নারী ও পুরুষ একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী নাকি পরিপূরক?
প্রাকৃতিকভাবেই নারী ও পুরুষ দুটি ভিন্ন সত্তা। শারীরিক ও মানসিক উভয় দিক দিয়েই উভয়ের গঠন-গড়ন ভিন্ন। এই ভিন্নতার প্রয়োজন রয়েছে বলেই প্রকৃতি তেমন করেই নারী ও পুরুষকে সৃষ্টি করেছে। একে অপরের সমকক্ষ হয়ে ওঠা কিংবা প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠা প্রকৃতি বিরুদ্ধ। দুজনের শারীরিক-মানসিক ভিন্নতার কারণে দুজনের মধ্যে কর্মের, যোগ্যতার ভিন্নতা থাকবে এও স্বাভাবিক। যে যেমন তাকে তেমনভাবে জীবন উপভোগ করবার পরিবর্তে জোর করে বদলের প্রচেষ্টা অস্বাভাবিক। যার এফেক্ট নেতিবাচক হতে বাধ্য। বাস্তবে হচ্ছেও তাই।
নারী দিবস বা পুরুষ দিবস পালন করলে যেন মনে হয় কোথাও কোনও গুরুতর সমস্যা রয়েছে। মানুষের মধ্যে কোনও সমস্যা নেই। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে প্রতিটি কর্মক্ষম মানুষের শিক্ষা, জীবিকা, সুখসুবিধার ও নিরাপত্তার অভাব মূল সমস্যা। এজন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তি নয় রাষ্ট্রের ত্রুটিপূর্ণ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা দায়ী। প্রতিটি মানুষের অর্থনৈতিক স্বাধীনতার অভাব মূল সমস্যা। একটি সমৃদ্ধ ব্যবস্থা নির্মাণের উদ্দেশ্যে সকলকে সম্মিলিত হতে হবে। জনশক্তি তৈরি করতে হবে। এটিই নাগরিক সমাজের মূল দায়িত্ব। অর্থাৎ সামাজিক উদ্যোগ। তা না হলে সমস্ত সুখসুবিধা কেবলমাত্র ১০% মানুষই ভোগ করতে থাকবে।
পরিশেষে, নারী ও পুরুষ একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং বলা যায় একে অপরের পরিপূরক। পরস্পর পরস্পরের প্রয়োজন, অভাব পূরণ করে উভয়ই সুখী হবে। এটিই স্বাভাবিক নিয়ম।
সংক্ষেপে মূল কথা এটুকুই।
মতামতে সকলে স্বাগত।
ভাল লাগলে লাইক শেয়ার কমেন্ট করতে ভুলবেন না
***

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন