নাগরিক সমাজ জাতি, ধর্ম ও দলগত সেন্টিমেন্টের উর্ধে জনকল্যাণে পিছিয়ে কেন?

 

ধর্মীয় সেন্টিমেন্ট এমনভাবে গেঁথে রয়েছে যে বহু নেতিবাচক বিষয়গুলো যা রাষ্ট্রের জন্য তথা নাগরিকের সার্বিক স্বতন্ত্রতা-সুরক্ষায় ক্ষতিকর সেসব বিষয়ে দলমত এবং ধর্মমত নির্বিশেষে খোলাখুলি আলোচিত হয় না। যেমন- বাস্তবে কয়টি দেশের সরকার, রাজনৈতিক দল, ধর্মীয় কিংবা সামাজিক সংগঠন একইসাথে বাংলাদেশ, ভারত, মায়ানমার, প্যালেস্টাইন কিংবা ইউক্রেন সহ অন্যান্য অত্যাচারিতদের পক্ষে সরাসরি প্রতিবাদ, আন্দোলন কিংবা সমস্যার কারণ-নিবারণ নিয়ে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে? সেন্টিমেন্ট ব্যতীত ভালকে ভাল এবং কালোকে কালো বলছে? রাজনীতি, অর্থনীতি, ধর্মনীতি তথা বৈদেশিক বিষয়গুলো নিয়ে দেশগুলোর মধ্যে যেমন বৈষম্য-মতানৈক্য রয়েছে তেমনই সমাজের মধ্যেও। রাষ্ট্র যতখানি সম্ভব চেষ্টা করছে এবং ফলাফলও সকলের সামনেই রয়েছে। সমাজ "পলিটিক্যালি" বা “অফিশিয়ালি” যতই মার্জিত মনোভাব ব্যক্ত করুক না কেন বাস্তবিক ক্ষেত্রে বিচার বিভাগ অর্থকেন্দ্রিক। বর্তমান ব্যবস্থায় সার্বিক সুরাহা তখনই সম্ভব হবে যখন রাষ্ট্র সরাসরি জাতি-ধর্ম-দলমত নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের জীবনজীবিকার-সুরক্ষার দায়িত্ব নেবে। একইসাথে মুদ্রানীতির সংশোধন কিংবা পরিবর্তনও জরুরী। অর্থনৈতিক দিকটি বড় বিষয়। মোট কথা সামাজিক উন্নয়ন-সুরক্ষার পাশাপাশি নাগরিকের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনজীবিকার উন্নয়ন-সুরক্ষা জরুরী। 

একটা বিষয় একজনের জন্য লাভবান-সুরক্ষার হলে অপরজনের জন্য ক্ষতিকর-অসুরক্ষার। প্রয়োজন সর্বকল্যাণকর উদ্যোগের। একদিকে সমাজের কাছে সমস্যার কারণ এবং নিবারণ বিষয়ে স্পষ্টতা থাকতে হবে অপরদিকে আলোচনার পরিসর তৈরিতে সকলকে অগ্রসর হতে হবে। মতামত, অংশগ্রহণ করতে হবে।

এবং এই উদ্যোগ মোট কথা

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

রাষ্ট্র ব্যবস্থায় যে অধিকারগুলো জন্মগতভাবে থাকা জরুরী

কিউবার ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের কারণ কী?

ব্যবস্থাগত অসম্পূর্ণতা নাকি নেতৃত্বের ব্যর্থতা?