আইডেন্টিটি ক্রাইসিস এবং সামাজিক স্বীকৃতি বাস্তবিক ভিত্তি কী?

 

মনুষ্য চেতনা একটি আইডেন্টিটি চায়। সেটি কী? সরল কথায় পরিচয়। আইডেন্টিটির এই ক্রাইসিস সম্পূর্ণ মানবজীবনকে আবর্তিত করে রয়েছে। এই ক্রাইসিস পূর্ণতা পাবে একমাত্র কর্মের মাধ্যমে। পক্ষান্তরে বলা যায় কর্মই এই আইডেন্টিটি। মানুষে মানুষে কোনও তফাত নেই। তফাত রুচির এবং কর্মের। সমস্ত রুচি এবং কর্মের বৈচিত্র্য সমাজের জন্য আবশ্যক। পরিপূর্ণ জীবনযাত্রার জন্য আবশ্যক। এই বৈচিত্র্য যত বৃদ্ধি পাবে; কর্মের, বস্তু-পরিষেবার বৈচিত্র্য তত বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি অনুসন্ধান-গবেষণার বৈচিত্র্যও উৎকর্ষতা পাবে। সেজন্য প্রতিটি শিক্ষার্থীর আপন রুচির-যোগ্যতার নিরিখে প্রশিক্ষণ এবং কর্ম সম্পাদনার অধিকার সুরক্ষিত হওয়া প্রয়োজন। যা চলমান রাষ্ট্রব্যবস্থা দ্বারা তখনই সম্ভব যখন উক্ত উদ্দেশ্য অনুযায়ী নীতির, ব্যবস্থার রূপান্তর ঘটবে। তা নাহলে অসম্পূর্ণ ব্যবস্থা থেকে পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থার অভিমুখে সম্মিলিত উদ্যোগই হবে প্রকৃত পদক্ষেপ।


আরেকটি বিষয়ের ব্যাখ্যা প্রয়োজন, সেটি সামাজিক সম্মান বিষয়ক। "সমাজ আমাকে স্বীকৃতি দেবে"। স্বীকৃতি প্রাপ্তির আকাঙ্ক্ষা চলমান অসম্পূর্ণ সমাজব্যবস্থার কৃত্রিমতার মোড়কে তৈরি। এটি প্রতিটি মানুষের জন্য ন্যায়ের অধিকার প্রতিষ্ঠা না করবার ব্যর্থতার ফসল। সমাজে কোন কর্ম স্বীকৃতি পাবে কোন কর্ম পাবে না তা কীভাবে কোন মাপকাঠিতে নির্ধারিত হবে? প্রতিটি নাগরিকের সমমূল্যায়ন বাস্তবিক সুরক্ষিত হলে বাহ্যিক স্বীকৃতি প্রাপ্তির আকাঙ্ক্ষা উৎপন্ন হবার কারণ অবশিষ্ট থাকবে না।


মতামত মন্তব্য আলোচনা কাম্য।

যোগাযোগ: 9830925502 


#togetherness #discussion #education #employment #security #happiness #highlight #everyone #fbpost2025

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

রাষ্ট্র ব্যবস্থায় যে অধিকারগুলো জন্মগতভাবে থাকা জরুরী

কিউবার ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের কারণ কী?

ব্যবস্থাগত অসম্পূর্ণতা নাকি নেতৃত্বের ব্যর্থতা?