কে এই "আধুনিক সোভিয়েতের" রূপকার নিকিতা ক্রুশ্চেভ?


 
নিকিতা ক্রুশ্চেভ (Nikita Khrushchev) ছিলেন সোভিয়েত ইউনিয়নের ইতিহাসের অন্যতম গতিশীল, সাহসী এবং একই সাথে বিতর্কিত রাষ্ট্রপ্রধান। জোসেফ স্তালিনের মৃত্যুর পর তিনি সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির প্রথম সেক্রেটারি (১৯৫৩-১৯৬৪) হিসেবে দায়িত্ব নেন। তিনি স্তালিনের আমলের চরম স্বৈরতন্ত্র থেকে সোভিয়েত ইউনিয়নকে মুক্ত করে একটি মানবিক ও আধুনিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল অনন্য।


নিচে নিকিতা ক্রুশ্চেভের জীবন, রাজনীতি, শাসনকাল এবং পতন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

## ১. জন্ম, প্রাথমিক জীবন ও পরিবার—

* জন্ম:

তিনি ১৮৯৪ সালের ১৫ এপ্রিল রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলের কালিনোভকা নামক একটি দরিদ্র কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

* শৈশব ও শিক্ষা:

তাঁর শৈশব কেটেছিল চরম দারিদ্র্যের মধ্যে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল নামমাত্র। কিশোর বয়সে তিনি ইউক্রেনের ডনবাস অঞ্চলের খনিতে ধাতব মিস্ত্রি (Metalworker) হিসেবে কাজ শুরু করেন এবং সেখানে শ্রমিক আন্দোলনের সাথে যুক্ত হন।

* পরিবার:

সোভিয়েত ইউনিয়নের সাবেক রাষ্ট্রপ্রধান ও কমিউনিস্ট পার্টির প্রথম সম্পাদক নিকিতা ক্রুশ্চেভ (Nikita Khrushchev) তাঁর জীবনে দুইবার বিবাহ করেছিলেন এবং তাঁর মোট ছয়টি সন্তান ছিল। ক্রুশ্চেভের পারিবারিক জীবন এবং তাঁর সন্তানদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো:

## ক্রুশ্চেভের স্ত্রীগণ—

* প্রথম স্ত্রী — ইয়েফ্রোসিনিয়া পিসারেভা (Yefrosinia Pisareva): ১৯১৬ সালে তাঁদের বিয়ে হয়। ১৯১৯ সালের টাইফাস মহামারীতে তিনি মারা যান। তাঁদের দুটি সন্তান ছিল: জুলিয়া ও লিওনিড।

* দ্বিতীয় স্ত্রী — নিনা পেত্রোভনা কুখারচুক (Nina Petrovna Kukharchuk): ১৯২৪ সালে তাঁরা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে ১৯৬৫ সালে তাঁদের বিয়ে দাপ্তরিকভাবে নিবন্ধিত (officially registered) হয়। তিনি সোভিয়েত ইউনিয়নের ফার্স্ট লেডি হিসেবে প্রথমবার স্বামীর সাথে বিদেশ সফরে গিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে বেশ পরিচিতি পান। তাঁদের চার সন্তান ছিল: রাদা, সের্গেই, এলেনা এবং শৈশবে মারা যাওয়া এক কন্যা।

## নিকিতা ক্রুশ্চেভের সন্তানদের সংক্ষিপ্ত বিবরণ—

## ১. জুলিয়া ক্রুশ্চেভা (১৯১৬ – ১৯৮১)—

তিনি ছিলেন ক্রুশ্চেভ ও তাঁর প্রথম স্ত্রীর বড় সন্তান। তিনি পেশায় একজন রসায়নবিদ (chemist) ছিলেন।

## ২. লিওনিড ক্রুশ্চেভ (১৯১৭ – ১৯৪৩)—

ক্রুশ্চেভের প্রথম পক্ষের ছেলে। তিনি সোভিয়েত বিমান বাহিনীর (Soviet Air Forces) একজন লড়াকু পাইলট বা যুদ্ধবিমানিক ছিলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪৩ সালে একটি বিমান যুদ্ধ চলাকালীন তাঁর বিমানটি ভূপাতিত হয় এবং তিনি নিখোঁজ হন। তাঁর এই মৃত্যু নিয়ে পরবর্তীতে অনেক ঐতিহাসিক রহস্য ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল।

## ৩. রাদা ক্রুশ্চেভা (১৯২৯ – ২০১৬)—

ক্রুশ্চেভ ও নিনা পেত্রোভনার প্রথম সন্তান। তিনি পেশায় একজন খ্যাতনামা সাংবাদিক এবং বিজ্ঞান সাময়িকী 'Nauka i Zhizn' (Science and Life)-এর ডেপুটি এডিটর-ইন-চিফ হিসেবে দীর্ঘ পাঁচ দশক কাজ করেছেন। তাঁর স্বামী আলেক্সি আদঝুবেই (Aleksei Adzhubei) সোভিয়েত ইউনিয়নের বিখ্যাত সরকারি পত্রিকা 'Izvestia'-র প্রধান সম্পাদক ছিলেন।

## ৪. সের্গেই ক্রুশ্চেভ (১৯৩৫ – ২০২০)—

ক্রুশ্চেভের সন্তানদের মধ্যে তিনি আন্তর্জাতিক স্তরে সবচেয়ে বেশি পরিচিত ছিলেন। তিনি পেশায় একজন রকেট প্রকৌশলী (rocket engineer) এবং সোভিয়েত মহাকাশ কর্মসূচীর অংশ ছিলেন। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর, ১৯৯১ সালে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। সেখানে তিনি ব্রাউন ইউনিভার্সিটিতে (Brown University) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক হিসেবে কাজ করেন এবং ১৯৯৯ সালে আমেরিকার নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন। তিনি তাঁর বাবার জীবনী ও স্মৃতিকথা নিয়ে বেশ কয়েকটি বই লিখেছিলেন।

## ৫. এলেনা ক্রুশ্চেভা (১৯৩৭ – ১৯৭২)—

তিনি ক্রুশ্চেভের কনিষ্ঠ কন্যা ছিলেন। তিনি পেশায় একজন গবেষক ও সাহিত্যিক ছিলেন, তবে মাত্র ৩৫ বছর বয়সে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান।

(উল্লেখ্য, নিনা ও নিকিতার ঘরে আরেকটি কন্যাসন্তান জন্ম নিলেও সে শৈশবেই মারা যায়।)

ক্রুশ্চেভের পরিবারের পরবর্তী প্রজন্ম বিজ্ঞান, রাজনীতি ও সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে নিজেদের যেভাবে যুক্ত রেখেছিলেন তা অনন্য স্বীকৃতির দাবী রাখে।

## ২. রাজনৈতিক উত্থান ও স্তালিনের আমল—

* বলশেভিক পার্টিতে যোগ:
১৯১৮ সালে রুশ গৃহযুদ্ধের সময় তিনি কমিউনিস্ট (বলশেভিক) পার্টিতে যোগ দেন এবং রেড আর্মির হয়ে লড়াই করেন।

* স্তালিনের বিশ্বস্ততা:
১৯৩০-এর দশকে ক্রুশ্চেভ দ্রুত পদোন্নতি পেয়ে মস্কোর পার্টি প্রধান এবং পরবর্তীতে ইউক্রেনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান হন। Nikita Khrushchev স্তালিনের "গ্রেট পার্জ" বা মহা-শুদ্ধি অভিযানের সময় ক্রুশ্চেভ স্তালিনের প্রতি অন্ধ আনুগত্য দেখান এবং ইউক্রেনে বহু মানুষকে দমনে ভূমিকা রাখেন। Nikita Khrushchev এই আনুগত্যের কারণেই তিনি স্তালিনের শীর্ষ বলয়ে (Politburo) নিজের জায়গা পাকা করেন।

* দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি একজন শীর্ষ রাজনৈতিক কমিশার (Political Commissar) হিসেবে স্তালিনগ্রাদের ঐতিহাসিক যুদ্ধে সরাসরি মাঠে থেকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

## ৩. শাসনকাল ও বড় বড় উন্নতি—

১৯৫৩ সালে স্তালিনের মৃত্যুর পর এক তীব্র ক্ষমতার লড়াইয়ে সিক্রেট পুলিশ প্রধান লাভরেন্তি বেরিয়া এবং গর্গি ম্যালেনকভকে সরিয়ে ক্রুশ্চেভ সোভিয়েতের সর্বোচ্চ নেতা হন। Nikita Khrushchev তাঁর শাসনকাল (১৯৫৩-১৯৬৪) ছিল সংস্কারের এক স্বর্ণযুগ:

* ডি-স্তালিনাইজেশন ও গোপন বক্তৃতা (১৯৫৬):
তিনি পার্টি কংগ্রেসে স্তালিনের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও ব্যক্তিপূজার মুখোশ উন্মোচন করেন। লাখ লাখ রাজনৈতিক বন্দিকে গুল্যাগ থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। ইতিহাসে এই সময়কে 'ক্রুশ্চেভের বরফগলা' (Khrushchev's Thaw) বলা হয়, যা মানুষকে মানসিক স্বস্তি ও বাক-স্বাধীনতা দিয়েছিল।

* আবাসন বিপ্লব (ক্রুশ্চেভকা):
কোটি কোটি মানুষকে যৌথ ফ্ল্যাটের (Kommunalka) নরককূল জীবন থেকে মুক্তি দিতে তিনি নিজস্ব বাথরুম ও রান্নাঘরসহ লাখ লাখ ব্যক্তিগত অ্যাপার্টমেন্ট (Khrushchevka) তৈরি করেন।

* ভোক্তা পণ্যের গণ-উৎপাদন:
তিনি ভারী শিল্পের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য ফ্রিজ, টিভি, ওয়াশিং মেশিন এবং আধুনিক পোশাকের উৎপাদন বহুগুণ বাড়িয়ে দেন।

* মহাকাশ বিজয়:
তাঁর আমলেই সোভিয়েত ইউনিয়ন মহাকাশ গবেষণায় বিশ্বকে নেতৃত্ব দেয়। ১৯৫৭ সালে প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ 'স্পুটনিক' এবং ১৯৬১ সালে ইউরি গ্যাগারিনের মাধ্যমে প্রথম মানুষ মহাকাশে পাঠায় সোভিয়েত ইউনিয়ন।

* শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান:
ক্রুশ্চেভ বিশ্বাস করতেন পুঁজিবাদের সাথে যুদ্ধ না করেও সমাজতন্ত্র নিজের অর্থনৈতিক ও বৈজ্ঞানিক শ্রেষ্ঠত্ব দিয়ে বিশ্বজয় করতে পারে।

তিনি প্রথম সোভিয়েত নেতা হিসেবে ১৯৫৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যান।

## ৪. নীতিগত ভুল, অবনতি ও অভিযোগ—

ক্রুশ্চেভ অনেক সময় অত্যন্ত আবেগপ্রবণ এবং হঠকারী সিদ্ধান্ত নিতেন, যা তাঁর পতনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়:

* ভার্জিন ল্যান্ডস ক্যাম্পেইন ও কৃষি বিপর্যয়:
তিনি সাইবেরিয়া ও কাজাখস্তানের বিশাল অনাবাদী জমিতে জোরপূর্বক খাদ্যশস্য ও ভুট্টা চাষের এক বিশাল প্রজেক্ট নেন। প্রথম দিকে সফল হলেও বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনার অভাবে পরবর্তীতে এই প্রজেক্ট সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়, যার ফলে সোভিয়েত ইউনিয়নে তীব্র খাদ্যসংকট দেখা দেয় এবং আমেরিকা থেকে গম আমদানি করতে হয়।

* কিউবান মিসাইল ক্রাইসিস (১৯৬২):
আমেরিকার নাকের ডগায় কিউবাতে গোপনে পারমাণবিক মিসাইল মোতায়েন করে ক্রুশ্চেভ বিশ্বকে পরমাণু যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যান।

পরবর্তীতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির চাপে পড়ে তিনি মিসাইল ফিরিয়ে নেন। সোভিয়েত সামরিক বাহিনী ও কমিউনিস্ট পার্টি একে ক্রুশ্চেভের "চরম অপমান ও কাপুরুষতা" হিসেবে দেখে।

* চীনের সাথে সম্পর্ক ফাটল:
ক্রুশ্চেভ কর্তৃক স্তালিনের সমালোচনা এবং আমেরিকার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ নীতিকে চীনের মাও সেতুং "সমাজতন্ত্রের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা" বলে আখ্যা দেন। এর ফলে বিশ্বের দুই বৃহত্তম সমাজতান্ত্রিক দেশের সম্পর্ক চিরতরে ভেঙে যায়।

* নভোচেরকাস্ক হত্যাকাণ্ড (১৯৬২):
নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বৃদ্ধি ও মজুরি কমানোর প্রতিবাদে নভোচেরকাস্ক শহরের শ্রমিকেরা ধর্মঘট করলে ক্রুশ্চেভের নির্দেশে সেনাবাহিনী গুলি চালায়, যাতে ২৬ জন শ্রমিক নিহত হন। এই ঘটনা তাঁর "মানবিক সমাজতন্ত্রের" ইমেজে বড় দাগ ফেলে।

## ৫. ক্ষমতাচ্যুতি ও শেষ জীবন—

ক্রুশ্চেভের হঠকারী সিদ্ধান্ত, আমলাতন্ত্রের ওপর বারবার আঘাত এবং কিউবা সংকটের ব্যর্থতায় কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষ নেতারা তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত বিবরণ থাকবে।

* অভ্যুত্থান (১৯৬৪):
১৯৬৪ সালের অক্টোবরে ক্রুশ্চেভ যখন কৃষ্ণসাগরের তীরে ছুটিতে ছিলেন, তখন লিওনিদ ব্রেজনেভের নেতৃত্বে পার্টির শীর্ষ নেতারা ক্রেমলিনে এক গোপন বৈঠক ডেকে ক্রুশ্চেভকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ করেন। তাঁকে বলা হয় তাঁর "উন্নত বয়স এবং স্বাস্থ্যের" কারণে তিনি পদত্যাগ করছেন।

* গৃহবন্দি জীবন ও স্মৃতিকথা:
ক্ষমতা হারানোর পর ক্রুশ্চেভকে মস্কোর বাইরে একটি ডাচা বা সরকারি বাংলোয় সম্পূর্ণ নজরদারিতে (গৃহবন্দি) রাখা হয়। সরকারি মিডিয়া থেকে তাঁর নাম সম্পূর্ণ মুছে ফেলা হয়। এই নিঃসঙ্গ জীবনে তিনি গোপনে অডিও টেপে নিজের স্মৃতিকথা (Memoirs) রেকর্ড করেন, যা পরবর্তীতে স্মাগল করে পাশ্চাত্যে পাচার করা হয় এবং বই হিসেবে প্রকাশিত হয়।

* মৃত্যু:
১৯৭১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৭৭ বছর বয়সে এই মহান নেতা অবহেলিত অবস্থায় মারা যান।

সোভিয়েত রাষ্ট্র তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ক্রেমলিনের দেয়ালে সমাহিত করেনি, বরং মস্কোর নভোদেভিচি কবরস্থানে সাধারণ মানুষের মতো দাফন করা হয়।

উপসংহার:
নিকিতা ক্রুশ্চেভও একেবারে নিখুঁত ছিলেন না, তাঁর বহু সিদ্ধান্ত ছিল স্ববিরোধী। কিন্তু তিনি সোভিয়েত ইউনিয়নের ইতিহাসে এমন এক নেতা ছিলেন, যিনি কোটি কোটি মানুষকে বাড়ি দিয়েছিলেন, সমাজ থেকে ভয়ের শাসন দূর করেছিলেন এবং বিশ্বে প্রমাণ করেছিলেন যে সমাজতন্ত্রের ভেতরেও মানবিক সংস্কার সম্ভব।

পরিশেষে, স্তালিনের সাথে ক্রুশ্চেভের শাসনকালের সামগ্রিক তুলনা, ১৯৫৬ সালের ঐতিহাসিক "গোপন ভাষণ" (Secret Speech) এবং ১৯৭০-এর দশকে পাচার হওয়া "গোপন অডিও টেপ" (Secret Audio Tapes) সহ সোভিয়েত ইউনিয়নের অভ্যন্তরীণ এবং বহির্বিশ্বের আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলীর বিস্তারিত রচনা পরবর্তী অধ্যায়গুলোতে প্রকাশিত হবে।
***
লাইক কমেন্ট শেয়ার করতে ভুলবেন না।
***

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

রাষ্ট্র ব্যবস্থায় যে অধিকারগুলো জন্মগতভাবে থাকা জরুরী

কিউবার ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের কারণ কী?

বিকল্প অর্থনীতি দ্বারা সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্রের নির্মাণ কীভাবে সম্ভব?