নেতৃত্বের ব্যর্থতা নাকি ব্যবস্থাগত অসম্পূর্ণতা ? সমাধান কী? ভারতরাষ্ট্রের স্বাধীনতা লাভ ৭৭ পেরিয়ে ৭৮ বছরের দোরগোড়ায়। প্রাকৃতিক সম্পদ এবং মানব সম্পদে সমৃদ্ধ একটি বৃহৎ স্বাধীন রাষ্ট্রের পক্ষে সামগ্রিক উন্নয়নের নিরিখে এই দীর্ঘকালীন পরিসর সীমিত সময় নয়, বলা যায় একজন নাগরিকের জীবনকালের সমান। পরিসংখ্যান বলছে ভারতবর্ষে যে পরিমাণ প্রাকৃতিক সম্পদ এবং মানব সম্পদ বিদ্যমান তাতে প্রতিটি পরিবারের সমৃদ্ধ জীবনযাত্রার স্থায়ী এবং সুরক্ষিত ব্যবস্থাপনা সম্ভব। একবিংশ শতাব্দীর অত্যাধুনিক প্রযুক্তির অটোমেশন, রোবোটিক, এআই ইত্যাদি সুবিধাগুলি কর্ম সম্পাদনায় ব্যবহুত হলে সময়-শক্তির সাশ্রয় করে দ্রুত সকলের প্রয়োজনীয় বস্তু-পরিষেবা উৎপাদন সম্ভব। বিদ্যালয়, উৎপাদন কেন্দ্র, চিকিৎসালয়, বাসস্থান সহ সকল সামাজিক পরিকাঠামো নির্মাণের পর্যাপ্ত সম্পদ রাষ্ট্রের কাছে রয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে এই সার্বিক উন্নয়নের পথে বাধা কোথায়? সাংবিধানিক গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত সরকারকে কেউ কি আটকে রেখেছে? কেন্দ্রে-রাজ্যে একাধিক সরকারের বদল ঘটেছে, জনতা একাধিক রাজনৈতিক দল এবং নেতৃত্বের উপর বিশ্বাস রেখে দায়িত্ব পালনের সুয...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন