাও হস্তান্তরিত হয়ে যায় অর্থাৎ, কোনটা আমাদের জন্য ভালো, কোনটা মন্দ, পছন্দ কীসে হবে কীসে হবে না সকল বিষয় আপনি জানেন সবকিছু আপনিই নির্ধারণ করুন এভাবে দুই ধরনের ক্ষমতাই আমরা অন্যের হাতে তুলে দিই

সম্পূর্ণ সমাধান ব্যবস্থার রাজনৈতিক মডেলে সমস্ত ক্ষমতা ২৪ ঘন্টা জনগণের মধ্যে নিহিত থাকবে কীভাবে থাকবে চলুন তা বুঝে নিই দুরকম ক্ষমতা থাকবে, একটি হলো কর্মের প্রতিনিধিত্ব করা নেতারা নীতি নির্ধারণ করবেন বলা যায় তাঁরা নিয়মনীতি প্রণয়ন করবেন; কেননা তাঁদের নেতৃত্ব বিষয়ে যেমন জ্ঞান থাকবে তাঁরা তেমন প্রকার কর্মে দক্ষ হবেন যাঁদের যে ধরণের জ্ঞান থাকবে তাঁরা সেই ধরণের বিশেষজ্ঞ। এই কর্ম তাঁরা করবেন এটিকে কোনোভাবেই ক্ষমতা বলা যায় না তাই তাঁরা নিয়মনীতি নির্ধারণ করতে পারবেন এবং নীতিনিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন নীতিমালা প্রণয়নের পর ৩ মাস তা পাবলিক ফোরামে প্রস্তাবনা হিসেবে রাখা থাকবে। পাবলিক ফোরামে যদি ৯০% ইতিবাচক ভোট আসে তবে ধরে নেওয়া হবে জনগণ উক্ত নীতিকে গ্রহণ করেছে এরপর সেই নীতি প্রযোজ্য হবে। এমনকি সেই নীতি প্রয়োগের পরও ভোট প্রদানের অধিকার সর্বদা খোলা থাকবে। যদি সেই নীতির কারণে কখনো কোনো ক্ষতি হয় এবং ১০% নেতিবাচক ভোট আসে, তবে উক্ত নীতি বাতিল বলে গন্য হবেএইভাবে সমস্ত ক্ষমতা সর্বদা জনগণের হাতে ন্যস্ত থাকবে যা বর্তমান ব্যবস্থায় নেই।

বর্তমান ব্যবস্থায় নিজেদের ক্ষমতা অন্যের হাতে তুলে দিয়ে ৫ বছরের জন্য আমরা ক্ষমতাহীন হয়ে যাইএরপর ওই সকল ব্যক্তিরাই আমাদের ভাগ্য নির্ধারণ করেন। নীতিনিয়ম তারাই তৈরি করেন এবং প্রয়োগও তারা করেন এমনকি কিসে আমাদের পছন্দ হবে কীসে হবে না ইত্যাদি বিষয়ও তারাই নির্ধারণ করেন এসব বিষয় নিয়ে তারা পাঁচ বছরেও একবার জিজ্ঞাসা করতে আসেন না। সুতরাং সামগ্রিকভাবে আমাদের কাছে কোনো ক্ষমতাই থাকে না বলা যায় আমরা নিজের হাত নিজেরা কেটে ফেলি। যার ফলাফল আমরা বাস্তবে দেখছি রাজনৈতিক দল এবং বিত্তশালীরা একত্রিত হয়ে জোট গঠন করে ফেলে তারা নিজস্ব সুবিধা অনুযায়ী নীতিমালা তৈরি করে এবং ঐশ্বর্যপূর্ণ জীবনযাপন করে। নিজেদের বেতনও ২ লাখ থেকে ৫ লাখ পর্যন্ত করে রেখেছেপাশাপাশি সমস্ত সুযোগ সুবিধা বিনামূল্যে ভোগ করে চলেছেএবার আপনিই বলুন, যে-দেশের নাগরিকের কাছে কর্মসংস্থান নেই, থাকলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ, সেখানে নেতাদের বেতন ২ লাখ থেকে ৫ লাখ, সাথে অন্যান্য সুখসুবিধা নেবার কী অধিকার রয়েছে? এই অধিকার তো জনগণ দেয়নি তারা নিজেরা সংসদে গিয়ে এই অধিকারের ব্যবস্থা করে নিয়েছে এ তো ঠিক নয়, তাই না? তাহলে ঘরে যিনি অভিবাবক, ধরে নিন পিতা অথবা মাতা, তারা নিজেদের জন্য সমস্ত সুখসুবিধার বন্দোবস্ত করে নিচ্ছে, নিজেরা ফল, জুস, মদ্যপান, আমোদ-প্রমোদ করছে, নিজেরা যেমনভাবে জীবনযাপন করতে চায় তেমনভাবে জীবন কাটাচ্ছে অপরদিকে জনগণের সন্তানদের জন্য, স্ত্রীর জন্য, বৃদ্ধ পিতা-মাতার জন্য মাত্র দু-মুঠো চাল বা আধখানা রুটির যোগান এটি কীসের ন্যায় হল? অর্থাৎ সরকার যদি কাউকে প্রতি কেজি দুই টাকা দরে চাল দেয় তাতেই বা কী লাভ হয়? এটি কোনো ব্যবস্থা হল? এটিকে আমরা প্রকৃত ন্যায় বলতে পারি? এটি কি গণতন্ত্র? নাকি গণতন্ত্রের নামে তামাশা? গণতন্ত্র তো নয় বরং এটি লুণ্ঠনতন্ত্রের মতো হয়ে গিয়েছে এটি একরকম স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থাএটিকে দলীয় তন্ত্রও বলা যেতে পারে এমন ব্যবস্থায় ক্ষমতা একটি দলের হাতে থাকেপ্রতি পাঁচ বছর অন্তর মানুষ একজনকে ভোট দিতে বদ্ধপরিকর থাকে বলা যায় বাধ্য থাকে কোনো দলকেই কেউ ভোট দিতে চান না এমনটি কিন্তু হয় না কোনো না কোনো দলকে দিতেই হবে। ব্যবস্থা এমন করেই তৈরি করা হয়েছে ক্ষমতা সর্বদা একটি দলের কাছেই থাকবে যদি তাই হয় তবে তো এটি দলীয় ব্যবস্থা, গণতন্ত্র নয়। আমরা যে প্রস্তাব উপস্থাপন করছি তা সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক, সেখানে ক্ষমতা ২৪ ঘণ্টাই জনগণের কাছে থাকবেকোন পদাধিকারীকে রাখবে কিংবা রাখবে না তা সর্বদা জনগণই নির্ধারণ করবে। এই ব্যবস্থায় শেষ পর্যন্ত জনগণই নীতিনিয়ম কার্যকরী করার অন্তিম সিদ্ধান্ত নেবে অর্থাৎ সেই নিয়ম নাগরিকের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়েছে কিনা তা জনগণই ঠিক করবেএকজন নেতার কাজ হবে দক্ষতা এবং জ্ঞানকে ব্যবহার করে জনস্বার্থে নিজের সেরা প্রস্তাব উপস্থাপন করা


২২. আপনার নতুন রাজনৈতিক মডেল সম্পর্কে সংক্ষেপে কিছু বলুন?

নতুন রাজনৈতিক মডেলে যারা নেতা হবার জন্য প্রার্থী হবেন তাদের পরীক্ষা হবে। অর্থাৎ নির্বাচনের পূর্বে প্রার্থী বাছাই করার জন্য পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। যেভাবে আইএএস ইত্যাদি পরীক্ষা হয়ে থাকে তেমনভাবে নেতৃত্ব পর্ষদের জন্যও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমত, এই পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হবেন তারাই শুধুমাত্র প্রার্থী হিসেবে আবেদন করতে পারবেন, সকলে নয় মুক্ত ব্যবস্থা থাকলে তো যার সেই বিষয়ে জ্ঞান নেই সেও আবেদন করতে থাকবে

এই পরীক্ষা কীসের ভিত্তিতে নেতৃত্ব মণ্ডলীর যোগ্যতা যাচাই করবে, এর জন্য আপনাকে প্রথমে মানুষের চেতনা এবং শ্রেণীবিভাগকে বুঝতে হবে, যা আমি বিস্তারিতভাবে সম্পূর্ণ সমাধান পুস্তকে বর্ণনা করেছি দ্বিতীয়ত, এখানে একটি মুখ্য নির্বাচন কমিশন থাকবে যা সরকার গঠনের প্রক্রিয়াকে সম্পন্ন করবে। এই ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দলগুলোর কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। নির্বাচন প্রক্রিয়া বুঝে নেবার পূর্বে আমাদের প্রশাসনিক ক্ষেত্রের বিভাজনকেও বুঝতে হবে। প্রায় ২ থেকে ৫ লক্ষ নাগরিকের জন্য সমস্ত সুবিধাসম্পন্ন আবাসিক ক্ষেত্রকে নগরের সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে ধীরে ধীরে সমগ্র ভারতে এইরকম নগর স্থাপন করা হবে সমস্ত নগরের ক্ষেত্রে সুবিধা এবং সংরক্ষণ একইরকম থাকবে ২০টি নগর মিলে ১টি জেলা বিবেচিত হবে। একইভাবে ২০টি জেলাকে নিয়ে ১টি রাজ্য হিসেবে বিবেচিত হবে এবং ২০টি রাজ্য মিলে ১টি দেশ হিসেবে বিবেচিত হবে। একইভাবে সব দেশ মিলে ১টি বিশ্ব হিসেবে বিবেচিত হবে।

নগর পর্যায়ে নির্বাচনের জন্য চেতনাত্মক স্তরের মানুষদের ক্ষমতায়ন করা হবে। প্রতিটি ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ১০ জন যোগ্য আবেদনকারীকেই নির্বাচনের জন্য রাখা হবে। তাদের মধ্য থেকে জনগণ ৫ জন নেতা নির্বাচন করবে। উদাহরণস্বরূপ ২ লাখ পর্যন্ত জনসংখ্যার জন্য ১০ জন নেতার মধ্যে ৫ জন নির্বাচিত হবে অর্থাৎ একটি নগরের জন্য ৫ জন নেতা। কেবলমাত্র নগর পর্যায়ের নেতারাই জনগণের ভোটে নির্বাচিত হবে। নির্বাচিত নেতাদের দ্বারা জেলা পর্যায়ের ৫ জন নেতা নির্বাচিত হবে এরপর জেলাস্তরের নেতাদের দ্বারা রাজ্য পর্যায়ের ৫ জন নেতা নির্বাচিত হবেএকইভাবে রাজ্য স্তরের নেতারা দেশের জন্য ৫ জন নেতাকে বেছে নেবেন শেষে একইভাবে সব দেশের নেতাগণ মিলে বিশ্বের জন্য ৫ জন নেতা বাছাই করবেন অথবা প্রতিটি দেশ থেকে একজন নেতা বিশ্ব সরকারের জন্য নির্বাচিত হতে পারেন। প্রতিটি স্তরে ৫ জনের মধ্যে ১ জন প্রধান এবং ৪ জন সহকারী নেতা থাকবেন

সাধারণত সকল নেতার মেয়াদ ৫ বছরের হবেএই প্রণালীতে নেতা নির্বাচন নিচের থেকে উপরের দিকে থাকবে এবং ব্যবস্থা উপর থেকে নিচ পর্যন্ত থাকবে। অর্থাৎ মুখ্য সংবিধান বিশ্বস্তরের নেতাদের দ্বারা রচনা কিংবা সংশোধন করা হবে এই পদ্ধতি অনুযায়ী অন্যান্য স্তরের ব্যবস্থা পরিকল্পিত হবে বিশ্ব সরকার তার স্তরের কাজ করবে এবং দেশগুলির সরকারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে থাকবে এবং তাদের কাজ পর্যবেক্ষণ করতে থাকবে। দেশের সরকার তার কার্যাবলীর পাশাপাশি রাজ্য সরকারগুলিকে নির্দেশনা দেবে এবং তাদের কাজের পর্যবেক্ষণ করবে একইভাবে নগর পর্যন্ত চলবে। সুতরাং নির্বাচন হবে নিচ থেকে উপরে এবং শাসন হবে উপর থেকে নিচে। এতে সর্বদা ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় থাকবেচূড়ান্ত নিয়ন্ত্রণ সর্বদা জনগণের হাতেই নিহিত থাকবে।

নতুন ব্যবস্থায় প্রতিটি মানুষ নিজ সুখের জন্য সর্বদা সন্তুষ্টি রেটিং দিতে থাকবে। যদি ব্যবস্থার কারণে কখনো কেউ দুঃখ পান তবে তিনি রেটিং দ্বারা মতামত ব্যক্ত করতে পারবেন যা সকল নাগরিক যখন খুশি ইন্টারনেট থেকে দেখতে পারবেএমন অবস্থায় সরকারকে অবিলম্বে সেই দুঃখের কারণ দূর করতে হবে। এই মানদণ্ডের ভিত্তিতে সরকারের পদক্ষেপের অবস্থান বোঝা যাবে যে সরকার কতটা সফল হয়েছে এছাড়া নাগরিক ব্যবস্থার সাথে যে কোনও আদান-প্রদান করবার সময়ই নিজেদের সন্তুষ্টি রেটিং প্রদান করতে পারবে শূন্য থেকে ১০ অবধি স্কেল থাকবে যেখানে রেটিং ৫ হলে বোঝা যাবে আপনি সন্তুষ্ট। ৫ -এর উপরে যত রেটিং আসবে তাতে জানা যাবে সেই পণ্য বা পরিষেবা ব্যবহার করে আপনার প্রসন্নতা বৃদ্ধি পাচ্ছে একইভাবে ৫ -এর নিচে রেটিং যতই নামবে তার অর্থ হবে আপনি অসন্তুষ্টযদি আপনি কোনো রেটিং প্রদান না করেন তবে আপনার দিক থেকে ৫ ডিফল্ট রেটিং ধরে নেওয়া হবে এই সন্তুষ্টি রেটিং থেকেই নেতা এবং তাদের সঙ্গে কর্মরত ব্যক্তিদের পারফরম্যান্স রেটিং বের করা হবে। একইভাবে অন্যান্য কর্মচারীদের রেটিংও বের করা হবে। এর জন্য একটি বিশেষ বিভাগ থাকবে যারা অ্যালগরিদম সিস্টেমের মাধ্যমে সন্তুষ্টি রেটিং দ্বারা সমস্ত পদাধিকারী ব্যক্তির কর্মক্ষমতার রেটিং গণনা করবে এর সাথে যুক্ত আনুষঙ্গিক নীতিনিয়ম, সিদ্ধান্ত এবং আউটপুটের ম্যাপিং প্রথমেই সুনির্দিষ্ট করে নেওয়া হবে যদি পারফরম্যান্স রেটিং নির্দিষ্ট স্তরের নিচে নেমে যায় তবে উক্ত নেতানেত্রী, ম্যানেজমেন্ট এবং নেতৃত্বমণ্ডলী সম্পর্কে প্রশ্নচিহ্ন এসে যাবে এই রেটিং -এর অবস্থান দেখেও নেতানেত্রী ব্যাপারটা গুছিয়ে না নিলে বড় ধরণের প্রশ্ন উঠবে। সেই সমস্যা সমাধানের জন্য উচ্চ পর্যায়ের নেতারা অনুসন্ধান করবে যে কোথায় সমস্যা রয়েছে, কেন সমাধান হচ্ছে না ইত্যাদিনেতিবাচক কর্মক্ষমতায় উক্ত ব্যক্তি পদচ্যুত হয়ে যাবেন এবং সেইস্থানে উপযুক্ত দ্বিতীয় ব্যক্তির প্রস্তাবনা পেশ করা হবে। সুতরাং যে পদাধিকারী ব্যক্তিরই নেতিবাচক পারফরম্যান্স রেটিং আসবে তারা সকলেই প্রশ্নের আওতায় আসবে। প্রশাসনিক ব্যবস্থাও এমনভাবে চলবে যেন জনগণের কাছেই ক্ষমতা থাকে। জনসাধারণের সন্তুষ্টি রেটিং দ্বারা সমস্ত পদের নিয়ন্ত্রণ চলতে থাকবে


২৩. আপনি বলছেন নেতাদের চয়ন হবে পরীক্ষা এবং নির্বাচনের মাধ্যমে পরীক্ষা দ্বারা কোনো ব্যক্তির নেতৃত্ব ক্ষমতার যোগ্যতা নির্ধারণ করা কীভাবে সম্ভব?

এটি সম্ভব উক্ত ব্যক্তির নেতৃত্ব গুণাবলী আছে কিনা তা পরীক্ষা করা হবে। এজন্য পরীক্ষার মাধ্যমে সবকিছু স্পষ্ট হয়ে যাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে যে কারও সামর্থ্য নির্ণয় করা যায়, যেমন করে বর্তমানে অনেক ক্ষমতার মূল্যায়ন করা হয়ে থাকে যেমন কেউ সফটওয়্যার তৈরি করতে পারে কিনা তা পরীক্ষা করতে তাকে সফটওয়্যার সংক্রান্ত পরীক্ষা দিতে হয় তাকে সফটওয়্যার সম্পর্কিত প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয়, কোড লেখানো হয়, এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। যদি সেই কোড রান করে তাহলে বোঝা যায় সে কোডিং জানে নেতৃত্বের পরীক্ষাও একইভাবে হবে এক্ষেত্রেও অনেক ধরনের প্রশ্ন থাকবে যার মধ্যে বিভিন্ন দৃশ্যকল্প উপস্থাপন করা হবে এবং দেখা হবে পরীক্ষার্থী সেই পরিস্থিতিতে সমস্যাগুলি সমাধানের জন্য কী নীতি তৈরি করে এবং কী সিদ্ধান্ত নেয়। দেখা হবে সেই ব্যক্তির জীবন দর্শন সম্পর্কে এবং ব্যবস্থার বিভিন্ন মাত্রা সম্পর্কে কতটা বোধ আছে নেতৃত্বের জন্য প্রয়োজনীয় বিষয়গুলির জ্ঞান থাকা অনিবার্য, দেখা হবে সেই বিষয়ে প্রার্থীর মধ্যে কতটা দখল আছে, সেটা পরীক্ষা করে যাচাই করা হবে, যাতে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় যে সেই ব্যক্তি নীতি নির্ধারণ করতে সক্ষম কিনা। যদি সেই ব্যক্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় তাহলে তিনি নির্বাচনে দাঁড়ানোর সনদ পাবেন।


২৪. আপনার কাছে নেতৃত্বের পরিভাষা কী?

যে কাজই হোক না কেন, প্রতিটি কাজেরই একটা নিজস্ব ফ্রেম থাকে, একটা পরিধি থাকে। এখানে পরিধির অর্থ হচ্ছে কী ধরনের রুচি থাকবে, কী ধরনের দক্ষতা থাকবে, কী ধরনের ব্যবস্থা থাকবে, কী কী বিষয়ে জ্ঞান প্রয়োজন হবে, কী ধরনের গবেষণা অবলম্বন করা হবে, কোন কোন মানুষের ওপর সেই কাজের প্রভাব থাকবে ইত্যাদি। প্রতিটি ফ্রেম চালানোর জন্য নেতাদের প্রয়োজন হবে এবং সেই ফ্রেমের অধীনে যে সমস্ত ব্যবস্থা আসে সেই সমস্ত ব্যবস্থার বোধ থাকা এবং যাদের নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা আছে তাকেই নেতা বলা হবে। তার জানা উচিত যে পরিবর্তনটি কোথায় কার্যকর হবে যদি কোনো সমস্যা দেখা দেয় তা কোথায় উৎপন্ন হচ্ছে, কোথায় কী বিষয় যুক্ত আছে, সে দেখতে পাবে কী না পার্থক্যটা সেরে যাবে, আর সেও জানতে পারবে কোন সমস্যাটা তার দক্ষতার মধ্যে রয়েছে বা দক্ষতার বাইরে রয়েছে, এমনতর ক্ষমতা থাকলে নীতি নেতৃত্ব দানের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন

সেই পরিসীমার মধ্যে তিনি দিশা নির্দেশ দিতে সক্ষম, দায়িত্ব পালনে সক্ষম, সেই অবধি তিনি পরিচালনা করতে সক্ষম, কোনো সমস্যা দেখা দিতে দিলে তিনি সেই পরিসীমার সমস্যা বুঝে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম এবং সেই পরিসীমার অবিলম্বে তার জন্য সঠিক পদক্ষেপ নিতে সক্ষম হয়। এছাড়া যদি তিনি নিজের সাথে সম্পর্কিত মানুষজনদের সন্তুষ্ট করতে সক্ষম হন তবে তিনি একজন প্রকৃত নেতা।

এসব তার ক্ষমতা, উপরোক্ত বিষয়গুলি হচ্ছে তার উপসর্গ সর্বোপরি কাজের পারফরম্যান্স দেখেই বাকি সব জানতে প্যারা যাবে। যদি তার পারফরম্যান্স সন্তোষজনক হয় তবে সেই ব্যক্তি সেই কাজের জন্য যোগ্য। এমনও হতে পারে যে তিনি কোনোভাবে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে গেলেন, যা কিছু করে, তবে তার পারফরম্যান্স দেখেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়ে যাবে সুতরাং এখানে ডাবল চেক রয়েছে এক, যখন তিনি পরীক্ষা দেবেন, দ্বিতীয়, কখন যখন তিনি কাজ করবেন এবং সেই কাজের পারফরম্যান্স রেটিং আসবে।


২৫. আপনার মত অনুযায়ী স্বাধীনতা কী?

আমার মতে স্বাধীনতার অর্থ হচ্ছে আপনি যেভাবে চান সেভাবে জীবনযাপন করা যদি আপনি নিজের পছন্দ অনুযায়ী জীবনযাপন করতে সক্ষম হন তবে সেটিই হবে আপনার পরম স্বাধীনতা। স্বাধীনতার অর্থ হচ্ছে আমরা যেমন শিক্ষা গ্রহণ করতে চাইছি তা পেয়ে যাচ্ছি, যখন চাইছি তখনই পেয়ে যাচ্ছি, যতটা চাইছি তততাই পেয়ে যাচ্ছি যখন চাকরি বা জীবিকা চাইছি তখনই পেয়ে যাচ্ছি, যতটা কাজ করতে চাইছি ততটা পেয়ে যাচ্ছি যা সুখসুবিধা এবং পণ্য/পরিষেবা চাইছি তা পেয়ে যাচ্ছি, যতটা চাইছি ততটাই পেয়ে যাচ্ছি, যখন চাইছি তখন পেয়ে যাচ্ছি সব মিলিয়ে আপনি যেমনভাবে জীবনযাপন করতে চান যদি তেমনভাবে জীবনযাপন করতে পারেন তাহলে আপনি ১০০% স্বাধীন স্বাধীনতা অর্থ পূর্ণ স্বাচ্ছন্দ্য আপনার কাছে রয়েছে অর্থাৎ sky is the limit বা space is the limit. এর অর্থ যতখানি পরিধি আপনার চাই ততটুকু পরিধি আপনি জীবন-যাপনের জন্য পেয়ে যাচ্ছেন, তাহলে সেটিই হবে আপনার পরম স্বাধীনতা। এর চাইতে অধিক স্বাধীনতা কেউ চায় না এবং এর চাইতে অধিক স্বাধীনতা বাস্তবে নেইও থাকলেও তা আপনার কাজে আসবে না। যেমন ধরুন একজন মানুষ চারটি রুটি খায়, দেখতে হবে সে যেন চারটি রুটি পেয়ে যায়, এটিই হবে তার জন্য জরুরী স্বাধীনতা আপনি ২০টি রুটি রেখে দিলেও তার কোনো অর্থ দাঁড়াচ্ছে না স্বাধীনতার অর্থ পরম স্বাচ্ছন্দ্য অথবা পরম পরিধি আপনি যতটা সুখী হতে চান ততটা সুখী হতে যা কিছু প্রয়োজন, যতটা পরিমাণে প্রয়োজন, ততটা যেন আপনি পেয়ে যান এবং যখন চাইছেন তখনই পেয়ে যাচ্ছেন তবেই তা পরম স্বাধীনতা হবে এটিই সকলের ইচ্ছে এই পরিমাণ স্বাধীনতাই প্রতিটি মানুষ চায়


২৬. আপনি কীভাবে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হলেন যে নতুন ব্যবস্থায় স্বৈরাচারী হবার কোনো সম্ভাবনা থাকবে না?

নতুন ব্যবস্থায় স্বৈরশাসক হবার সুযোগ নেই কারণ জনগণের দেওয়া সন্তুষ্টি রেটিং থেকে যে কারোর পারফরম্যান্স রেটিং বেরিয়ে আসবেনেগেটিভ রেটিং হলে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠবে। নেতিবাচক পারফরম্যান্স থাকলে পদ চলে যাবে তারপর জনগণও যে কোনো সময় নেতিবাচক ভোট প্রদান করে যে কাউকে পদচ্যুত করতে পারে। এইভাবে মূল ক্ষমতা জনগণের হাতে থাকবেসুতরাং অত্যাচারী হওয়ার সুযোগ নেই। এমন ব্যবস্থায় কেউ কীভাবে স্বৈরাচারী হবে? পুলিশ বা অন্য পদাধিকারী সকলকেই ব্যবস্থার কাছে জবাবদিহি করতে হবে, কোনো নেতার কাছে নয়। প্রথমত, ক্ষমতাকে যেভাবে ২৪ ঘণ্টা জনগণের হাতে প্রদান করা হয়েছে সেখানে কেউ কোনো স্তরেই স্বৈরাচারী হতে পারবে না। বলা যায় এমনটি হবার সম্ভাবনেই নেই দ্বিতীয়ত, সকল কার্যক্রম অনলাইনে হবে। সবকিছুই স্বচ্ছ হবে, সবই জনগণের সামনে রাখা থাকবে নীতিপ্রণালী যখন প্রণয়ন করা হবে তখন তা কেন করা হচ্ছে সেই সংক্রান্ত আলোচনা, কথোপকথন, গবেষণা, ইত্যাদি তথ্যসহ সকল রেকর্ডিং পাবলিক ফোরামে থাকবে। সেসব তথ্য যে কেউ যে কোনো সময় দেখতে পারবেসবকিছু অনলাইনে থাকবে আলাদা করে কাউকে আর.টি.আই (R.T.I.) ফাইল করার প্রয়োজন হবে না কোথাও কিছু আবরণ বা গোপনীয়তা থাকবে না ফলে সামান্যতম হিটলারী শাসনও কেউ চালাতে পারবে না প্রথমত, এমন করার প্রয়োজন নেই; দ্বিতীয়ত, কেউ চেষ্টা করলেও সম্ভব হবে নাযেখানে সামান্যতম অপরাধের সম্ভবনেই নেই সেখানে স্বৈরাচারী অপরাধ তো গুরুতর অপরাধ বলা যায় জঘন্য অপরাধ।


 ২৭. নতুন মডেলে কার্যপালিকা এবং বিধায়কদের কী ভূমিকা থাকবে, এটি কি বর্তমান মডেল থেকে ভিন্ন হবে?

এটি বর্তমান মডেল থেকে ভিন্ন হবেঅর্থাৎ এখানে কার্যপালিকা এবং বিধায়ক/বিধায়িকার মত ভিন্ন কোনো বিভাজন নেই। নতুন ব্যবস্থায় যে নেতানেত্রীগণ নীতি নির্ধারক হবেন তারা যেমন ব্যবস্থার তত্ত্বাবধান করবেন তেমনই শাসন ব্যবস্থাপনার কাজও করবেনতাদের অধীনে বেশ কয়েকটি বিভাগ থাকবে যারা বিভিন্ন কাজের জন্য দায়ী থাকবে। নেতাদের নির্বাচনী ক্ষেত্রে কমই যেতে হবে, কারণ বিভিন্ন বিভাগ থেকে সমস্ত তথ্য তারা অনলাইনে পেয়ে যাবে। নির্বাচনী এলাকায় তো তারা অন্য লোকদের পাঠাবেন যারা সবার পারফরমেন্স পর্যবেক্ষণ করবেন, সবকিছুর উপর নজর রাখবেন। অনলাইন সিস্টেমেও সমস্ত তথ্য ভিজ্যুয়ালাইজ হতে থাকবেতাদের তদারকি করা এবং নীতি নির্ধারণ করা কার্যপালিকার কাজ হবে প্রতিটি পদাধিকারী এবং বিভাগের নিজস্ব কাজ থাকবে। প্রতিটি ইউনিট কিছু না কিছু উৎপাদন বা পরিষেবা প্রদান করবে তাই সার্বিকভাবে প্রশাসনের দায়িত্ব নেতৃবৃন্দের ওপর বর্তাবে এবং যে কোনও প্রকার ব্যবহারিক সমস্যা দেখা দিতে পারে সে সম্পর্কে তারা পূর্বেই সচেতন থাকবে। এতে যা হবে এমন কোনো নীতিনিয়ম তারা তৈরি করবে না যা অব্যবহারিক হবে কেননা প্রশাসনিক দায়িত্বও তাদের উপর থাকায় অবাস্তব নিয়ম তারা তৈরি করবে না


২৮. নতুন মডেলে ন্যায়পালিকার কী ভূমিকা থাকবে, এটি কী বর্তমান মডেল থেকে ভিন্ন হবে?

কিছু ক্ষেত্রে বর্তমান মডেলের মতো এবং কিছু ক্ষেত্রে নতুন হবেনতুন মডেলে বিচার বিভাগ একটি তত্ত্বাবধায়ক সংস্থারূপে থাকবেনতুন মডেলে একে বলা হয়েছে সাংবিধানিক পরিষদ। যেমন বিধায়িকা (আইনসভা) এবং কার্যপালিকাকে (নির্বাহী) যৌথভাবে নেতৃত্ব পরিষদ বলা হয়েছে তেমনি বিধায়িকাকে সাংবিধানিক পরিষদ বলা হয়। এই বিভাগ পুরো নেতৃত্বের তত্ত্বাবধান করবে ব্যবস্থা ঠিকমতো চালিত হচ্ছে কিনা এবং সঠিক আছে কিনা সেদিকে নজর রাখবে, কোনো সমস্যা দেখা দিলে নেতৃত্ব পরিষদের কাছে জবাবদিহি চাইবে, তাদের জিজ্ঞাসা করবে, তদন্ত শুরু করবে ইত্যাদি সাংবিধানিক পরিষদ হল এক ধরণের অতিরিক্ত নেতৃত্ব, যখন নেতৃত্ব বিভাগ সমাধানে অসফল হচ্ছে তখন ব্যবহার করা হবে কোথাও অসুবিধা হলে এবং নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নিয়ন্ত্রণে না আসলে বিষয়টি সাংবিধানিক পরিষদের কাছে চলে যাবে মুখ্যত এটি হবে একটি মনিটরিং বিভাগ, যা সব দিক থেকে নিরীক্ষণ করেবে যে পুরো সিস্টেমের পারফরম্যান্স কেমন চলছে, কোনো ঘাটতি রয়েছে কি না, ইত্যাদি দিক দিয়ে এটি মূল্যায়নকারী সংস্থা হবে। এই বিভাগ প্রতি বছর বিভিন্ন প্যারামিটারের উপর ভিত্তি করে তাদের রিপোর্ট দিতে থাকবে, কোনো বিভাগের ফলাফল অনুকূল বা প্রতিকূল আসছে কিনা তা জানাতে থাকবে। তারা জনসাধারণকে এইসব তথ্য জানাতে থাকবে এই হচ্ছে এই বিভাগের কাজ দ্বিতীয়ত, জরুরী পরিস্থিতিতে মূল নেতৃত্ব অযোগ্য হলে বিষয়টি এই বিভাগে চলে যাবে। বলা যায় প্রধান নেতৃত্বের সহকারী হিসেবে এটি একটি কমপ্লিমেন্টারি বিভাগ হবে এই বিভাগ প্রতিটি নীতি, নিয়ম, সিদ্ধান্তের চূড়ান্ত আউটপুট থেকে পারফরম্যান্স ম্যাপিং করবে আবার এই বিভাগ নাগরিক সন্তুষ্টি রেটিং থেকেও পারফরম্যান্স রেটিং বের করবে। সুতরাং এই বিভাগ জনগণের কাছে এবং নেতাদেরকেও ফিডব্যাক দিতে থাকবে। সব বিভাগ দুভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে প্রথমত, সেই ব্যবস্থায় জীবনযাপন করে জনগণের কেমন অনুভব হচ্ছে সে সম্পর্কে, দ্বিতীয়ত, যারা কাজ করছেন তাদের পারফরম্যান্স কেমন ছিল তা এই বিভাগ সামগ্রিকভাবে তটস্থ হয়ে পুরো ব্যবস্থাকে তদারকি করতে থাকবেযেহেতু ব্যবস্থার উদ্দেশ্য সমস্ত নাগরিককে সুখী করা, তাই নাগরিক কোন পণ্য এবং পরিষেবাতে কতটা কতটা সন্তুষ্ট, এমন রিপোর্ট তারা বের করতে থাকবে যাতে সংশ্লিষ্ট বিভাগ সংশোধন করতে পারে। সুতরাং এই বিভাগ এটিই নিশ্চিত করবে যে গণতন্ত্রে সমন্বয় বজায় থাকুক এবং এখানে সমন্বয়ের অর্থ হচ্ছে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞদের প্রস্তাব যেন জনসাধারণের কাছে পৌঁছে যায় নীতিনিয়ম, সিদ্ধান্ত ইত্যাদি যেন পাস হয় এবং জনগণের প্রতিক্রিয়া যেন সর্বদা সরকারের কাছে পৌঁছাতে থাকেএই প্রতিক্রিয়া বা সমন্বয়ের মাধ্যমে এমন এক ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে যার ফলে যে কোনো সময় যে কারোর পদ চলে যেতে পারে।


২৯. নতুন ব্যবস্থায় কোনও সিদ্ধান্ত কীভাবে গৃহীত হবে? সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কার কাছে থাকবে?

এই ব্যবস্থায় প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নির্দিষ্ট পদে থাকা বিশেষজ্ঞরাই নেবেন দ্বিতীয় অথবা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জনগণ নেবে।


৩০. নতুন ব্যবস্থায় সরকারের কাজ কী?

সরকার সবকিছুই দেখভাল করবে যেমন শিক্ষা, কর্মসংস্থান, চাহিদা ও সরবরাহ, চিকিৎসা, নিরাপত্তা, সার্বিক দিক দিয়ে সামাজিক কল্যাণসহ সব ধরনের সুখসুবিধা। ব্যবস্থা সর্বদা খেয়াল রাখবে যে সকল নাগরিক ১০০% সন্তুষ্ট রয়েছে কিনা সন্তুষ্ট না হলে তারা আপডেট করবে, সংশোধন করবে এমনটি করতে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত সন্তুষ্টি না আসে যেহেতু এটি একটি কেন্দ্রীভূত কাঠামো এবং সরকারই সম্পূর্ণ ব্যবস্থাপনা করবে তাই সরকারের চোখের সামনেই সবকিছু ঘটতে থাকবে

***

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

রাষ্ট্র ব্যবস্থায় যে অধিকারগুলো জন্মগতভাবে থাকা জরুরী

কিউবার ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের কারণ কী?

ব্যবস্থাগত অসম্পূর্ণতা নাকি নেতৃত্বের ব্যর্থতা?