পলিগ্যামী ভার্সেস লিগ্যাল প্রস্টিটিউশন

আমার কর্তাকে আমার এটা কনভিন্স করতেই দশটা বছর লেগে গেছে যে, প্রতিটা মানুষই সহজাত ভাবে বহুমাত্রিক এবং বহুগামী। একটা ম্যারেজ সিস্টেমের মধ্যে থেকে দুটো মানুষ যতই সেক্সচুয়ালি স্যাটিসফায়েড হোক না কেন, সুদূরের ডাক বড় পিয়াসী। মধুর। রোমাঞ্চকর। নিশিরাতে কুহকের মত। না জেনে, না বুঝে মন্ত্রমুগ্ধের ন্যায় একে অনুসরণ করা, ঝাঁপিয়ে পড়া, হারিয়ে যাওয়া, সিঁদকাটা বাঁশির সুরসাগরে অনন্ত ডুব... এ এক অন্যরকম থ্রিল। প্রাকৃতিক ডাক– খিদে, তেষ্টা, লালসা, যৌনতা, ঘুম– ইত্যাদিকে যেমন অস্বীকার করা যায়না, এই অবৈধ ডাকগুলোকেও এড়িয়ে যাওয়া বড় কঠিন; অনেক বড় বড় রথী-মহারথীর পক্ষেও দুষ্কর হয়ে ওঠে। আমি দেখেছি, আধ্যাত্মবাদ নিয়ে প্রবন্ধ সংকলন লেখা এক মহাজ্ঞানীর আত্মসমর্পণ এক বিদূষী নারীর যোনিগর্ভে। হিমালয়ের বুকে দেবদর্শন করে ফিরে আসা কঠোর সংযমী এক পরিব্রাজক কিভাবে সঙ্গিনীর দুধশাদা স্তনের গহীন বিভাজিকায় সাধনার বোধগয়া খুঁজে পায়, মার্কেটিং ম্যানেজমেন্টে  তুখোড় জার্নালিস্টের সমস্ত ডিপ্লোম্যাসি মোমের মত গলে গলে পড়ে তার ব্যক্তিগত কামনার জায়গায়। সেখানে এসে সে তার যাবতীয় শালীনতা খুলে ফেলে। প্রেমিকার খোলা পাপড়ির থেঁতলানো গোলাপের উপর লিখে রাখে দৈনন্দিন ক্লান্তির ঘর্মাক্ত জলছবি। মাতৃসমা নারীটির পদ্মনাভিতে একটা না লেখা চিঠি ফেলে রেখেছে অ্যাবস্ট্রাক্ট ছবি আঁকা কম বয়সী ছেলেটি। সে স্পর্শ করছে না মধ্যবয়সী নারীটির প্রস্ফুটিত দেহ। সে ছবিও আঁকছে না। সে দেখছে। দেখছে। এই দেখা আসলে দর্শন। ধীরে ধীরে তার দুই চোখ বুজে আসছে। সে স্থির। অবিচল। নির্বাক। নিশ্চুপ। তৃতীয় চোখ খুলে গেলে বোধহয় এমনটাই হয়। বাইরেটা দেখার আর প্রয়োজন পড়ে না। আত্মদর্শন তো এরই নাম, যা প্রকৃতপক্ষে যে কোনও সৃজনের অঙ্কুর। ✍️ Ipsita Biswas

 

#পলিগ্যামী_ভার্সেস_লিগ্যাল_প্রস্টিটিউশন

Shared by Keya Banerjee


Debajyoti Mukherjee যে প্রাণী নিজের সড়রিপুকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে তাকে মানুষ বলে আর যে বা যারা পারেনা তারা পশু বা সমগোত্রীয় হয়......তাই পশুরা খোলা জায়গাতে নিজেদের সব প্রয়োজনীয় কাজকর্ম করতে পারলেও মানুষ তা পারে না

আর আপনি আপনার এই বর্ণাঢ্য শব্দ-গন্ধ-ময় বর্ণনার মাধ্যমে আসলে মানুষকে পশু হতে বলছেন....

বাহ খিলাড়ি বাহ....!!!


Keya Banerjee দেখুন আমি কাউকে কিছু করতে বলছি না। আমার কথা কেউ শুনবেই বা কেন? আমি ঈপ্সিতা বিশ্বাসের লেখা তুলে ধরেছি কারণ মানুষের মন কে আটকে রাখা যায় না উনি এটা বলেছেন। লেখিকা কোথাও বলে নি পশুদের মতো খুল্লাম খুল্লা কিছু করতে।।। মানুষের মনের ভাবনা তুলে ধরেছেন।


প্রদীপ মুখোপাধ্যায় 

কেয়া ব্যানার্জী পকেট ভার্টি টাকা ঠকলে ধনী পরিবার আর চেলে মেয়ে বউ এবং বুড়ি রাও এই রোকম একাধিক সম্পর্ক ই জেতে পরে তা তাদার উপভোগ, কিন্তু 80 ভাগ মানুষ কে রোজ বেঞ্চে ঠাকর জননো লোরাই করতে হয় তারা টাকা ওয়ালা মানুষ এর মত লুচ্চ্ডেরম, বিলাশিতা হোতে পারে।


Keya Banerjee to Pradip Mukherjee এটা আপনার ভুল ধারণা। আমি grass root level এ কাজ করি। সেখানে দেখেছি পেটে ভাত জোটে না কিন্তু এই ব্যাপার গুলো পুরো দস্তুর জারি আছে। যৌনতার সঙ্গে টাকা থাকা বা না থাকা গুলিয়ে ফেলবেন না।

Sanchari Ghosh

শুভেচ্ছা | এই সমাজে খুব কম লোকই আছে যারা যৌন ক্ষুধা মেনে নেওয়ার সাহস করে। এবং আমি ব্যক্তিগতভাবে "যদি তুমি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারো তাহলে তুমি একজন পশু" এটাকে ভুল মনে করি। । হ্যাঁ, ক্ষুধা জৈবিক এবং পশুত্বপূর্ণ। কিন্তু সম্মতিক্রমে যদি তা নিবারণ করা হয়, তাহলে তা কোনওভাবেই অনৈতিক নয়! সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রতারণা অনৈতিক। কিন্তু বহুপ্রেম নিয়ে আলোচনা করা এবং তারপর তাতে লিপ্ত হওয়া আসলে স্বাস্থ্যকর! Infact সমাজে যৌনতার নিষিদ্ধতাই একে বিপজ্জনক করে তোলে। India and Pakistan are known for watching a lot of porn. Why do you think that is? কারণ যারা নীতি-নৈতিকতার কথা বলে, তারাই যৌন অবক্ষয়ে ভোগে এবং যৌনতা দেখে তাদের তৃষ্ণা মেটাতে চেষ্টা করে |যৌনতা একটি ক্ষুধা। নৈতিক বিতর্কের বিষয় নয়। শাস্তি দেওয়ার হাতিয়ার নয়। বিক্রি করার পণ্য নয়।

তাপস দত্ত চৌধুরী

আপনি একমত হোন বা না হোন, কিন্তু প্রতিটি পুরুষ এবং মহিলা শারীরিক বা মানসিকভাবে বহুবিবাহিত

এটিই তিক্ত সত্য।

Saumitri Ghosh Dastidar

বাহ যে বিষয়টা কঠোর বাস্তব হওয়া সত্ত্বেও আমরা নিরন্তর গালভরা কথা দিয়ে নিজের স্ত্রী বা স্বামীর বা অন্যান্যদের কাছে সাধু সাজার ভান করি, তাঁদের কাছে এই বার্তা বিরাশি শিক্কার থাপ্পড়। ধন্যবাদ।

Subhendu Barik

সঠিক কথা বলেছেন নিজস্ব অভিজ্ঞতা আর পর্যবেক্ষণ দ্বারা সমাজ কে,কোনো ভূল নেই আপনার লেখনী তে আর যারা এইখানে বাতুলতা মাতাচ্ছে উনারা দয়া করে লুকিয়ে নিজেদের ভেতর টা দেখুন

Rajib Guharoy

মানুষ অবশ‍্যই স্বভাবে বহুগামী। নারী এবং পুরুষ উভয়ইে। কিন্তু বহুগামীতা প্রচুর জটিলতা সৃষ্টি করে। বিশেষত সাংসারিক জীবনে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন‍্য। কতজন মানুষ পারবে, তার বাবা অথবা মায়ের বহুগামীতা মেনে নিতে? সেই কারণেই মানুষ পরকীয়া জিনিসটা বুক ঠুকে নয়, লুকিয়েই করে থাকে। তবে ভালোবাসা বিহীন সম্পর্ক টিঁকিয়ে রাখা অবশ‍্যই বেশি ক্ষতিকর। দম্পতির নিজেদের জন‍্য এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন‍্যও।

Suranjan Ghosh

আপনার অ সা ধা র ণ লেখনী শক্তির তারিফ না করে পারলাম না ! আর এক সহস্র শতাংশ একমত আপনার যুক্তির পারে এবং লেখার শেষ টা আমাকে সব চাইতে অনুপ্রাণিত করেছে ! Just ! ফা টা ফা টি ! 🙏🙏🙏

Ahmad Mujtahid

আমি একদম সহমত এই লেখা,চিন্তা আর অনুভব এর সাথে। পরকীয়া খুবই বাস্তব সত্যিকার একটা জীবন তৃষ্ণা। এটা ভালো মন্দর প্রশ্ন নয় এটা স্বাভাবিক মানুষিক ও শারীরিক চাহিদা। এই চাহিদার কাছে অবনত হয় ঋষি, যৌগী সবাই। যৌনতা এক স্বাভাবিক আদিম চাহিদা। এটা ভালো মন্দর প্রশ্ন নেই। শরীর নিজের চাওয়া নিজে খুঁজে নেয়। সমাজ এঔ চাহিদা স্বীকার করেনা বলে পরকীয়া জীবনের অনুষঙ্গ হয়ে ওঠে। এটা সত্যি এবং বাস্তব। একে এড়িয়ে যাওয়া বা পরিহার করার চেস্টা শুধু ব্যর্থই হয় না মানষিক রোগগ্রস্ত করে ফেলে মানব মানবীকে।

Chayan Gupta

মানুষের বহুগামিতা র কোন বিকল্প নেই।এটা স্ত্রী পুরুষ সবারই স্বভাব জাত।লেখা টি আমার খুব ভালো লেগেছে। যারা সমাজের নিয়মের কথা বলেছেন সুযোগ পেলে কে কি করতেন বলা খুব মুশকিল।

Akla Mon

Mayukh Goswami সহমত। বিরিয়ানি রোজ ভালো লাগবে না। কিন্তু মানুষ বিরিয়ানি নয়, মানুষকে মানুষের মতোই দেখতে হবে৷ একসাথে থাকলে ঝগড়া হবে, সেটাই স্বাভাবিক, কিন্তু সেই ঝগড়াটা বাড়ির আর পাঁচটা ঝগড়া মন কষাকষির মতোই স্বাভাবিক, ওটার দোহাই দিয়ে অন্য কারোর দিকে ঢলে পড়াটা কোনোমতেই স্বাভাবিক হয়ে যায় না। ওইযে বললাম স্বভাব, চরিত্র, শিক্ষা, সংস্কার এসব ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ, নাহলে সবকিছুই বেকার৷ শুয়োর কে ধরে শ্যাম্পু সাবান মাখিয়ে ধোপদুরস্ত করে ধুতি পাঞ্জাবি পরিয়ে দিন, কিন্তু তবুও সে নর্দমায় গিয়ে নেমে পড়বে, নোংরা গু খাবেই। মানুষ ও এর ব্যতিক্রম নয়, স্বভাব যার খারাপ সে কোনো না কোনো অজুহাত খুঁজে নিয়ে এসব নোংরামি করবেই। আর অবশ্যই ডিস্ট্যান্স দরকার, প্রত্যেকের নিজস্ব স্পেশ চাই, থাকা দরকার। বেশি মাখামাখি ও বিরক্তির কারণ হতে পারে, তাই একটা মিউচুয়াল দূরত্ব তৈরি করাই উচিত সময় সময়৷ কিন্তু আবার মজার ব্যাপার দেখুন এই দুরত্বে থাকার অজুহাতেও কিছু মানুষ অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছে।

Sachi Dulal Basak

Aditya Ray যে সম্পর্কের কোনো ভবিষ্যৎ নেই সেই সম্পর্ক বিষতুল্য।

Aditya Ray

Tonmoy Roy ঠিক ই বলেছেন, সময়ের বদলের সাথে ভবিষ্যৎ ও বদলাতে থাকে,উনি ঠিক কোন ভবিষ্যতের কথা বলতে চাইলেন, বোঝা গেল না।

Rupak Bhattacharjee

উপলব্ধি আর জীবনের অভিজ্ঞতা তো তাই বলে। হাঁসের ছানা যেমন জন্মেই জলে সাঁতার কাটে, এটা তার সহজাত বলে তেমনি এই অভ্যাস অনুশীলন ও মানুষের সহজাত।

Arun Kumar Mukherjee

একদম সঠিক। আসলে বিয়ে নামক ব্যাপারটাই তুলে দিলে ভাল হত। যদি মেলামেশা সন্তানের জন্ম হয়।তাহলে জন্ম দাতা পিতা মাতার দায়িত্ব তাদের মানুষ করার।যদি নিজেরা না পারেন তবে উপযুক্ত অর্থের বিনিময়ে ক্রেসে মানুষ হবে।আরAI যে ভাবে এগোচ্ছে হয়ত ওরাই মানুষ করবে।

কণ্যাদায় পিতৃদায় মাতৃদায় কিছুই থাকবেনা।প্রেম, ভালবাসা স্নেহ র কিহবে বলুনতো।

সরকার হেভি ট্যাক্স বসিয়ে সব কিছুই করার ব্যবস্থা করে দেবে। কিছুই করতে হবেনা।খালি নিজের কর্মক্ষেত্রে কাজ টা ভাল করে করতে হবে।

কি মজা কি মজা!

তাই না।

Pranab Sen

নিঃসন্দেহে অনবদ্য বিশ্লেষন। মানুষের মন প্রচণ্ড বিক্ষিপ্ত তবুও সংযম শীল। সেই কারণেই, দৈহিকভাবে না হলেও মননে অনেকেই বহুগামী। এই বাস্তব সত্যটা মেনে নিয়েও বলছি, মনের প্রভাবে আমাদের অনেক কিছুই করার ইচ্ছে হয়। কিন্তু, স্থান কাল পাত্র / পাত্রী বিবেচনা সাপক্ষে মনের পরিবর্তন ঘটে বা মনকে অবদমিত করা হয়। সেক্ষেত্রে, তাঁকে মননে বহুগামী বলা সত্যি সত্যি justified কি?? অবশ্য আমি সেই সমস্ত পুরুষ / মহিলাদের কথা বলছি না যাঁরা মনে মনে সেই কাঙ্ক্ষিত মানুষটির সাথে মিলনক্রিয়া তে রপ্ত হয়ে পড়েন, দৈহিক মিলন ছাড়াই। অর্থাৎ কিনা অবদমিত কাম ও রতিক্রিয়া চরিতার্থ করে মানসিক প্রশান্তি পায়।এ এক অদ্ভুত মননক্রিয়া। এদের কে বহুগামী বলা যেতেই পারে তবে ঐ প্রথম শ্রেণীভুক্ত মানুষদের তো মোটেই নয়।

Milan ML Das

লেখাটা সত্যিই গভীর ও চিন্তনযোগ্য। মানবমনের স্বভাবগত বহুমাত্রিকতা, দেহ-মন-আত্মার টানাপোড়েন, আর নিষিদ্ধ আকাঙ্ক্ষার অনিবার্যতা—সবকিছুই অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে তুলে ধরেছেন। শেষের অংশে “দর্শন” ও “আত্মদর্শন”-এর যে সংযোগ টেনেছেন, তা লেখাটিকে এক উচ্চতর ভাবনামূলক স্তরে পৌঁছে দিয়েছে।

Rupali Sarkar

লেখাটা আপনার মতো করে আপনি লিখেছেন। সম্পূর্ণ সহমত নয়।

সকলেই বহুগামী নয়। হয়তো সংখ্যায় তারা বেশি পার্সেন্টেজের দিক থেকে বেশি।

নিজের ব্যক্তিত্বকে নিজের অস্তিত্বকে আমি নিজে কি? করতে চাইছি?

আমি কি করতে চাই আমার জীবনের উদ্দেশ্য যদি একটা সদর থাক সুন্দর সৃষ্টিমূলক হয় তবে আমার কনসেনট্রেশন উত্তরোত্তর আমার সৃষ্টির দিকেই ধাবিত হবে।।

এরকম মানুষের সংখ্যা এতটাই কম যাদের নিজের উপর আস্থা, সংযম বোধে ঘাটতি সর্বোপরি উশৃংখল বয়স পেরিয়ে এসে যে বয়সে মানুষ ধীর স্থির হতে শেখে আত্ম উপলব্ধি করতে শেখে বিশ্বের সৃষ্টির সাথে নিজের জন্মের অদৃশ্য যে ঘূর্ণায়মান ধূলিকণার ন্যায় জীবন , এর বাইরে আর কিছু নয় এটা বুঝতে শেখে তখন পলিগ্যামি মানসিকতা আসতেই পারে না। আসেও না। আসলে সকলেই পলিগ্যামি এটা বলার মধ্য দিয়ে সকলের মধ্যে এক চাপিয়ে দেওয়া আমি তো বলব একটা পলিগ্যামি মানুষের সুপরিকল্পিত প্যামপ্লেট ছড়ানো ছাড়া আর কিছু না।

Dipankar Chakravarty

Keya Banerjee একেবারে ঠিক কথা। বহুগামিতা মানুষের স্বভাবজাত। বেশিরভাগ মানুষই পায় না, তাই খায় না, জোর করে সংযমী থাকে। সুযোগ পেলেই তারা বহুগামী হয়। বিবাহিত জীবনের বা সংসারের কোনো ক্ষতি না করেই। এ ব্যাপারে নারী-পুরুষ ভেদ নেই। উদাহরণ দরকার নেই। সবাই জানে, স্বীকার করে না।

Goutam Goswamy

চুরির ইচ্ছে সবাইর আছে, সুযোগ এবং সাহস সবার থাকে না । তারাই বিরোধিতা করে।

Anik Ghosh

গণিকাবৃত্তিকে কেশর পেস্তা ছড়িয়ে আইসক্রিম বানানো যায়না।

Bappa Bhattacharya

বেশ মনোগ্রাহী লেখা কিন্তু সমস‍্যাটা হলো বহুগামীতায় যদি উভয়পক্ষের হাতে সুযোগ থাকে নিষিদ্ধ সম্পর্কের স্বাদ পাওয়ার তাহলে ঠিক নইলে অশান্তি অবসম্ভাবী।

Ashok Kumar Ghosh

কথাগুলো অত‍্যন্ত রূঢ় বাস্তব সত‍্য। বিজ্ঞানের ভাষ‍্য অনূযায়ী Man by nature a polygamist.

পৃথিবীর সমস্ত জীব জগত ও প্রাণীকূলের দিকে তাকালে সেটাই দৃশ্য মান হয়।

মানুষ প্রাণীজগতের শ্রেষ্ঠ প্রাণী হওয়াতে নিজেরা সমাজবদ্ধ জীব হিসাবে পরিগণিত হয়েছে।

আর এই সমাজকে রক্ষা ও আরও সুসংহত করার জন‍্য অনেক মানবীয় চিন্তা চেতনার বোধ শক্তিকে উন্নত করতে হয়েছে।

ইচ্ছা প্রবল হলেও,সেই ইচ্ছা পূরণ করার মধ‍্যে অনেক ক্ষতিকারক জিনিস আছে।

আদিম ইচ্ছা পূরণ করে ব‍্যক্তির শখ আহ্লাদ তাৎক্ষণিক মিটতে পারে। কিন্তু সমাজ ও পরিবারের বুকে অনেক অঘটন ঘটায়।

আমার বাবা মা যদি এই ধরনের ইচ্ছাপ্রবৃত্তির দাস হয়ে কিছু করতেন,তাহলে সন্তানদের অবস্থা কি হবে।

দুই একজন মানুষের অধঃপতনে সামগ্রিক ভাবে সমাজ ধ্বংস হয় না।

ব‍্যাপকভাবে হলে অবশ‍্যই সমাজ ও ভবিষ্যৎ পৃথিবীর অস্তিত্ব সংকটে পড়বে।

Sagar Chanda

সনাতন ধর্মে এই সব বাহ্যিক জিনিসের থেকে আধ্যাত্মিকতা কে বেশি দেখানো হয়েছ। কাম ক্রোধ লাভ কে জয় করতে শিখিয়েছে।নিজের মানষিকতার খারাপ বলে কিছু খারাপ মানুষের উদাহরণ টেনে নিজের নোংরা চিন্তা ভাবনা কে জাস্টিফাই করছো।আবার কিছু উজবুক এই উদাহরণ দেখে শুনে বাহবা দিচ্ছে। পলিগ্যমি r মতন নোংরা জিনিস যদি জাস্টিফাই করা যায় তাহলে মানুষ কে হত্যা করাটাও ঠিক বলতে হবে।মন কে জয় করে বলেই মানুষ,মান আর হুশ বিসর্জন দিয়ে মন যা বলছে সেটা করা কে ভাদ্রমাসের কুত্তার সাথে তুলনা করা ভালো।


***


    মন্তব্যসমূহ

    এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

    রাষ্ট্র ব্যবস্থায় যে অধিকারগুলো জন্মগতভাবে থাকা জরুরী

    কিউবার ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের কারণ কী?

    ব্যবস্থাগত অসম্পূর্ণতা নাকি নেতৃত্বের ব্যর্থতা?